উপসম্পাদকীয়, দৈনিক সংবাদ, ঢাকা, রবিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৯

তাবলিগ জামাতের বিভাজন

জিয়াউদ্দীন আহমেদ

বাহ্যত ক্ষমতার দ্বন্দ্বে সুন্নি মুসলমানদের বৃহত্তম সংগঠন তাবলিগ জামাত দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে তাবলিগ জামাতের মুসল্লিদের দু’পক্ষের মধ্যে গাজীপুরের টঙ্গী ইজতেমা ময়দান এলাকায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং দফায় দফায় সংঘর্ষে এ পর্যন্ত দুজন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। তাবলিগ জামাতের বর্তমান আমির ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভির একক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় এবং তার কয়েকটি মন্তব্যের কারণে মাওলানা জুবায়েরপন্থিদের সঙ্গে বিরোধ শুরু হয়। এ বিরোধের জের ধরে ইজতেমা মাঠে দু’পক্ষের মারামারি। মারামারির পরবর্তীতে দু’পক্ষের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে মনে হচ্ছে, ইজতেমার জন্য তাদের মাঠ ছেড়ে দিলে দু’পক্ষ মিলে ইজতেমার মাঠকে কারবালা বানিয়ে ছাড়বে। জুমার নামাজ আদায় করে প্রায় প্রতি শুক্রবার জামাতের একপক্ষ অন্যপক্ষের বিচার ও শাস্তির দাবিতে ঢাকায় বিক্ষোভ করছে। মারামারি, দোষারোপ, বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ছাড়াও দু’পক্ষ পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনও করছে। সংসদ নির্বাচনের পূর্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে নির্বাচন কমিশন ইজতেমার আয়োজন বন্ধ রাখতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়। ধর্মের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতবিরোধ নতুন কোন ব্যাপার নয়।

১৯২০ সালের দিকে তাবলিগ জামাতের শুরু; মাওলানা সাদের দাদা এ আন্দোলনের সূচনা করেন। প্রথমদিকে এ সংস্কারবাদী আন্দোলনের আমিরত্ব একজনের ওপর ন্যস্ত করা করা ছিল, পরবর্তীতে তা দেওয়া হয় একটি শূরা কমিটির ওপর। তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটির দুজন ইন্তেকাল করলে কমিটির অবশিষ্ট একমাত্র সদস্য মাওলানা সাদ কমিটি নতুন করে আর গঠন না করে জামাতের আমির হিসেবে একক দায়িত্ব নিয়ে নেন। কিন্তু মাওলানা জুবায়েরের ছেলেও আমির হওয়ার দাবি করে বসেন এবং তার সমর্থকরা আবার শূরা কমিটি গঠনের কথা বলতে থাকেন। কিন্তু সাদ একক নেতৃত্ব ছাড়তে সম্মত ছিলেন না বলে তাদের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। তাবলিগ জামাতের বৈশ্বিক প্রধান কেন্দ্র দিল্লির

নিজামুদ্দিন বাংলাওয়ালি মসজিদ সাদের সমর্থকরা দখল করে নেয় এবং এ দখল প্রক্রিয়ায়ও রক্ত ঝরেছে। এ বিরোধ আরও মারাত্মক ও ভয়াবহ রূপ ধারণ করে মাওলানা সাদের কিছু বক্তব্য নিয়ে।

মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াসের নাতি মাওলানা সাদ কান্ধলভি ইসলাম সম্পর্কে কিছু সংস্কারমূলক বক্তব্য রেখেছেন। তার একটি উপদেশ হচ্ছে—বিনিময় নিয়ে কোরআনে কারিম পড়া নোংরা নারীর বিনিময়ের মতো। নোংরা নারী তার আগে জান্নাতে যাবে। ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে অর্থ উপার্জনের ব্যাপারে সাদের মতের বিপক্ষের আলেমদের অভিমত হচ্ছে, মাদ্রাসাগুলোতে কোরআন শিক্ষা দিয়ে শিক্ষকতা করা ও বেতন নেয়া অন্যায় হতে পারে না। অন্যদিকে সাদের পক্ষের বক্তব্য হচ্ছে, কান্ধলভি তাবিজ, পানিপড়া দিয়ে টাকা কামানো, মিলাদ বা ওয়াজ করে টাকা নেয়ার বিপক্ষে কথা বলেছেন, মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে বেতন নেয়া নিয়ে নয়। মাদ্রাসার শিক্ষকদের প্রতি সাদ কান্ধলভির আরেকটি উপদেশ হচ্ছে—মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষকদের মাদ্রাসার ভেতরে নামাজ না পড়ে মসজিদে এসে নামাজ পড়া উচিত, যাতে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ে।

নবী মুসা (আ.) সম্পর্কে মাওলানা সাদের বক্তব্য হচ্ছে—

মুসা আলাইহিস সালাম নিজের জাতির মধ্যে দাওয়াতের কাজ ছেড়ে আল্লাহ তা’আলার সঙ্গে কথা বলার উদ্দেশ্যে নির্জনবাসে চলে গিয়েছিলেন; যার ফলে পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার বনি ইসরাইল গোমরাহ হয়ে যায়। তার আরেকটি উক্তি হচ্ছে—হযরত মুসা (আ.) কর্তৃক নিজের ভাই হারুনের জন্য আল্লাহর কাছে নবুয়ত চাওয়াও উচিত হয়নি। এ ব্যাপারে বিপক্ষের আলেমদের মত হচ্ছে—কিতাব আনতে তুর পর্বতে যাওয়া সঠিক ছিল এবং হযরত মুসা (আ.) তোতলা ছিলেন বলে দ্বীনের বয়ান বোঝানোর সুবিধার্থে তিনি তার ভাইকে তার সহকারী হিসেবে চাওয়ায় আল্লাহ তা মঞ্জুর করেছিলেন। সাদ বলেন, ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল পকেটে রেখে নামাজ পড়লে নামাজ হবে না। ক্যামেরাযুক্ত মোবাইল থেকে দেখে দেখে কোরআন শোনা ও পড়া হারাম। এতে কোরআনের অবমাননা হয়। এর কারণে কোনো সওয়াব হবে না। না বুঝে কোরআন পড়লে লাভ নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। আল্লাহর জিকির করে কিছুই অর্জন হয় না বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। তার আরেকটি মন্তব্য আলেমদের মধ্যে মারাত্মক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। তিনি মনে করেন, হেদায়েত যদি আল্লাহর হাতেই থেকে থাকে, তাহলে তিনি কেন নবীদের প্রেরণ করেছেন। বিরোধী আলেমদের মতে, হেদায়েতের দায়িত্ব একমাত্র আল্লাহর হাতে বলে সূরা বাকারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীর উপস্থিতিতে তাবলিগ জামাতের একাংশের এক সম্মেলনে সাদকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা হয়।

গত বছর মাওলানা সাদ ইজতেমায় যোগ দেওয়ার জন্য ভারত থেকে বাংলাদেশে এসে ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণ করলে বিমানবন্দরে সাদ বিরোধীদের বিক্ষোভ হয়েছে, তিনি অনেকক্ষণ বিমানবন্দরে অবরুদ্ধ ছিলেন। পরে পুলিশের সহায়তায় কাকরাইল মসজিদে অবস্থান করে ওখান থেকে সরাসরি আবার দিল্লিতে চলে যেতে বাধ্য হন, সংঘাত এড়াতে তাকে ইজতেমা মাঠে যেতে দেওয়া হয়নি।

ভারতে উদ্ভূত বিরোধ বাংলাদেশের তাবলিগের ক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হয়েছে। যে ১১ জন শূরা সদস্য বাংলাদেশে তাবলিগের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন তাদের মধ্যে কাকরাইল মসজিদের খতিব মুহাম্মাদ জুবায়েরের নেতৃত্বে পাঁচজন সাদের বিপক্ষে এবং বাকি ছয়জন আরেক প্রভাবশালী শূরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফ ইসলামের নেতৃত্বে সাদের পক্ষে অবস্থান নেন। এতে দু’পক্ষের আলেমদের মধ্যে শুধু বিরোধ আর বিক্ষোভ নয়, কাকরাইল মসজিদের দখল, পাল্টা দখল ও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। একপক্ষ মাওলানা সাদকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশের তাবলিগ জামাতের কোনো ব্যক্তিকে তাবলিগ জামাতের বৈশ্বিক কেন্দ্রস্থল দিল্লির নিজামুদ্দিন বাংলাওয়ালি মসজিদে পাঠানো হবে না বলে জানিয়েছেন।

ভারত, বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের তাবলিগ জামাতের আলেমদের বিরোধ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তাবলিগ মুসল্লিদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। এ দ্বন্দ্বের প্রভাবে মালয়েশিয়াসহ আমেরিকা এবং ইউরোপের দেশগুলোতে তাবলিগ জামাতের নেতৃত্বের বিভক্তি দেখা দিয়েছে। মাওলানা সাদকে বাংলাদেশে সাদ বিরোধীরা একদিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, অন্যদিকে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে তার আকিদার ভ্রান্তির কথা তুলে ধরে ফতোয়াও দেওয়া হয়েছে। মাওলানা সাদের বিপক্ষের হেফাজত আমির শাহ আহমদ শফী ঢাকায় আয়োজিত এক সম্মেলনে বলেছেন—নতুন মাযহাব যারা বানাচ্ছে তাদের কথা মানবেন না। এখন সালাফি, গায়রে মুকাল্লিদ কত রকমের ফেরকা বের হচ্ছে দিন দিন। এরকম তাবলিগের মধ্যেও একটা নতুন তাবলিগ হচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর মতো। কোন বেশ-কম নাই। জামায়াতে ইসলামীর এখন নামগন্ধও নাই।

পৃথিবীর এমন কোন ভূখণ্ড নেই, যেখানে এই তাবলিগ জামাতের লোক ইসলাম ধর্মের দাওয়াত নিয়ে যাননি। তাবলিগ জামাতের লোকজন অলি-গলি, হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট সর্বত্র যাকেই পান তার কাছে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দেন। তাদের ধৈর্য প্রশংসনীয়। সাধারণত মানুষকে আখিরাত, ইমান, আমল ইত্যাদির কথা বলে তিন দিন, সাত দিন ও চল্লিশ দিনের জন্য আল্লাহর রাস্তায় উদ্বুদ্ধ করাই তাবলিগ জামাতের মূল লক্ষ্য। পরিবারের সদস্যদের রেখে চল্লিশ দিনের জন্য চিল্লায় যাওয়া নিয়েও অতীতে অনেক মতভেদ লক্ষ্য করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হলে থাকাকালীন আমরা বন্ধুরা মিলে প্রায় প্রতি দিন বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ পাশে রাজনীতিবিদদের বক্তৃতা শুনতাম। যেদিন রাজনৈতিক সমাবেশ হতো না সেই দিন উক্ত জায়গায় দুজন বিজ্ঞ লোকের ওয়াজ শুনতাম। এক লোক চট গায়ে দিয়ে ধর্মের বয়ান দিতেন। অন্যজন একটি ছোট্ট পরিধির মধ্যে এপাশ-ওপাশ হেঁটে হেঁটে তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব আলোচনা করতেন। ডা. জাকির নায়েকের মতো বিভিন্ন ধর্ম থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে একটি বিষয়কে সুন্দরভাবে শ্রুতিগ্রাহ্য করে তিনি উপস্থাপন করতেন। ১৯৭৫ সালের দিকে তিনি বলেছিলেন, তাবলিগ জামাতিরা বিধর্মী বা অন্য ধর্মাবলম্বীকে ইসলামের দাওয়াত না দিয়ে মুসলমানকে কেন দাওয়াতের জন্য বেছে নিল তা পরিষ্কার নয়। মারামারির কারণে উদ্ভূত এই রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতি তাবলিগ জামাতের শান্ত ও নিরীহ ভাবমূর্তি নষ্ট করে দিয়েছে। দল বেঁধে তাবলিগ জামাতের সদস্যরা যখন দাওয়াতি কার্যক্রমে বের হন তখন জ্যেষ্ঠ-কনিষ্ঠ, জ্ঞানী-নির্বোধ ইত্যাদি নিয়ে কোন বিরোধ কখনও দেখিনি, এমনকি নেতৃত্ব নিয়েও কাউকে অতি আগ্রহী হতে দেখিনি। ধনী-গরিব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত বাছবিচারহীন হয়ে তাবলিগের জামাতিরা যখন

একই থালায় একই তরকারি দিয়ে বিশ হাত ডুবিয়ে খাবার খায় তখন কি কেউ ভাবতে পারে যে এরাও নেতৃত্বের জন্য মারামারি করতে পারেন? লাইন বেঁধে সুশৃঙ্খল হয়ে চলাফেরা করা, নিচু স্বরে ধীরে-সুস্থে কথা বলা, রাগ না করা, বিরক্তি প্রকাশ না করা ইত্যাদি হচ্ছে তাবলিগ জামাতিদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে জামাতিরা যেমন আমাদের যখন তখন বিরক্ত করত, আমরাও তেমনি তাদের রাগানোর চেষ্টা করতাম; কিন্তু সফল হইনি। আমাদের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক ছিল তাবলিগের শক্ত ঘাঁটি। আমার সহকর্মী তাবলিগ জামাতিদের নম্র-ভদ্র আচরণ করতে দেখেছি, কারও উপকার করতে পারলে তাবলিগ জামাতিরা খুশি হতেন। এমন মূল্যবোধের লোকগুলো হঠাৎ ক্ষেপে গিয়ে পিটিয়ে নিজের জামাতি ভাইদের মেরে ফেলা—একটু অস্বাভাবিক মনে হয়। ধর্মের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলেমদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা নতুন কিছু নয়। কয়েক বছর আগে সবুজ পাগড়ী পরা কিছু আলেমকে বায়তুল মোকাররম মসজিদে অন্য পীরের মুরিদদের সঙ্গে রক্তাক্ত সংঘর্ষে লিপ্ত হতে দেখেছিলাম। আমাদের ঈদগাহে আশপাশের গ্রামগুলোর লোকদের একত্রিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করার আনন্দটা নষ্ট করে দিয়েছিল কয়েকজন কমশিক্ষিত ধর্ম নামধারী ব্যক্তি। কে বউ তালাক দিল, কে নিয়মিত নামাজ পড়ে না, কার মেয়ে স্কুলে যায়, কার বউ বেগানা লোকদের সঙ্গে কথা বলেছে—এসব বিষয়গুলো ঈদের নামাজ শুরু হওয়ার আগে কিছু ব্যক্তি উত্থাপন করে সবার কাছে ধার্মিক ও ইসলাম রক্ষক হিসেবে বিবেচিত হওয়ার বাসনা করতেন আর গ্রামে গ্রামে বিভেদ সৃষ্টি করতেন। গ্রামের কমশিক্ষিত লোকদের মতো শিক্ষিত জ্ঞানী আলেমেরাও যদি এমন ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে প্রতিপক্ষকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন তাহলে আমরা সাধারণ মুসলমানেরা কোন মূল্যবোধে কাদের অনুসরণ করব? সৃষ্টিকর্তার প্রতি যাদের বিনা শর্তে আত্মসমর্পণের তাগিদ রয়েছে, যাদের আল্লাহ-ভীতি সন্দেহাতীত তারা যদি যুক্তি দিয়ে সমস্যার সমাধান না করে শক্তি দিয়ে নিজেদের কর্তৃত্ব ও সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার বাসনা করেন তাহলে তাদের দাওয়াতে সাধারণ মুসল্লিদের আগের মতো সাড়া দেওয়ার কোন কারণ থাকতে পারে না। মনে হচ্ছে, তাদের অনুসৃত নিয়ম, নীতিতে গলদ রয়েছে; তাই আমাদের মতো সাধারণ মুসলমানদের অদৃশ্য কালিমা মোচনের কসরত না করে তাদের নিজেদের আত্মোপলব্ধি এখন জরুরি।

[লেখক: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]

zeauddinahmed@gmail.com