উপসম্পাদকীয় (দৈনিক সংবাদ), ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
জসীম উদ্দিনের পদবি লাইব্রেরিয়ান, জিয়াউদ্দীন আহমেদ
জসিম উদ্দিন নামে চারজন আমার ফেসবুক বন্ধু। একজন আমাদের গ্রামের ছোট ভাই, সে এক সময় আমার ছাত্রও ছিল। দ্বিতীয় জন আমাদের পাশের গ্রামের, আমার সতীর্থ। এই জসীম বাংলাদেশ বেতারে চাকরি করত; আমার কয়েক বছর পূর্বে অবসরে গেছে। সে রবীন্দ্রসংগীত গাইতো। সে একজন মুক্তিযোদ্ধা, পাকিস্তানিদের বহু নৌযান ধ্বংসে তার কৃতিত্ব আছে। আরেক জসীমও আমার পাশের গ্রামের; সে একটি মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্বে আছে। আরেকজন জসীম কুষ্টিয়ার। আমার অবসর নেয়ার দুয়েক বছর আগে আমার ছেলে অর্ণব আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে দেয়। প্রথম প্রথম বন্ধু হওয়ার অনুরোধ পেলেই লুফে নিতাম; কুষ্টিয়ার জসীমও সম্ভবত তাদের মধ্যে একজন।
কুষ্টিয়ার জসীম তার নামের শেষে ‘লাইব্রেরিয়ান’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকে। আমাদের এলাকায় একজনের নাম ছিল, ‘আবদুল আজিজ বি এ’; আমি তাকে কখনো দেখিনি। তিনি সম্ভবত আমাদের এলাকায় প্রথম স্নাতক ডিগ্রিধারী ছিলেন। আমার বাবার নামের সাথে ‘মাস্টার’ শব্দটির সংযোগ হয়েছিল। তার প্রতিষ্ঠিত স্কুলে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা জনাব গোলাম কাদের আব্বার নামে ‘আবদুর রশীদ মাস্টার স্মৃতি পাঠাগার’ গড়ে তুলেছেন। আমার এক ভাই ড. জহির উদ্দিন আহমদের ক্লাসমেট গোলাম কাদের ভাইকে স্কুল ও কলেজে পড়িয়েছেন আমাদের পরিবারের তিনজন সদস্য—আমার আব্বা, আমার বড় ভাই মুহাম্মদ সাহাব উদ্দিন এবং মেজো ভাই মহিউদ্দিন আহমেদ। ১৯২৬ সনে আব্বা ফেনীর জিএমহাট-এ একটি মাইনর স্কুলের প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজের প্রতিষ্ঠিত স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন বহু বছর। তার সকল সন্তানের শিক্ষা সনদে পিতার নাম লিপিবদ্ধ আছে, ‘আবদুর রশীদ মাস্টার’। আমাদের বাড়ীর নাম ‘মাস্টার বাড়ি’। আমাদের বাড়ির যিনি পঞ্চাশ বছর পূর্বে প্রথম হজ করেন তার নিকটজনেরা ‘হাজি বাড়ি’ নামে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা নিয়ে ব্যর্থ হয়েছিল। আমার ভাই-বোনেরা কখনো নামের শেষে বংশের পরিচয় লিখি না; লিখি না বলে আমার চাচাতো ভাই ক্ষুব্ধ। তিনি তার নামের শেষে ‘ভুইয়া’ লিখে তৃপ্তি বোধ করেন।
লাইব্রেরিয়ান জসীম উদ্দিনের নাম প্রথম দেখি আমার ইমিডিয়েট বড় ভাই অধ্যাপক ড. মুনির উদ্দিন আহমেদের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে। তিনি জসীমের জীবনের দুঃখ-কষ্টের কিছু বর্ণনা দিয়ে তার লাইব্রেরি গড়ে তোলার নিরলস প্রচেষ্টার উল্লেখ করেন। মো. জসীমের লাইব্রেরির জন্য তিনি কিছু বইও দিয়েছিলেন। আর্থিক দীনতায় মো. জসীম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বেশি নিতে পারেননি; দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। কিন্তু ফেসবুকে তার লেখা মন্তব্য পড়ে মনে হয় না যে তার কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। অন্যের পূর্ণতা দিয়ে নিজের অপূর্ণতাকে সমুজ্জ্বল করতে অনেককে দেখা যায়। তাই তিনি নিজের সীমিত আয় দ্বারা এলাকায় একটি লাইব্রেরি গড়ে তুলেছেন। অদ্ভুত আইডিয়া। আজকাল কাউকে এমন একটি লাইব্রেরি গড়ার জন্য এগিয়ে আসতে দেখি না। এখন ভোট প্রার্থীরা মাদ্রাসা, মক্তব, মসজিদে দেদার দান করছেন; এই ভোট প্রার্থীদের কেউ লাইব্রেরি গড়ে তুলেছে—এমন সংবাদ শুনিনি। অবশ্য পড়া-লিখা, বই-পুস্তক এদের শত্রু; মানুষ শিক্ষিত হয়ে গেলে এদের বিপদ।
বিভিন্ন মিডিয়ায় জসীম উদ্দিন সম্পর্কে কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনগুলো ফেসবুকে পড়ে তার সম্পর্কে যা তথ্য পেয়েছি তাতে দেখা যায়, দশ বছর বয়সে তিনি পিতৃহারা হন। তার বাবা বসতভিটে ছাড়া আর কিছু রেখে যাননি। পাঁচ সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম জসিম। জসীম তার ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন, ‘অশিক্ষিত, পেশায় কাঠমিস্ত্রি (বই ভিখারি)। আগে কাজ করতাম ঢাকা, গাজীপুর, চিটাগাং, ভারত। এখন গ্রামে’। মাঝে মাঝে তিনি ফেসবুকে তার লাইব্রেরির ছবি দেন; ছবিতে দেখা যায় ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা তার লাইব্রেরিতে মনোযোগ দিয়ে বই পড়ছে, মাঝে মাঝে শ্রমজীবী গ্রামের মানুষদেরও তার লাইব্রেরিতে দেখা যায়। শিশু, কিশোর, যুবক, প্রবীণ সকল বয়সীরা তার লাইব্রেরিতে পড়তে আসে। তার লাইব্রেরির অধিকাংশ বই অনুদান হিসেবে প্রাপ্ত। বই সংগ্রহের জন্য তিনি মাঝে মাঝে ঢাকায়ও আসেন। বই দেবে বলে অনেকে তার সঙ্গে প্রতারণা করে থাকে। অনেক বই তিনি নিজেও কিনেছেন; দাম বেশি হলে কষ্টের কথা অকপটে আমাদের জানিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। জসীমের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণকালীন আমার ভাতিজা জিতু ফেসবুকে লিখেছে, ‘তার লাইব্রেরিতে থরে থরে বই সাজানো। আর হাত দিয়ে তিনি ঠুকে চলেন প্রগতির পথের রাস্তা। আমার চোখ অশ্রুসজল হয়ে যায়।’
আমার আব্বারও একটি বুকশেল্ফ ছিল। এমন বুকশেল্ফ আমাদের সব ভাই-বোনের ঘরে রয়েছে। আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি তখন প্রায় প্রতিদিন আমার মেজো ভাই মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সচিব, কলাম লেখক মহিউদ্দিন আহমেদের বাসায় যেতাম; তার বাসায় আমার মুখ্য কাজ ছিল তার বইগুলোর ধুলা পরিষ্কার করা। তার ধারণা, বইয়ের ধুলা পরিষ্কার করতে গিয়ে আমি অনেক বইয়ের নাম শিখে যাব এবং বই পড়ার প্রতি এভাবে আমার আগ্রহ জন্মাবে। আমার ছেলে অর্ণব এবার অস্ট্রেলিয়া থেকে আসার সময় আমার জন্য কয়েকটি দুর্লভ বই এনেছে। আমার মেয়ে ঐশীও প্রচুর বই পড়ে। বইয়ের প্রতি আমারও একটা নেশা আছে। পড়ি বা না পড়ি, বই সংগ্রহ করা আমার একটা নেশা। বন্ধু ইউনুস আমার এই নেশা সম্পর্কে জানে বলেই সে বই উপহার দেওয়ার কথা বলে তার অফিসে আমাকে যেতে প্রলুব্ধ করে থাকে।
আমি দুইটি স্কুলের পরিচালনা কমিটিতে এবং একটা স্কুলের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বহু বছর দায়িত্ব পালন করেছি। প্রতি বছর স্কুলের জন্য প্রচুর বই কিনে দেওয়া হয়েছে; কিন্তু বই বলতে ছাত্র-ছাত্রীরা বুঝে পাঠ্যবই। স্কুল শেষ হওয়ার পরমুহূর্ত থেকেই প্রাইভেট পড়া শুরু করতে হয়; অভিভাবকরা পাঠ্যবই বহির্ভূত অন্য যে কোন বই তাদের সন্তানদের হাতে দেখতে চায় না। তাই গল্পের বই পড়তে ছাত্র-ছাত্রীরা অভিভাবকদের ভয় পায়। এ ভয় আমাদের পরিবারেও দেখেছি; আমার বড় বোন টেমু পাঠ্যবইয়ের উপরে গল্পের বই রেখে অভিভাবকদের ফাঁকি দিত। এখনো অধিকাংশ অভিভাবকের দৃঢ় বিশ্বাস, উপন্যাস পড়লে তার সন্তান নষ্ট হয়ে যাবে, কারণ উপন্যাসে প্রেম কাহিনী আছে; অথচ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রায় দেড়শ বছর পূর্বে তার লেখা প্রেমের উপন্যাস তার বড় ভাইকে উৎসর্গ করেছিলেন।
ধন-সম্পদ দিয়ে কোন দিনই কোন জাতির সভ্যতা নির্ণিত হয়নি। তাই তো আলোকিত মানুষ গড়ার শপথ নিয়ে দেশব্যাপী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন জনগণনন্দিত আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার তার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মাধ্যমে। বরিশালের আরেকজন বইপাগল লোক ছিলেন; নাম আরজ আলী মাতুব্বর। তিনি তার ৮৬ বছরের জীবনকালে ৭০ বছরই লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করে কাটিয়েছেন। আরজ আলী মাতুব্বর বলেছিলেন, ‘বিদ্যাশিক্ষার ডিগ্রি আছে, কিন্তু জ্ঞানের কোন ডিগ্রি নেই’। জসীম উদ্দিনের মতো দ্বিতীয় শ্রেণি পাস অথচ স্বশিক্ষিত আরজ আলী মাতুব্বর তার সব সম্পদ দিয়ে গড়ে তুলেছেন ‘আরজ মঞ্জিল পাবলিক লাইব্রেরি’। মানুষের জ্ঞানের সভ্যতা ধ্বংস করার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রাচীন গ্রন্থাগারগুলো যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে সেই একই আক্রোশে ধর্মান্ধরা আরজ আলী মাতুব্বরের জীবিত অবস্থায় তার লাইব্রেরিতে আগুন লাগিয়েছে। পাঠ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া রাজশাহীর পলান সরকারের কথা আমরা সবাই জানি। টলস্টয় বলেছেন, ‘জীবনে মাত্র তিনটি জিনিসের প্রয়োজন—বই, বই, বই।’
আগের দিনের অনেক রাজা-বাদশাহ সাহিত্য-সংস্কৃতির শুধু পৃষ্ঠপোষকতা করেননি, গ্রন্থাগার সৃষ্টি করে সভ্যতার ক্রমবিকাশে সহায়তা করেছেন। খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দীতে স্থাপিত বর্তমান ইরাকের অ্যাসিরীয় সভ্যতার সম্রাট আসুরবানিপালের রাজকীয় গ্রন্থাগার সর্বপ্রাচীন বলে ধারণা করা হয়। এই লাইব্রেরিতে কোন বই ছিল না, ছিল প্রায় ত্রিশ হাজারের মতো কীলকবর্ণের শিলালিপি। এর অধিকাংশ শিলালিপি এখন লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে।
প্রাচীন কালে লাইব্রেরিতে কাগজে মুদ্রিত কোন বই থাকতো না; তখন
লিখা হতো বৃক্ষের পাতা, বাকল, পাথর, মাটির পাত্র, পশুর চামড়া প্রভৃতির উপর এবং এগুলো যে ঘরে সংগ্রহ করে মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে রাখা হতো সেই ঘরকে বলা হতো লাইব্রেরি। লাইব্রেরি সর্বপ্রথম গড়ে উঠে আলেকজান্দ্রিয়া বা বর্তমান মিশরে।
প্রাচীন গ্রন্থাগারগুলোর মধ্যে—আসুরবানিপালের গ্রন্থাগার, আলেকজান্দ্রিয়ার গ্রন্থাগার, পার্গামাম গ্রন্থাগার সুপরিচিত। শুধু লাইব্রেরির সুবিধার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অসংখ্য চিন্তাবিদ এবং গবেষকরা আলেকজান্দ্রিয়ায় এসে বসবাস করা শুরু করেছিলেন।
আলেকজান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার এক সময় পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের এক আশ্চর্য ছিল।
আলেকজান্দ্রিয়ার গ্রন্থাগারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে একই সময়ে খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে বর্তমান তুরস্কে পারগামামের গ্রন্থাগার গড়ে উঠেছিল।
স্পেনের কার্ডোভা লাইব্রেরিতে প্রায় চল্লিশ লাখ বইয়ের সংগ্রহ ছিল। ভারত উপমহাদেশের তক্ষশীলা ও নালন্দায় সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার গড়ে উঠেছিল। খলিফা হারুন-আল-রশীদের সময় বর্তমান ইরাকে গড়ে উঠেছিল ‘হাউজ অফ উইজডম’। গ্রন্থাগারটি বিশ্বের তৎকালীন বিখ্যাত চিন্তাবিদ, দার্শনিক, পণ্ডিতদের মিলনমেলা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল। মিশরের ‘বাইতুল হিকমা’ও অনুরূপ ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমানকালে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গ্রন্থাগার লাইব্রেরি অব কংগ্রেসে রয়েছে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ বই। লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়ামও পৃথিবীর বিখ্যাত লাইব্রেরিগুলোর মধ্যে অন্যতম।
সর্বকালেই গ্রন্থাগারগুলো ক্রোধান্ধ ধর্মীয় গুরু ও নৃপতিদের রোষানলে পড়েছে। আলেকজান্দ্রিয়ার প্রাচীনতম গ্রন্থাগারটিতে জুলিয়াস সিজার আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। ফরাসি দেশে হিটলারের আমলে নাৎসিরা অনেক গ্রন্থাগারের বই পুড়িয়ে দিয়েছিল। স্পেন দখল করে খ্রিস্টানরা মুসলমানদের গড়ে তোলা কার্ডোভা লাইব্রেরিকে যেভাবে ধ্বংস করেছিল তাতে গ্রন্থের ধ্বংসাবশেষের স্তূপে একটি নদীর স্রোত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ‘হাউজ অফ উইজডম’ গ্রন্থাগারটি ধ্বংস করতে গিয়ে মঙ্গোলদের নিক্ষিপ্ত বইয়ের কালিতে টাইগ্রিস নদীর পানি কালো হয়ে গিয়েছিল। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এত বড় জ্ঞানপীঠকে সমূলে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল একবার নয়, তিন তিন বার।
মাটির ফলক, গাছের পাতা ও বাকল, প্যাপিরাস বা তালপাতায় হাতে লেখা পুস্তক, শিলায় খোদাই করা গ্রন্থ এবং যন্ত্রে মুদ্রিত কাগজের বই পেরিয়ে এখন আমরা ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছি। ইন্টারনেটের বদৌলতে আমরা এখন পৃথিবীর অধিকাংশ বই ঘরে বসে অতি সহজে পাঠ করতে পারি। পেপারলেস তথ্য প্রাপ্তি ও সংরক্ষণের এই পদ্ধতি লাইব্রেরির গুরুত্ব কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে। তবুও মানুষ লাইব্রেরি গড়ে তোলে, লাইব্রেরি মানুষের মিলনকেন্দ্রও। আরজ আলী মাতুব্বর, পলান সরকার, জসীম উদ্দিনেরা নির্বাচনে প্রার্থী হয় না বলেই তাদের পক্ষে লাইব্রেরি করা সম্ভব হয়েছে, প্রার্থী হলে পরকালের ভাবনায় ইহকালে জ্ঞান বিতরণের লাইব্রেরিতে আগুন লাগাতো।
[লেখক: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]
zeauddinahmed@gmail.com