দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত আমার আজকের (রবিবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৮) কলাম।
উপসম্পাদকীয়
প্রবহমান সংস্কৃতি, দ্বিতীয় পর্ব
সংস্কৃতি, মূল্যবোধ নিয়ে নতুন আর পুরাতন লোকদের মধ্যে বিরোধ আছে। আধুনিক জ্ঞানগরিমায় নির্ণিত বৈজ্ঞানিক সত্যের সঙ্গেও অনেক বিশ্বাসের সংঘর্ষ অহরহ হচ্ছে। বিশ্বাসের জোর বৈজ্ঞানিক সত্যের চেয়েও বেশি। অনুভূতিতে আঘাত লাগা নিরোধক আইনের ভয়ে বিশ্বাসজাত সংস্কারের বিপক্ষে সবাই ভীতসন্ত্রস্ত। তাই বিশ্বাস নিয়ে আইনের ছত্রছায়ায় যত দ্রুত এগুনো সম্ভব, বিকশিত অনুভব-উপলব্ধি দিয়ে পরিশীলিত জীবন গড়ার প্রয়াসে বাধা-বিপত্তি পার হয়ে এগিয়ে যাওয়া তত সহজ নয়।
অভাব বা সচ্ছলতা একজন মানুষের জীবনধারণের রীতিনীতি ও আচার-আচরণে প্রভূত প্রভাব বিস্তার করে থাকে। গ্রামের লোকেরা এক সময় ক্ষয় হয়ে যাওয়ার ভয়ে জুতা হাতে নিয়ে কুটুম বাড়িতে রওনা দিত, কুটুম বাড়ির পুকুর ঘাটে পা ধুয়ে কাচারি ঘরে ঢুকার পূর্ব মুহূর্তে হাতের জুতা পায়ে পরতো, জামার কলারের নিচে রুমাল রাখতো যাতে ঘামে কলার নষ্ট না হয়; দীর্ঘদিন অক্ষত রাখার অভিপ্রায়ে কৃষকেরা লুঙ্গির ওপর পায়জামা পরতো—কুটুম্বের বাড়ি থেকে বেরিয়েই পায়জামা ভাঁজ করে যত্নসহকারে বগলের নিচে রেখে দিত। শ্বশুরবাড়ি থেকে পাওয়া বরের কাছে এক ব্যান্ডের রেডিওটি প্রদর্শনী ও গর্বের বস্তু হয়ে দাঁড়াত। এক সময় ঢিলা, আরেক সময় স্কিন টাইট প্যান্ট আমরাও পরেছি। খড়ম পায়ে হেঁটে গিয়ে দূরবর্তী স্থানে সমবেত হয়ে গ্রামের কৃষকেরা পুঁথি পাঠের আসর জমাতো। এগুলো এক সময় আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতির অংশ ছিল। এগুলো অবিকল পরবর্তী প্রজন্মে প্রবাহিত হয়নি; শিশু, কিশোর বয়সে দেখা এসব চালচলনের আমূল পরিবর্তন আমাদের ছোট্ট জীবনেই দেখেছি। আমার সন্তানেরা এগুলো দেখেনি, বললেও তাদের পছন্দ হয় না।
আকবরের সময়কাল থেকে পহেলা বৈশাখ উদযাপন শুরু হলেও উৎসবের ধরনে পরিবর্তন এসেছে ব্যাপকভাবে। পরিবর্তন হচ্ছে বলেই তো আমরা বহু বিবর্তনের পর এখন পোশাক পরি; শুধু পরি না, দিনদিন পোশাকে বৈচিত্র্যও আনা হয়েছে। বর্তমান পোশাক-পরিচ্ছদের কোনটাই আমাদের নিজস্ব নয়। যদিও এখন কয়েকটি গোষ্ঠী প্রকৃতিতে ফেরত যাওয়ার বাসনায় নগ্ন জীবনযাপনে অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করছে। পশ্চিমা সংস্কৃতি বলে এখন ইরানিরা টাই পরে না; এক সময় পরতো, আমরা এখনও পরি। আমার আব্বাকেও ধুতি পরতে দেখেছি। এখন আমরা পরি না। শতরঞ্জি বিছিয়ে কলাপাতায় মেজবান খাওয়া, একটি বিশেষ পাত্রে গলা থেকে জোর করে কফ বের করে এনে হাত-মুখ ধোয়ার পদ্ধতি এখনও কোথাও কোথাও দেখা গেলেও অধিকাংশ বাঙালি তা ত্যাগ করেছে। এ সংস্কৃতিকে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে রেখে দেওয়া কোনভাবেই ঠিক হবে না।
ফসলি সন সম্রাট আকবর প্রবর্তন করেছেন সকালে বটতলায় গান গাওয়ার জন্য নয়; কিন্তু গত শতাব্দীতে চালু করা ছায়ানটের গানের মজলিশ এখন বাঙালি সংস্কৃতির অঙ্গীভূত হয়ে গেছে। সম্রাট আকবরের প্রবর্তিত বাংলা সনও বাঙালির হওয়ার কথা নয়। আকবর তো বাঙালি ছিলেন না। শুধু তাই নয়, বার ভূঁইয়ারও কেউ বাঙালি ছিলেন না; অথচ লাখ লাখ লোক বংশগত পদবী ‘ভূইয়া’ লিখে বনেদী হয়ে গেছি।
আমরা তো হিন্দু থেকেই মুসলমান হয়েছি, তাই কিছু সংস্কৃতি পূর্বপুরুষ থেকে অনুসৃত হচ্ছে। টিভিতে দেখলাম, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিন্দুদের মতো হাত জোড় করে আরেক দেশের প্রেসিডেন্টকে অভিবাদন জানাচ্ছেন। সংস্কৃতির কিছু মালমসলা হিন্দু সংস্কৃতি বা ভারতবর্ষের আবহমানকালের সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা। হিন্দুদের মধ্যে জাতিভেদ প্রথা মারাত্মক ছিল বলেই তো দলে দলে মুসলমান হলো; শ্রীচৈতন্যের আবির্ভাবের পর জাতিভেদ হ্রাস পাওয়ায় হিন্দুরা আর দলে দলে মুসলমান হয়নি। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত ভাষার চল্লিশ ভাগ শব্দ রয়েছে। পৃথিবীতে জাত মহাকাব্য চারটির মধ্যে দুটিই হিন্দুদের আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে লেখা। বিধবা বিবাহ প্রবর্তনে বিদ্যাসাগর বা সহমরণ রোধে রাজা রামমোহনকে সংগ্রাম করতে হয়েছে দীর্ঘদিন। সংস্কারে আবদ্ধ থাকলে সংস্কৃতি ঢোকার দরজা-জানালা খুঁজে পেতে দেরি হয়। পছন্দের সংস্কৃতি অন্যের ওপর জোর করে চাপানো যায় না। চাপানো গেলে আরবেরা এখনও উলুধ্বনি দিতো না। আবহাওয়ার উপযোগী নয় বলে প্রবাসী বাঙালি অনেকের চেষ্টা থাকা সত্ত্বেও আরবদের আলখাল্লা বাঙালিদের মধ্যে চালু করা যায়নি। এক সময় ‘ধন্যবাদ’ না বলে ‘মোবারকবাদ’ বলার চেষ্টা নেয়া হয়েছিল; কিন্তু অধিকাংশ লোক এখন ধন্যবাদই বলেন। এখন অনেকে ‘জুম্মাবার’ নামে শুক্রবারকে অভিহিত করছেন, চালু হয়েও যেতে পারে।
পরিবর্তন হবে, কতটুকু গ্রহণ করব, কতটুকু বর্জন করব তা ব্যক্তি মানসিকতার ওপর নির্ভর করবে। পরিবর্তনটা গ্রহণ করতে পারছি না বলেই তো বর্তমান বিশ্বে কোন আবিষ্কারে আমাদের অবদান নেই; সকালে টুথপেস্ট থেকে শুরু করে ঘুমানো পর্যন্ত, এমনকি ঘুমের মধ্যে আরামের জন্য বিদ্যুৎ, ফ্যান, এয়ারকুলার কোনটার আবিষ্কারে আমাদের কোন অবদান নেই। অথচ অন্য সংস্কৃতির লোকদের আবিষ্কৃত পণ্য পয়সা দিয়ে কিনে আমরা ব্যবহার করছি। মুসলিম দেশ দুবাই পরিবর্তন লুফে নিচ্ছে; তারা বুঝতে পারছে, মাটির নিচের তেল একদিন শেষ হবে। পর্যটকদের আকর্ষণের জন্য এমন কোন পরিবর্তন নেই যা তারা গ্রহণ করছে না। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মালয়েশিয়া থাইল্যান্ডের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে কুয়ালালামপুরের গলিতে গলিতে মাসাজ পার্লার গড়ে তুলেছে, ওখানে অ্যালকোহল বিক্রি করতে লাইসেন্স লাগে বলে মনে হয় না, প্রায় প্রতিটি দোকানে অ্যালকোহল পাওয়া যায়। অন্যদিকে সৌদি আরবে সম্প্রতি মেয়েদের গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে। অথচ আমরা মেয়েদের গাড়ি চালাতে দিচ্ছি। শুক্রবারে খোলা মাঠে কল্লা কাটার দৃশ্যে হাতে তালি না দিলে সৌদি আরবে মুসল্লিদের বিপদ; কিন্তু শুধু এক যুবরাজের আগমনে দীর্ঘদিনের লালিত সংস্কৃতি ঝেড়ে ফেলে সৌদিরা মুক্তির আনন্দে নতুন জীবনধারা আস্বাদন করছে।
মাওলানা আবদুর রাজ্জাক সাহেবের ওয়াজ শুনি মাঝে মাঝে। তার মতে, পহেলা বৈশাখ হারাম, নাচ হারাম, গান হারাম, বাজনা হারাম, এমনকি খেলাধুলাও হারাম। তিনি কিন্তু গায়ের জোরে কথাগুলো বলছেন না। কিন্তু আমরা কি তা মানছি? তার কথামতো নিষিদ্ধ সত্ত্বেও এগুলো আমরা অনেকে করে যাচ্ছি। আমাদের ছোট বয়সে রেডিও শোনা নিষেধ ছিল; টেলিভিশন ছিল শয়তানের বাক্স। এত নিষেধ থাকা সত্ত্বেও কেউ তো এগুলো বন্ধ করেছে বলে মনে হয় না; এগুলো আস্তে আস্তে সংস্কৃতির অঙ্গ হয়ে গেছে। অনেকে বলেন, রেডিও আর টেলিভিশন বাক্সের কোন অপরাধ নেই, অপরাধ নাচ-গানের। ইসলাম ধর্মে আছে, ছবি নাকি তোলা যাবে না। ছবি তুলে পাসপোর্ট করতে হয় বলে একজন নামকরা পীর নাকি জীবনে হজ করতে যাননি। ধর্মমতে কোন প্রাণীর ছবিও আঁকা নাকি যাবে না। অনেকে ছবি তোলে, প্রাণীর ছবি আঁকে। তবে তারা সেজদার সম্মুখে কোন প্রাণীর ছবি রাখে না, ক্যালেন্ডারে প্রাণীর ছবি থাকলে তা নামাজের সময় উল্টিয়ে রাখেন। অনেকে লতাপাতার ছবি রাখতে অস্বস্তি বোধ করেন না। তাদের ধারণা লতাপাতায় প্রাণ নেই। বাঙালি বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু গাছের প্রাণ আবিষ্কার করে আমাদের বহুদিনের ধারণা ওলটপালট করে দিয়েছেন। তাই আজকাল ক্যালেন্ডারে লতাপাতার ছবিতেও অনেকের আপত্তি দেখা যায়। এই একই কারণে হয়তো প্রাণীর প্রতিকৃতি নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রাকে গ্রহণ করা অনেকের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না; এ শোভাযাত্রাতে হিন্দুয়ানীর গন্ধ খুঁজে পান না তারা।
কুঁচি করে শাড়ি পরার সংস্কৃতি এসেছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবার থেকে; এখন তো সব শিক্ষিত-অশিক্ষিত প্রায় সব মহিলারা কুঁচি করে কাপড় পরে, হিন্দুর উদ্ভাবন বলে তো বাদ দিচ্ছে না। এটিএন বাংলা, ইউকে-এর একটি ভিডিও ক্লিপ আমার লন্ডন প্রবাসী ভাগ্নি ডোরিনা লাইজু শিখা পাঠিয়েছে। ঐ ভিডিও ক্লিপ থেকে জানলাম, দ্বাদশ শতাব্দীর পূর্বে ইউরোপের লোকেরা অপরিচ্ছন্ন জীবনযাপন করত; বিশেষ করে অন্তর্বাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ক্ষেত্রে ইউরোপের লোকজন কোনভাবেই যত্নবান ছিল না। স্বাস্থ্যের ক্ষতি হবে এ ধারণায় তারা নিয়মিত গোসলও করত না। গোসল করা, গায়ে সাবান মাখা, অন্তর্বাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়টি ইউরোপীয়রা শিখেছে স্পেনের মুসলমানদের কাছ থেকে। ভালো এ আচরণগুলো শিখতে গিয়ে তারা বিজাতীয় বা ভিন্ন ধর্মীয় বলে নাকচ করেনি বলে তাড়াতাড়ি সভ্য হতে পেরেছে। আগের দিনে হিন্দু বধূদেরও গোসলের ক্ষেত্রে পাল্কিসহ পুকুরে ডুবিয়ে আনতো; সেই পরিবেশে আইসিএস জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরই প্রথম স্ত্রীকে মশারির বাইরে এনে ঘোড়ার পিঠে চড়ালেন। হিন্দুদের পর্দাপ্রথাও ভাঙা সম্ভব হয়েছে রবীন্দ্রনাথের মতো বিখ্যাত পরিবার তা চালু করেছিল বলে। আমাদের শৈশব, কিশোর বয়সে মা, চাচীদের কুটুম্ব বাড়িতে নিয়ে গেছি সাঁঝ রাতে, আর ফেরত এসেছি হ্যারিকেন হাতে নিয়ে ভোর রাতে। প্রবীণ বয়সে মা, চাচীরা বোরকা পরলেও ইদানীংকালের মতো হিজাব পরার প্রচলন ছিল না। কতগুলো মুসলিম দেশের মেয়েরা হিজাব পরলেও তাদের পরিধানের অন্য পোশাকগুলো পশ্চিমাদের মতো। এক সময় আমাদের দেশে পালকি, গরুর গাড়ি, রিকশায় আলাদা কাপড়ে ঘেরা দিয়ে মহিলাদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা হতো; এখন তা দেখি না। এ পরিবর্তন গ্রহণ না করে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা কিন্তু আমরা করছি না।
সংস্কারে আবদ্ধ মানুষ আর সংস্কৃতি দ্বারা পরিশীলিত মানুষের দেখার দৃষ্টিভঙ্গিও একটি ফ্যাক্টর। মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ও পলাতক একজন মাওলানার প্রশ্নোত্তর শুনতাম টেলিভিশন চ্যানেলে। পাশ্চাত্য থেকে একজন তাকে প্রশ্ন করলেন, ‘হুজুর, আমি একজন মুসলমান; এখানে স্বল্পবসনা নারীদের বিভিন্ন অঙ্গের ওপর আমার শুধু নজর যায় না, ছেলেমেয়েদের মধ্যে বেহায়াপনা দেখলে শারীরিক এবং মানসিক কোন পবিত্রতাই আর থাকে না’। হুজুরের জবাব ছিল, ‘ভাই, আপনি ঐদেশে কেন গেলেন? আপনি কি জানেন না, ঐদেশগুলোর কালচার এমন। টাকা রোজগার যদি মুখ্য হয় তাহলে তাদের কালচার নিয়ে এত মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয়ত, ওরা তো কারো অঙ্গের দিকে তাকিয়ে থাকে না, আপনার চোখ বারবার এদিকে যায় কেন?’
আগেও বলেছি, সংস্কৃতি হচ্ছে, আচার-আচরণ, কথা-বার্তা, চাল-চলন, পোশাক-পরিচ্ছদ মিলিয়ে জীবনাচার। স্থানভেদে, ব্যক্তিভেদে, সময় বিবেচনায় সংস্কৃতি লালন-পালনে ভিন্নতর হবেই। আমার ২০ বছর আগেকার জীবনাচার থেকে সাম্প্রতিককালের জীবনাচারে ভিন্নতা রয়েছে। তুরস্কে মুসলমানদের যে খেলাফত রক্ষার জন্য ভারতবর্ষের লোকও প্রাণ দিয়েছে সেই খেলাফতের শাসনকাল দেখলাম টেলিভিশনে প্রচারিত সিরিয়াল ‘সুলতান সোলেমান’-এ। সুলতানের পত্নী-উপপত্নী সমারোহ ছাড়াও অন্দর-বাইরে সর্বত্র দেখলাম শুধু ষড়যন্ত্র। মুঘলদের হেরেমের কথা আমরা সবাই জানি। এই রীতিনীতি পৃথিবীর সব দেশে সব সমাজে ছিল, এখনও আছে। সামরিক শাসক আইয়ুব খান বহুবিবাহে প্রতিবন্ধকতা এনে কীভাবে এক্ষেত্রে সংস্কৃতিবান হয়ে গেলেন তা বিস্মিত করে। উচ্চশব্দে গাওয়া ব্যান্ড সংগীত আমার পছন্দ না হলেও আমাদের দেশের কম বয়সীরা তা গ্রহণ করছে। সমাজ ও সংস্কৃতির এসব পরিবর্তন অনুধাবন করতে দূরদর্শী ও সাহসী মানুষ লাগে। বেগম রোকেয়া পরিবর্তন আগাম গ্রহণ করতে পেরেছিলেন বলেই তিনি আমাদের নমস্য।
[লেখক: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]
zeauddinahmed@gmail.com