গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরুর পর বিভিন্ন অনিয়ম নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণে ধরা পড়ে; অনিয়ম রোধ করা সম্ভব না হওয়ায় নির্বাচন কমিশন দুপুর নাগাদ এক-তৃতীয়াংশ কেন্দ্রের ভোট বাতিল করে এবং শেষ পর্যন্ত বেলা আড়াইটার দিকে পুরো ভোটগ্রহণই বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি ভোটকেন্দ্রের ভোট বন্ধ করেন। অবশ্য বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছাড়া বাকি চার প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। ঢাকা শহরের আগারগাঁও নির্বাচন ভবন থেকে সিসিটিভি’র মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রগুলো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হয়। সিসিটিভি-এর মাধ্যমে পর্যবেক্ষণে যে সকল অনিয়ম ধরা পড়ে তা হল, ভোট দেওয়ার গোপন কক্ষে একসঙ্গে একাধিক ব্যক্তির প্রবেশ, ভোটারকে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট প্রদানে অন্য লোকের প্ররোচনা, বিভিন্ন প্রার্থীর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া ইত্যাদি। গাইবান্ধার এই উপনির্বাচন ছিল বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম কোনো সংসদীয় আসনের নির্বাচন। এই নির্বাচনে ১৪৫ কেন্দ্রের সব কটিতেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছে। এই নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করেনি, মূল প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টি। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ভোট বন্ধ ঘোষণার সাথে সাথে নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
নির্বাচনের অনিয়ম নিয়মে পর্যবসিত হওয়ায় বাংলাদেশের ভোটারগণ নির্বাচন-বিমুখ। ভোটকেন্দ্রে ভোটার না গেলেও ভোট কাস্ট হয় ৭০-৮০%। এত ভোট কীভাবে কাস্ট হয়, সেই খবর কোন আমলে কোন নির্বাচন কমিশন নেয়নি। অতীতে প্রায় প্রতিটি নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন মাঠ পর্যায়ের প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসারের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে; অবশ্য এটাই নিয়ম। কিন্তু প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসার যখন নিজেই অনিয়মের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকেন তখন তাদের প্রতিবেদন নিরপেক্ষ হয় না। অধিকাংশ নির্বাচন কমিশন ছিল রোবট, নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি কাজে লাগানোর কোন গরজ বোধ করেনি। জনগণ ছিল বাস্তবতার প্রত্যক্ষদর্শী, ২০% ভোট যখন ৭০-৮০%-এ উন্নীত হয় তখন নির্বাচন কমিশনের প্রতি ভোটারের আস্থা শূন্যতে নেমে আসে। অনিয়মে নির্বাচিত প্রার্থীর বিজয় নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বৈধ ঘোষণার পর বৈধতার বিরুদ্ধে মামলা করে ফলাফল পেতে সংশ্লিষ্ট জাতীয় সংসদের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।
অতীতে নির্বাচনে শুধু ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম হয়নি, ভোটকেন্দ্রের বাইরেও ক্ষমতার অপপ্রয়োগ হয়েছে। ২০০১ সনে বিচারপতি লতিফুর রহমানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচনের পূর্বে যেভাবে আওয়ামী লীগকে মাঠছাড়া করেছিল তা ছিল নজিরবিহীন, কিন্তু নির্বাচন কমিশন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এমন বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে একটি কথাও বলেনি; বলেনি যে, ‘আপনাদের এমন পক্ষপাত আচরণে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে’। তখন মনে হয়েছিল আওয়ামী লীগকে শায়েস্তা করাই যেন নিরপেক্ষতা প্রমাণের একমাত্র মাপকাঠি। এই নির্বাচন কমিশনও তাই মনে করলে ভুল হবে।
ভবিষ্যতের নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মনে আস্থা তৈরি করার জন্য অনিয়মের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কঠোর অবস্থান জরুরি ছিল। তবে নির্বাচন কমিশনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত স্বচ্ছ এবং ন্যায়ানুগরূপে জনগণের নিকট প্রতিভাত হতে হবে। কিন্তু গাইবান্ধার নির্বাচনে যে সিদ্ধান্ত কমিশন নিয়েছে তাতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনে করছে, নির্বাচন কমিশন নিজের উপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে গিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্ষমতার প্রয়োগ করেছে; অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো মনে করছে, এখানে সরকার এবং কমিশন যৌথভাবে ফাঁদ পেতে তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে প্রলুব্ধ করছে। অনেকের ধারণা নির্বাচন কমিশন নির্বাচন বাতিল করে দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ করেছে। নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা কেন নেয়নি সেই প্রশ্নও উঠছে। ইভিএম-এ ভোটগ্রহণের প্রধান দুর্বলতা হচ্ছে, ভোটারদের কন্ট্রোল ইউনিটে আঙুলের ছাপ দেওয়ার পরপরই তৃতীয় ব্যক্তি গোপন ভোটকক্ষে প্রবেশ করে ভোটারকে ভোটদানের সুযোগ না দিয়ে নিজেই ভোট দিয়ে দিতে পারে। সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে আমার স্ত্রীর ভোট আরেকজন দিয়ে দিয়েছিল এবং তা আমি আমার একটি কলামে উল্লেখ করেছিলাম। বর্তমান নির্বাচন কমিশন বহুদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সমাজের গণ্যমান্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেছেন। সেই আলাপ-আলোচনায় ইভিএম-এ ভোটগ্রহণের অন্যতম প্রধান ত্রুটি হিসেবে তৃতীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও নির্বাচন কমিশনের সবাই লব্ধ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ, তারা অতীতের সবগুলো নির্বাচনের প্রত্যক্ষদর্শী। নির্বাচন কমিশন তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে ব্যবস্থা না নিয়ে নির্বাচনী বুথকে তৃতীয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশের জন্য অরক্ষিত রাখল কেন? বাটন টিপে দেওয়ার জন্য ভোটকেন্দ্রে প্রভাবশালী প্রার্থীর লোক যাতে থাকার সুযোগ না পায় তার ব্যবস্থা তো নির্বাচন শুরুর আগেই করা উচিত ছিল।
নির্বাচন কমিশনের আচরণে মনে হয়েছে, নির্বাচন বাতিল করাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। সম্ভাব্য অনিয়মের প্রতিকার-প্রতিরোধের পদক্ষেপ না নিয়ে ৫১টি ভোটকেন্দ্রের অনিয়মের কারণে ১৪৫টি ভোটকেন্দ্রের নির্বাচন বাতিল করার ব্যাখ্যাও যুক্তিসঙ্গত মনে হয় হয়নি; কারণ বাকি ৯৪টি কেন্দ্রে কোন ধরনের অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়নি। নির্বাচনের শুরুতে কৌশলী হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে হয়ত যেত না। দু-একটি কেন্দ্রের নির্বাচন বাতিলের পর তা সঙ্গে সঙ্গে সব কেন্দ্রে প্রচারের ব্যবস্থা করা হলে অপরাধীরা সজাগ হয়ে যেত, তারা বুঝত যে, অপরাধ করে পার পাওয়া যাবে না। ভোটকেন্দ্রের বাইরে কোথাও কোন গণ্ডগোল পরিলক্ষিত হয়নি, তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দায়ী করা যাবে না। ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনায় থাকেন প্রিসাইডিং অফিসার; কোন প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসার তৃতীয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশ রোধে ভূমিকা নিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন বা গোপন কক্ষে অনধিকার প্রবেশ রুখতে পুলিশের সহায়তা চেয়ে পাননি এমন তথ্যও কেউ বলেননি, কোন কেন্দ্রে কাউকে গ্রেফতার বা আইনের আওতায় আনার সংবাদও নেই। বরং অনেকগুলো কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তাদের নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে মর্মে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসার নিয়োগ দেন নির্বাচন কমিশনের লোকজন, সরকার নয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট পদের কর্মকর্তাদের নামের তালিকা সংগ্রহপূর্বক সেই তালিকা থেকে নির্বাচন কমিশনের ইউনিট অফিস তাদের পছন্দমতো প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসার নিয়োগ দিয়ে থাকে। তাই প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসারের সকল কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে।
ভোটগ্রহণ বন্ধের পক্ষে নির্বাচন কমিশন যে কারণটি উল্লেখ করেছে তা হল, ভোটগ্রহণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া। বাংলাদেশে মোট ৩০০টি সংসদীয় আসন রয়েছে। একটি আসনের ১৪৫টি ভোটকেন্দ্র ঢাকায় বসে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হলেও ৩০০ আসনের হাজার হাজার ভোটকেন্দ্র এভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে না। তখন সিসিটিভি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোন কাজে আসবে না। তবে ভোটকেন্দ্রের কার্যক্রম রেকর্ডিং করা থাকলে পরবর্তীকালে অনিয়ম যাচাই করা সম্ভব হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে একটি জটিল সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ প্রায় ৩০০ আসনেই হবে, পরাজিত প্রার্থীগণ অভিযোগ করবেনই। তাই আগের মতো তাৎক্ষণিক ফলাফল ঘোষণা করা যাবে না, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিটি কেন্দ্র যাচাই করে ফলাফল ঘোষণা করতে হবে এবং তা করতে হবে নির্বাচন কমিশনকেই, কাউকে দায়িত্ব অর্পণ করে নয়। এই পদ্ধতি অবলম্বন করে ফলাফল ঘোষণা করতে হলে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় দীর্ঘ সময় ব্যয় করা হলে সবার মনে সংশয়-সন্দেহ জাগ্রত হতে পারে।
ইন্টারেস্টিং বিষয় হচ্ছে, নির্বাচন বাতিল নিয়ে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি দুই দলই বাহবা নিচ্ছে। বিএনপি মনে করছে, দলীয় সরকার থাকায় নির্বাচন কমিশন স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য-সহযোগিতা পায়নি, তাই তাদের দাবী অনুযায়ী নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার সুষ্ঠু এবং অবাধ নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য। গাইবান্ধার উপনির্বাচন বাতিল হওয়ায় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবীর পক্ষে বিএনপি’র অবস্থান সত্য প্রমাণিত হওয়ায় বিএনপি বেশ উৎফুল্ল। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ মনে করছে, এই উপনির্বাচন বাতিল হওয়ায় তাদের কথাই সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ মনে করে, নির্বাচনে সরকারের কোন ভূমিকা থাকে না, নির্বাচনকালীন নির্বাচন পরিচালনার সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী নির্বাচন কমিশন। সংবিধানপ্রদত্ত ক্ষমতাবলে নির্বাচনসংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নিতে পারে। সংবিধানের আইন মোতাবেক সরকার নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড সম্পাদনে নির্বাচন কমিশনকে তাদের চাহিদা অনুযায়ী সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানে বাধ্য। নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনকালীন সীমাহীন ক্ষমতা থাকায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার অপরিহার্য নয় বলে আওয়ামী লীগ মনে করে। বর্তমানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন গাইবান্ধার নির্বাচন বাতিল করতে সমর্থ হয়েছে। তাই আওয়ামী লীগ মনে করছে, তাদের বক্তব্য যে সঠিক তা এই উপনির্বাচন বাতিলের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়া গেলে স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বে অবহেলা সম্পর্কে জানা যাবে। আরও জানা যাবে, ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফেলা এবং রাউটার বন্ধ করার সময় দায়িত্বরত প্রিসাইডিং অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা। অনিয়ম বন্ধ করতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কয়েকজন প্রিসাইডিং অফিসারকে নির্বাচন চলাকালীন ফোনে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তা, গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সঙ্গেও কথা বলেছেন, কিন্তু তারপরও অনিয়ম থামেনি। এর দুটি ব্যাখ্যা করা যায়—এক, জনগণ নির্বাচনের অনিয়মের সাথে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে, অনিয়মকে নিয়ম হিসেবে গণ্য করছে; দুই, এমন অপরাধ করে কেউ কোন দিন শাস্তি ভোগ করেনি, তাই ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম করতে তাদের আইনভঙ্গের কোন ভয় থাকে না। এখন নির্বাচন কমিশনের কাজ হচ্ছে, ভোট পণ্ড করার পেছনে দায়ীদের চিহ্নিত করা, শাস্তির আওতায় আনা। এটা করতে না পারলে নির্বাচন বাতিলের কর্মকাণ্ড অর্থহীন হয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনকে মনে রাখতে হবে, ভোট বন্ধ করা তাদের মুখ্য কাজ নয়, তাদের কাজ হচ্ছে সময়মতো সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন সম্পন্ন করা। তাদের প্রস্তুতি আগেই নিতে হবে, প্রস্তুতি না নিয়ে নির্বাচনে নামলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের ভোট বাতিল করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে তাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণের পাশাপাশি সত্যের উপরও থাকতে হবে, প্রয়োজনে আরও বড় এবং কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তাই বলে বিনা কারণে আওয়ামীবিরোধী হয়ে নিজেকে শক্তিমান প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। তাদের মনে রাখতে হবে, সংবিধানপ্রদত্ত ক্ষমতা দৃশ্যমান করার সাথে সাথে ক্ষমতা প্রয়োগে ন্যায় এবং নিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।
সাবেক নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক।