দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত আমার আজকের (রবিবার, ২৫ মার্চ ২০১৮) কলাম:

ভারতে কট্টরপন্থীদের জয়জয়কার

জিয়াউদ্দীন আহমেদ

ভারতে উগ্র জাতীয়তাবাদীদের উত্থান কত দ্রুতগতিতে হচ্ছে তা ত্রিপুরার নির্বাচনী ফলাফল থেকে সহজেই অনুমেয়। ত্রিপুরার বিধানসভায় আসন সংখ্যা ৬০। এর আগের নির্বাচনে বিজেপি একটি আসনও পায়নি, এবার পেয়েছে ৪৩টি। সিপিআইএম বিগত নির্বাচনে আসন পেয়েছিল ৫০টি, এবার মাত্র ১৬টি।

ভারতের ত্রিপুরা, মেঘালয় ও নাগাল্যান্ড রাজ্যের বিধানসভার অতি সাম্প্রতিক নির্বাচনে কট্টর হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির জয় হয়েছে। এর ফলে ত্রিপুরা রাজ্যের সিপিআইএমের বাম রাজনীতির ২৫ বছরের শাসনের অবসান হলো। নাগাল্যান্ডেও বিজেপির নেতৃত্বে গঠিত জোট সরকার গঠন করেছে; এই রাজ্যে কংগ্রেস জিতেছে শুধু একটি আসনে। অপরদিকে মেঘালয় রাজ্যে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস বেশি আসন পেলেও তাদের বহুদিনের শক্ত অবস্থান নড়বড় হয়ে গেছে; সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন তারা পায়নি।

বাংলা ভাষাভাষী ত্রিপুরার মানুষের জীবনাচার বাংলাদেশের মতো। ত্রিপুরার জনসংখ্যা ৩৬.৭১ লক্ষের মধ্যে হিন্দু ৮৫.৬%, মুসলমান ৮.০%, খ্রিস্টান ৩.২%, বৌদ্ধ ৩.১%। ভারতের মুদ্রার নাম ‘রুপি’ হলেও ত্রিপুরার লোকেরা রুপিকে বাংলাদেশের মতো 'টাকা' বলে। সেভেন সিস্টার্স বা ভারতের সাত রাজ্যের মধ্যে এই রাজ্যটি তুলনামূলকভাবে ছোট; এর আয়তন মাত্র ১০ হাজার ৪৯১ বর্গকিলোমিটার। রাজ্যের প্রায় ৬০ শতাংশ ভূখণ্ডই পার্বত্য অঞ্চল। ২৫ বছরের বাম রাজনীতির শাসনে টানা ২০ বছর ধরে ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মানিক লাল সরকার। অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে, এই লোকটির এত বছরেও বসবাসের জন্য নিজের একটি ঘর হয়নি। ভারতের দরিদ্র এই মুখ্যমন্ত্রী সরকারের বাংলো ছেড়ে দিয়ে বউকে নিয়ে পার্টি অফিসের একটি ছোট্ট অতিথি কক্ষে আশ্রয় নিয়েছেন। তার কোন ব্যক্তিগত গাড়িও নেই। পার্টির সভাপতি হিসেবে দল থেকে যে ভাতা দেওয়া হবে তা দিয়ে সংসার নির্বাহ করবেন বলে জানিয়েছেন। ক্ষমতায় থাকাকালীন তার স্ত্রী পাঞ্চালি কখনো সরকারের গাড়ি ব্যবহার করেননি, রিকশায় যাতায়াত করেছেন। ত্রিপুরায় বাম রাজনীতির এত ত্যাগ-তিতিক্ষা থাকা সত্ত্বেও কট্টর হিন্দুত্ববাদের প্রতি জনগণের আকর্ষণ বাড়ায় এই পরাজয় হয়েছে বলে ধারণা হয়।

বাংলাদেশের মতো নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে হয়েছে। ত্রিপুরার বিলোনিয়ার কলেজ স্কয়ারে থাকা লেনিনের মূর্তিটি গেরুয়া গেঞ্জি পরিহিত বিজেপি-সমর্থিত যুবকেরা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলেছে। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর সেখানে এভাবে লেনিনের মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছিল। সাম্প্রতিককালে রাশিয়ার পুতিন সরকার ইউক্রেনের ক্রিমিয়া দখল করে নিলে গোটা দেশব্যাপী কয়েকটি কট্টর ডানপন্থি দল ইউক্রেনে থাকা প্রায় ছয়শটি লেনিন মূর্তি ধ্বংস করে দেয়। ইরাকে বাগদাদ সরকারের পতনের পর সাদ্দাম হোসেনের মূর্তিও এভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছিলো। শুধু মূর্তি ভাঙা নয়, বিজেপির সমর্থকেরা ক্ষমতা হারানো সিপিআইএম-এর পার্টি অফিস ও দলের নেতা-কর্মীদের বাড়ি-ঘরে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে; ১৪৪ ধারা জারি করেও সহিংসতা থামানো যায়নি।

ভারতে সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশসহ বহু রাজ্যে ধর্মনিরপেক্ষ, অসাম্প্রদায়িক এবং সমাজতান্ত্রিক ভাবধারার পরাজয় হয়েছে অনেক আগে; তার জায়গায় স্থান নিয়েছে গেরুয়া পোশাকের হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি। যে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি ২০১২ সনের লোকসভা নির্বাচনে পেয়েছিল শুধু ৪৭টি আসন সেই দল ২০১৭ সনের নির্বাচনে ৩১২টি আসন নিয়ে কেন্দ্রে সরকার গঠন করেছে। ভারতের ২৯টি রাজ্যের মধ্যে ২৩টি রাজ্যেই বিজেপি সরকার অথবা বিজেপির নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন সরকার রয়েছে। এই বিস্তৃতি সারা ভারতে আস্তে আস্তে ছড়িয়ে গেলে সংবিধানে লিপিবদ্ধ ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ একদিন অর্থহীন হয়ে দাঁড়াবে। সমাজতন্ত্রের অবসানে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলেও সমাজতান্ত্রিক ভাবধারায় লালিত রাজনৈতিক দল সিপিআইএম ভারতবর্ষের কয়েকটি রাজ্য শাসন করছিল। মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জীবিত অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গ সমাজতন্ত্রীদের হাতছাড়া হয়ে যায়। কেরালায় এখনো সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসীরা ক্ষমতায়। আগামী নির্বাচনে টিকে থাকতে পারবে বলে মনে হয় না। সাম্প্রতিক নির্বাচনে ত্রিপুরার বামদলও হেরে গেল। অবশ্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় হারজিত থাকবেই; কিন্তু ধর্মীয় উন্মাদনায় উগ্র জাতীয়তাবাদের যেভাবে উদ্ভব হচ্ছে তাতে সুস্থ ভাবধারার রাজনীতি নিয়ে চিন্তা হয়। কারণ বিজয়ী অহঙ্কারী বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্ব শর্মা নির্বাচনে ত্রিপুরার পরাজিত মুখ্যমন্ত্রী মানিক লাল সরকারকে বাংলাদেশে এসে ঠাঁই নিতে পরামর্শ দিয়েছেন।

ভারতে উগ্র জাতীয়তাবাদীদের উত্থান কত দ্রুতগতিতে হচ্ছে তা ত্রিপুরার নির্বাচনী ফলাফল থেকে সহজেই অনুমেয়। ত্রিপুরার বিধানসভায় আসন সংখ্যা ৬০। এর আগের নির্বাচনে বিজেপি একটি আসনও পায়নি, এবার পেয়েছে ৪৩টি। সিপিআইএম বিগত নির্বাচনে আসন পেয়েছিল ৫০টি, এবার মাত্র ১৬টি। ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনে সব আসনে কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ৪১ হাজার ভোট যা প্রদত্ত ভোটের ১ দশমিক ৮ শতাংশ। অপরদিকে মাত্র ০.৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে তৃণমূল। ১৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৃণমূলের মোট ভোট মাত্র ৬৯৮৯। উক্ত ১৬ জনের মধ্যে যিনি সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন তার ভোট হচ্ছে ৪৩৫। নির্বাচনের এই ফলাফল থেকে মনে হয়, মৌলবাদ ও হিন্দুত্ববাদবিরোধী লোকসংখ্যা ভারতে দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। অসাম্প্রদায়িক দল কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ধর্মনিরপেক্ষ লোকগুলো রাতারাতি বিজেপি'তে যোগ দিচ্ছে। অথচ ত্রিপুরায় ২০১৮ সনের পূর্বে হিন্দুত্ববাদী বিজেপির কোনো প্রার্থী কখনো জেতেনি। ২০০৮ সনের নির্বাচনে বিজেপির সব প্রার্থীরা পান ২৮ হাজার ভোট যা প্রদত্ত ভোটের ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ; ২০১৩ সনের নির্বাচনে পায় ৩৩ হাজার ৮০৮ ভোট যা প্রদত্ত ভোটের ১ দশমিক ৫ শতাংশ। কিন্তু ২০১৮ সালের নির্বাচনে তারা পেল ১০ লাখ ভোট যা প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৪৩ শতাংশ।

ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান সম্প্রতি আসামে বাঙালি অনুপ্রবেশের অভিযোগ এনেছেন। বহু বছর পূর্বে সৃষ্ট আসামের ‘বাঙ্গাল খেদাও’ আন্দোলন ইতোমধ্যে ভারতের সেভেন সিস্টারস নামে খ্যাত সাতটি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। বিজেপি প্রতিটি নির্বাচনী প্রচারণায় বাঙালিদের বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়; তাদের দাবি ভারতে ২ কোটি অবৈধ বাংলাদেশি রয়েছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিদেশি অনুপ্রবেশের আওয়াজ তুলে বিজেপি জনপ্রিয়তা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এই ইস্যুটি ব্যবহৃত হয়েছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যে। নির্বাচনে জেতার এই কৌশল শুধু জনমত সৃষ্টি করছে না, বাঙালিদের প্রতি ঘৃণার উন্মেষও ঘটাচ্ছে, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বাড়াচ্ছে, বাঙালি-অবাঙালির মধ্যে রেষারেষি ও বিদ্বেষমূলক মনোভাব স্থায়ী রূপ ধারণ করছে। রোহিঙ্গাদের বহিরাগত বানানোর জন্য মায়ানমার সরকার যেভাবে রোহিঙ্গাদের বাদ দিয়ে নাগরিকদের তালিকা তৈরি করছে, বিজেপিও সেভেন সিস্টার্সে একই কাজ করছে।

বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ভারতের ৯৫ শতাংশ এলাকা সঙ্ঘ পরিবারের ছায়াতলে চলে এসেছে বলে দাবি করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের অন্যতম শীর্ষ নেতা কৃষ্ণ গোপাল। সঙ্ঘের মহাসচিব ভাইয়াজি যোশীর অভিমত হচ্ছে, তাদের হিন্দু সমাবেশগুলো করার কারণেই বিজেপি ত্রিপুরায় এমন সাফল্য পেয়েছে। ‘গোহত্যা মহাপাপ’ স্লোগানের অন্তরালে সাম্প্রদায়িক হানাহানি সৃষ্টি করা হচ্ছে। ভারতে গো-মাংস ভক্ষণ নিয়ে গত বছর কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে। ভারতের মানবতাবাদীরা গোঁড়া হিন্দুদের উগ্র সাম্প্রদায়িকতার নিন্দা করলেও সেই নিন্দা ফলপ্রসূ হচ্ছে না। ভারতে ধর্মনিরপেক্ষ, মানবতাবোধে সচেতন বহু মানুষ আছে; কিন্তু এদের কথার ধ্বনি সংখ্যাগরিষ্ঠ গোঁড়া হিন্দুদের উচ্চস্বরে প্রতিধ্বনিত হয় না। কারণ ধর্মের লোভনীয় প্রাপ্তি আশ্বাসে আমজনতাকে যেভাবে উত্তেজিত করা সম্ভব তা অন্য কোন প্রাপ্তির আশ্বাসে হয় না।

১৯৪৬ সন ও তৎপরবর্তী সময়ে হিন্দু-মুসলমানের দাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দাঙ্গা দমনে নির্লিপ্ততায় দাঙ্গা একদিকে যেমন ব্যাপ্তি পেয়েছিলো অন্যদিকে তেমনি দীর্ঘস্থায়ীও হয়েছিল। ‘লর্ড মাউন্টব্যাটন’ সিনেমায় দেখা যায়, পুলিশের সম্মুখে হিন্দুকে মুসলমান, মুসলমানকে হিন্দু নির্দয়ভাবে কতল করছে—পুলিশ নির্বিকার। এ অবস্থায় জওহরলাল নেহেরুকে পুলিশ থেকে লাঠি নিয়ে দাঙ্গাকারীদের পেটাতে হয়েছে। দাঙ্গা রোধে মহাত্মা গান্ধী এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়িয়েছেন। মুসলমানদের প্রতি প্রীতির জন্য গান্ধীকে কট্টর হিন্দু নথুরাম গডসের গুলি খেয়ে মরতে হয়েছে। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর দেশ ভারতের অবস্থা এখন বিজেপির হাতে পড়ে ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষের বীজ বপিত হচ্ছে। গেরুয়া বসন পরে এভাবে হিংসা, বিদ্বেষ ছড়ানো হলে ভারতের সাংবিধানিক ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক ইমেজ বেশি দিন আর থাকবে বলে মনে হয় না। অবশ্য বাংলাদেশের নির্বাচনেও ধর্ম এবং ভারত প্রধান ইস্যু। ১৯৫৪ সনের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জিতলে পাকিস্তান ভারতের কাছে বিক্রি করে দেবে মর্মে মুসলিম লীগ প্রচার করছিল। শেরে বাংলা এক নির্বাচনী বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘মুসলিম লীগের অপশাসনে দেশের যে অবস্থা বিক্রি করতে চাইলেও কেউ কিনবে না’। আসলে নির্বাচনে জেতাই মুখ্য—কোথাও ধর্মকে বলি দিয়ে, কোথাও গোত্রকে বলি দিয়ে।

বাংলাদেশেও গোঁড়া ধর্মান্ধ উগ্র জাতীয়তাবাদের উদ্ভব হচ্ছে। যে সব দেশে মুসলমানেরা সংখ্যায় কম সেই সকল দেশে নিরঙ্কুশ ধর্মনিরপেক্ষতার প্রত্যাশা করে আমাদের দেশের কট্টর জাতীয়তাবাদীরা; অন্যদিকে যে সকল দেশে মুসলমানের সংখ্যা বেশি সেখানে কিন্তু এই গোষ্ঠীটি ইসলামী হুকুমত কায়েমের পক্ষে। ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানেরা যখন গোঁড়া হিন্দুদের হাতে নির্যাতিত হয় তখন বাংলাদেশের মুসলমানদের ব্যথা লাগে, বাংলাদেশে হিন্দুরা যখন সংখ্যাগুরু মুসলমানদের হাতে মার খায় তখন আবার ভারতের হিন্দুদের ব্যথা হয়। অদ্ভুত বিষয়টি হচ্ছে, হিন্দু হিন্দুদের অথবা মুসলমান মুসলমানদের যখন মারে তখন কিন্তু কমিউনিটি ফিলিংস থাকে না। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানবতার বিপর্যয়ে সবাই সোচ্চার হলে ধর্মভিত্তিক এসব অত্যাচারের সাহস কেউ করত কি না সন্দেহ। কিন্তু নির্বাচনে জিততে হলে এগুলো যে শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার।

হতাশা আর নৈরাশ্যের মধ্যেও কিছু আশার সঞ্চার হয়। ১৯৭১ সালের পূর্বে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে আগত হিন্দু অভিবাসীরাই ত্রিপুরায় সংখ্যাগরিষ্ঠ। ত্রিপুরার নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের পূর্বপুরুষরাও বাংলাদেশের চাঁদপুরের অধিবাসী ছিলেন। এজন্য চাঁদপুরে মিষ্টি বিতরণও হয়েছে। বিপ্লব কুমার দেব শপথ নেয়ার পূর্বেই আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীও তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

[লেখক: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]

zeauddinahmed@gmail.com