দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত আমার আজকের (রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮) কলাম

বিমান আটকে দিল মশা

জিয়াউদ্দীন আহমেদ

ঢাকা, রবিবার, ০৪ মার্চ ২০১৮

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশীয়ান একটি ফ্লাইটে মশা ঢুকে বিমানের উড্ডয়ন দুই ঘণ্টা বিলম্ব করে দিয়েছে। বে এরিয়ায় যাত্রী ওঠানোর সময় মশা বিমানে ঢুকে পড়ে। বিমান ছাড়ার পর রানওয়েতে থাকতেই মশার উপদ্রবে বিমানের যাত্রীরা চেঁচামেচি শুরু করলে পাইলট বিমানটিকে বে এরিয়ায় পুনরায় ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হন। মালয়েশীয়ান এয়ারলাইন্সের মর্যাদা এবং আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণকারী এ ঘটনাটি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে বিচলিত করেছে কি না জানি না, কিন্তু বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের লজ্জায় ফেলেছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশে একাধিক জলাশয় রয়েছে। এসব জলাশয়ে মশার বংশবিস্তার করে মশা। গরিবের নুন আনতে পান্তা ফুরায় বলেই বোধ হয় আমাদের বিমানবন্দরে প্রয়োজনানুযায়ী বোর্ডিং ব্রিজ নেই; অনেক বিমানের যাত্রীদের বে এরিয়া থেকে ওঠা-নামা করতে হয়। খোলা জায়গায় যাত্রী ওঠা-নামার সময় বিমানের দরজা অনেকক্ষণ খোলা রাখতে হয় বলে বিমানবন্দরের মশাগুলো সুযোগ বুঝে বিমানের ভেতরে ঢুকে পড়ে। দেশে মশা থাকলে এ অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো কঠিন। অবশ্য পৃথিবীর অনেক সমৃদ্ধ ও উন্নত বিমানবন্দরেও সব বিমানকে বোর্ডিং ব্রিজ দেওয়া সম্ভব হয় না। কারণ ঐ সব বিমানবন্দরে প্রতি মুহূর্তে বিমান উঠা-নামা করে থাকে। এইসব বিমানবন্দরে বিমান উড্ডয়নে ট্রাফিক জ্যামের মতো একটার পেছনে আরেকটা দাঁড়িয়ে থাকে অনেকক্ষণ। কিন্তু উন্নত দেশের কোন বিমানবন্দরে বিমানের ভেতরে মশার আক্রমণের কথা সচরাচর শোনা যায় না।

মালয়েশিয়ান বিমানে মশার আক্রমণের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার পর বিমানবন্দরে মশা নিধনের তৎপরতা জোরেশোরে শুরু হয়েছে। পত্রিকায় দেখলাম এই কাজের জন্য জনবল বাড়ানো হয়েছে, বিমানবন্দরের বাইরের মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে সিটি করপোরেশনকে। কিন্তু ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বক্তব্য হচ্ছে, বিমানবন্দরের ভেতরে মশা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব তাদের নয়। তাদের দাবি বিমানবন্দরের বাইরে তেমন মশা নেই। এক্তিয়ারভুক্ত এলাকার সীমানা নিয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা অন্যান্য পেশায়ও দেখা যায়। এমন এক্তিয়ারভুক্ত সীমানা নিয়ে পুলিশ থানাগুলোর মধ্যেও টানাহেঁচড়া আছে। সংঘটিত ঘটনায় পড়ে থাকা লাশ কার সীমানায় পড়ে আছে তা নিয়ে পার্শ্ববর্তী দুই থানার অনেকক্ষণ বাকবিতণ্ডার পর উপরমহলের নির্দেশনায় লাশের সদ্‌গতি হয়। সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনে নির্বাহী প্রধান থাকাকালীন আমিও এমন সমস্যার সম্মুখীন বারবার হয়েছি। মেশিন মেরামতে কাদের দায়িত্ব তা নির্ধারণে মেকানিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশলীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হতো। এতে মেরামতের কাজ শুরু করতে বিলম্ব হতো। মশাকে নিয়ে এই বাকবিতণ্ডা কিছুদিন পূর্বে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মধ্যে লক্ষ্য করেছি। আমার যতটুকু মনে পড়ে, প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক মশা নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি করতে না পেরে আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘কী করে মশা নিয়ন্ত্রণ করব, দক্ষিণের মশা যে উত্তরে চলে আসে’।

বিমানবন্দর থেকে মশা তাড়াতে জরুরি বৈঠক করেছে শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। মশা নিধনে ক্রাশ প্রোগ্রামও হাতে নেয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। কিন্তু এই কার্যক্রম আরও কিছুদিন আগে নিলে আমাদের বদনামটা হতো না। আমাদের দেশে অঘটন ঘটার পর সংশ্লিষ্ট সকলের হুঁশ হয়। কুম্ভকর্ণের মতো সবার ঘুম একত্রে এলে দায়িত্ব পালনের জন্য কাউকে সজাগ পাওয়া যাবে না। কয়েক মাস পূর্বে আমি আমার ছেলে অর্ণবকে রিসিভ করার জন্য বিমানবন্দরে গিয়েছিলাম। আমার ছেলে যে বিমানে আসার কথা সে বিমান সম্পর্কে ডিসপ্লে বোর্ডে লেখা উঠলো, রাত ৯টা ১৫ মিনিটে বিমানটি ল্যান্ড করবে। সময়মত বিমানটি ল্যান্ড করার পর বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে রাত সাড়ে ১০টায় ছেলেকে রিসিভ করলাম; তখনো ডিসপ্লে বোর্ডে একই লেখা, বিমানটি ‘রাত ৯টা ১৫ মিনিটে ল্যান্ড করবে’। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে যাত্রীদের পৌঁছার পূর্বে মালামাল বেল্টে চলে আসে। আমাদের দেশের অভিজ্ঞতা ভয়ানক। অন্য কোন দূরবর্তী দেশ থেকে বিমানে আসতে যতটুকু সময় লাগে তার চেয়ে বেশি সময় লাগে ইমিগ্রেশন পার হয়ে মালামাল সংগ্রহ করতে। যাত্রীদের মিসপ্লেসড মালামাল বহুদিন বিমানবন্দরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেছি, এই দৃশ্য অন্য কোন বিমানবন্দরে আমি দেখিনি। এখন এইসব মালামাল রাখার জন্য রেক তৈরি করা হয়েছে।

বিমানবন্দরের বাইরে মশা তেমন নেই মর্মে সিটি করপোরেশন থেকে বলার পর আমি আমার ঘর ও ঘরের বাইরে মশার অবস্থান যাচাই করে দেখেছি এবং সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য সঠিক বলে মনে হয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে মশাকে নিয়ে লুকোচুরি খেলছি। মশারি লাগানোর সময় যত সতর্কতাই অবলম্বন করি না কেন, দুয়েকটা মশা ভেতরে থেকে যায়। অ্যালার্জি থাকার কারণে মশা আমার কাছে যমদূতের চেয়েও ভয়ঙ্কর, কামড়ালে দীর্ঘক্ষণ চুলকাতে হয়। মশারির ভেতরে অবস্থানকারী মশা চিহ্নিত করে মারার জন্য লাইট জ্বালানো আর নেবানোর মাঝখানে বাইরে আসা-যাওয়ায় লাইট জ্বালিয়ে যতগুলো মেরেছি, নেবানোর পর তার চেয়ে বেশি মশার অস্তিত্ব টের পাই। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও অসহ্য গরমে সন্ধ্যার আগে আগেই মশার আগমন রোধে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে দিতে হয়।

রাজধানী ঢাকায় সম্প্রতি মশার উৎপাত এত বেড়েছে যে, মশারির বাইরে অবস্থান কোনভাবেই সম্ভব হয় না। সিটি করপোরেশনের তরফ থেকে এ বছর মশা নিয়ন্ত্রণের কোন ব্যবস্থা আজ পর্যন্ত নেয়া হয়েছে বলে আমার নজরে আসেনি। রাজধানীতে নাকি এক হাজার মশক-শ্রমিক মশা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে। নিয়ম অনুযায়ী তাদের নাকি প্রত্যেক এলাকায় প্রতিদিন সকাল-বিকেল দু’বার মশক ওষুধ ছিটানোর কথা। অবাস্তব এমন নিয়ম বানালো কে জানি না। বছরে একবার ভালো করে ওষুধ ছিটানো হলেই তো আমরা কৃতার্থ হই। তবে এলাকাভেদে মশা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম ভিন্নতর হতে পারে। অভিজাত এলাকায় সম্ভবত পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন কার্যক্রম সঠিক নিয়মে পরিচালিত হয়। কারণ ঐসব এলাকা থেকে জবাবদিহিতা আদায় করা সম্ভব। আমাদের মতো নিম্ন মধ্যবিত্তদের বসতির আশপাশে সর্বত্র আবর্জনা, জলাশয়—মশা উৎপাদনের উৎকৃষ্ট স্থান হলেও মশা নিয়ন্ত্রণের কোন কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয় না।

মশার ওষুধে আজকাল কাজ হয় না; মশা মারার কড়া ওষুধের ব্যবহার নিষিদ্ধ, এতে নাকি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। ডোনাল্ড ট্রাম্প এগুলো মানতে রাজি নন; অথচ পরিবেশ দূষণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবদান সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশের ভূমিকা মাত্র ০.০৩ পারসেন্ট। আমাদের দেশে অগণিত লোকের বসতি। এত ঘনবসতি পৃথিবীর খুব কম দেশেই আছে। ফলে রাস্তা-ঘাট পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হয় না। অবশ্য পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা বা অভ্যাস কোনটাই নেই। আমি বিস্কুটের একটি খালি প্যাকেট ফেলার জন্য এক কিলোমিটার হেঁটেও কোথাও একটি ডাস্টবিন খুঁজে পাইনি। ডাস্টবিন থাকলেই যে তাতে লোকজন ময়লা-আবর্জনা ফেলবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। হাতিরঝিলে ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও লোকজন ময়লা-আবর্জনা রাস্তায় ছুড়ে মারে। সিঙ্গাপুরে গেলে আমরাই আবার জেল-জরিমানার ভয়ে সব আবর্জনা ডাস্টবিনে ফেলি। আমার ভাতিজা জিতু তার কলামে লিখেছে, সিঙ্গাপুর কেন, ঢাকার সেনানিবাসের রাস্তায় গাড়িচালকও ট্রাফিক আইন অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলে।

মশা আবার স্তন্যপায়ী প্রাণীর রক্ত ছাড়া আর কারো রক্ত পান করে না। একটি মশা আমাদের শরীর থেকে খুব অল্প পরিমাণে রক্ত শোষে নেয়; কিন্তু তাদের পাখার ঝাপটায় উৎপন্ন আওয়াজ খুবই বিরক্তিকর। একটি মশা সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৬০০ বার ডানা ঝাপটাতে পারে। এছাড়াও কিছু মশা রোগজীবাণু সংক্রামক বলে ভীতিজনক। মশার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, গোদ, পীতজ্বর প্রভৃতি রোগ সংক্রমিত হয়ে থাকে। তবে শুধু নারী মশা রক্ত শোষে এবং মারাত্মক সংক্রামক রোগ বিস্তার করে। রক্ত খেয়ে মশা বাঁচে না, ডিম পাড়ার জন্য প্রোটিন প্রয়োজন বলে রক্ত পান করে। রক্ত না শুষলে ডিম পাড়ে ১০টির মতো; আর রক্ত খেতে পারলে ডিম পাড়ে প্রায় ৩০০টি। অন্যদিকে নিরীহ পুরুষ মশা ফুল-ফলের নির্যাস খেয়ে জীবনধারণ করে। তবে স্ত্রী মশা যাতে নির্বিঘ্নে রক্ত শুষে নিতে পারে সেজন্য পুরুষ মশারা চারপাশে পাখা ঝাপটিয়ে রক্তদাতাকে ব্যতিব্যস্ত রাখে। ৪৭টি দাঁতের অধিকারী ছোট আকৃতির এই ভয়ঙ্কর প্রাণীটির কামড়ে মানুষের মৃত্যু হয় সর্বাধিক।

মশা নিধনে এক সময় ডিডিটি ব্যবহার করা হতো এবং তা বিমানের মাধ্যমে আকাশ হতে ছিটানো হতো। দুটোই মশা নিধনে কার্যকর ছিল। কিন্তু পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হওয়ায় ডিডিটি-এর মতো কীটনাশকের ব্যবহার ও বিমানে মশার ওষুধ ছিটানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মশা থেকে পরিত্রাণের জন্য যুগ যুগ ধরে কয়েল ব্যবহৃত হয়। কয়েলের আগুনে বহু অঘটনও ঘটেছে। মশা বিতাড়নের আরেকটি উপকরণ অ্যারোসল। কয়েল এবং অ্যারোসল দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ক্ষতির বিষয়টি জেনেও আমরা এই দুটি নিরোধক ব্যবহার করে যাচ্ছি। গ্রামে ধূপ জ্বালিয়ে মশা তাড়ানো হয়। ভিজা খড়ে আগুনের প্রচুর ধোঁয়ায় গোয়ালঘরের মশা তাড়ানোর পদ্ধতি এখনও গ্রামে দেখা যায়। নারিকেল বা কমলার খোসা জ্বালিয়েও আজকাল মশা তাড়ানো হয়ে থাকে। মশার লার্ভা ধ্বংসে মাছ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

পৃথিবীর সব মশা মেরে ফেলার কোন ওষুধ বা যন্ত্র আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। তাই শত চেষ্টাও সিটি করপোরেশন সব মশা মারতে সক্ষম হবে না। কিছু মশা জীবিত থাকলেও অল্পদিনের মধ্যে ঢাকা শহর আবার মশায় ভর্তি হয়ে যাবে; কারণ এদের প্রজনন ক্ষমতা অত্যধিক। একটি মশা একসঙ্গে প্রায় ৩০০টি ডিম পাড়ে এবং জীবদ্দশায় একটি স্ত্রী মশা ১০০০-৩০০০টি ডিম দিতে সমর্থ। ডিম থেকে বের হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই একটি মশা মানুষের রক্ত শোষণের সক্ষমতা অর্জন করে।

মশা সবাইকে কামড়ানোর জন্য আগ্রহ দেখায় না। সাধারণত মশা কাউকে বেশি কামড়ায়, কাউকে কম। মশা শুধু গায়ের গন্ধ, নির্গত কার্বন ডাইঅক্সাইড থেকে নয়, চেহারা দেখেও কামড়ানোর জন্যে উপযোগী মানুষ চিহ্নিত করতে পারে। নিয়মিত গোসল না করলে, অতিরিক্ত ঘামলে, শরীরের উত্তাপ বেশি হলে মশা কাউকে সহজেই কামড়ানোর জন্য চিহ্নিত করতে পারে। গর্ভবতী নারীরা কার্বন ডাইঅক্সাইড বেশি ছাড়ে বলে মশা তাদের রক্ত পানে উৎসাহী। বিয়ার খেলে শরীরের উত্তাপ বেড়ে যায় বলে এমন শরীরের রক্তও মশার প্রিয়। গাঢ় রঙের কাপড় পরলে মশার আকর্ষণ বেড়ে যায়। তাই বিশেষজ্ঞরা হালকা রঙের কাপড় পরে মশার কামড় থেকে বাঁচার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

গত বছর চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ থেকে বাঁচার জন্য মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত সিটি করপোরেশন জুমার নামাজের সময় মসজিদে মসজিদে মোনাজাত ও মশা থেকে বাঁচার করণীয় সম্পর্কে বয়ানের ব্যবস্থা করেছিল। তাই আল্লাহর কাছে প্রার্থনাই আমাদের শেষ ভরসা।

[লেখক: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]

zeauddinahmed@gmail.com