দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত আমার আজকের (রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮) কলাম।

যে দেশে অমুসলিম ভোটার নয়

জিয়াউদ্দীন আহমেদ

মাত্র ২৯৮ কিলোমিটার আয়তনের ১১৯২টি দ্বীপ সম্বলিত মালদ্বীপ দেশটিতে ভারতের কেরালা ও তামিল রাজ্যের জেলে সম্প্রদায়ের লোকরাই প্রথম বসতি স্থাপন করে। পরবর্তীকালে খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে রাজা অশোকের শাসনামলে এই হিন্দু জেলে সম্প্রদায়ই বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করে।

১১৫৩ সালে পারসিক মুসলমান শাসকেরা ‘সুলতান’ নাম ধারণ করে মালদ্বীপে ইসলামি সালতানাত প্রতিষ্ঠা করে প্রায় আটশ বছর শাসন কায়েম রাখতে সমর্থ হয়।

১৯৬৮ সালে ‘সালতানাত’ থেকে ‘রিপাবলিক মালদ্বীপে’ পরিণত হয়। ২০০৫ সালে সর্বপ্রথম রাজনৈতিক দল সৃষ্টি হয়।

১৯৬৫ সালে ব্রিটিশদের নিকট থেকে মালদ্বীপ স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৭৮ সালে মামুন আবদুল গাইয়ুম ক্ষমতায় এসে ২০০৮ সালে সংবিধান সংশোধন করে যে আইন করেন তা হচ্ছে, কোন অমুসলিম মালদ্বীপের নাগরিক হতে পারবে না।

ইবনে বতুতার বর্ণনা অনুযায়ী ১১৫৩ সালে এক অলৌকিক ঘটনায় এই দেশের লোকেরা বৌদ্ধ ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। মালদ্বীপের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। ইসলাম এদেশের সংস্কৃতি সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত; মালদ্বীপের ভাষার ব্যবহৃত লিপি আরবি। চীনপন্থী বর্তমান প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ ইয়েমেনের আমলে মালদ্বীপে মৌলবাদের বিস্তার ঘটেছে ব্যাপকভাবে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেও এর সত্যতা পেয়েছি। ১৯৮৯ সালে মালয়েশীয়ায় অনুষ্ঠিত সেন্ট্রাল ব্যাংকিং কোর্সে অংশগ্রহণকারী মালদ্বীপ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যে নারী কর্মকর্তা স্কার্ট পরে আমাদের সঙ্গে ব্যাডমিন্টন খেলেছিল সেই নারী কর্মকর্তা ডেপুটি গভর্নর হয়ে ২০১৬ সালে পুরুষদের সঙ্গে ছবি তুলতে অসম্মতি জ্ঞাপন করেন। মধ্যপ্রাচ্যে সিরিয়ায় আইএস এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ইসলামপন্থি বিদ্রোহীদের পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য মালদ্বীপ থেকে অনেকে যোগ দিয়েছে বলে জানা যায়। শরীয়াহ আইন অনুযায়ী মালদ্বীপের মৌলিক আইন প্রণীত হয়; ৫০ সদস্যের মজলিসে শূরার সদস্যরা পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

মালদ্বীপের সকলেই মুসলমান; কিন্তু চারণভূমির অভাবে পশুপালন হয় না বলে এই দেশের লোকেরা কোরবানি করতে পারে না। পার্শ্ববর্তী কোন দেশ থেকে গরু-ছাগল আমদানি করে এখন কোরবানি করার পরিকল্পনা করছে ধনীরা। সম্প্রতি দু-একটি স্থানে মুরগি পালন শুরু হয়েছে; ছেলেশিশু জন্মালে একটি মুরগি জবাই করা হয়, মেয়েশিশু জন্মালে জবাই করা হয় না। শুধু পশুপালন নয়, মালদ্বীপে

কোন উৎপাদনই হয় না; দেশটি সম্পূর্ণভাবে আমদানিনির্ভর। ভারত থেকে কিছু আমদানি হলেও বেশিরভাগ আমদানী হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে। ইসলাম মালদ্বীপের রাষ্ট্রধর্ম হলেও সৌদি আরবের মতো মালদ্বীপে এলকোহল নিষিদ্ধ নয়। সুইমিং ড্রেস পরে সাঁতার কাটার সুযোগ-সুবিধারও কমতি নেই মালদ্বীপে। ছোট্ট এই দেশটির এক সময় আয়ের প্রধান উৎস ছিলো মাছ, এখন পর্যটন। চার লাখ মানুষ অধ্যুষিত এই ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রে প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটে। অনেক দ্বীপ মালদ্বীপবাসীর ব্যক্তিগত মালিকানায় শুধু পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশের প্রায় ৮০ হাজার শ্রমিক মালদ্বীপের অবকাঠামো নির্মাণ ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে কাজ করে। তবে বাংলাদেশি শ্রমিকদের বেতন খুবই কম। ভারতের পঁচিশ হাজার শ্রমিকও মালদ্বীপে রয়েছে। গত এক দশক যাবৎ মালদ্বীপের জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশের বেশি। মাথাপিছু আয় প্রায় পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার। সৌদি আরবের কাছে একটি দ্বীপ বিক্রি করার ব্যাপারে মালদ্বীপ সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে বিরোধী দল ওয়াহাবি মতাদর্শের বিস্তারের আশঙ্কায় ভীত হয়ে পড়েছে। কারণ মালদ্বীপের সকল মুসলমান সুন্নী। অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতও বিষয়টিকে সহজভাবে নেবে বলে মনে হয় না।

আয়তন ও জনসংখ্যার বিচারে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে মালদ্বীপ সবচেয়ে ছোট; সবগুলো দ্বীপে জনবসতি নেই। রাষ্ট্রটির ৯৯ শতাংশ জলাশয়। পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু দেশ মালদ্বীপ—সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মালদ্বীপের গড় উচ্চতা মাত্র এক দশমিক পাঁচ মিটার। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে মালদ্বীপের ১১৯২টি দ্বীপ সমুদ্রের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। ২০০৮ সালে মোহাম্মদ নাশিদ ক্ষমতায় এসেই এক অভিনব কায়দায় মালদ্বীপের প্রতি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মালদ্বীপের সম্ভাব্য বিপর্যয়ের প্রতি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার অভিপ্রায়ে প্রেসিডেন্ট নাশিদ সাগরের পানির নিচে ডুবুরির পোশাক পরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন।

মুহাম্মদ নাশিদ গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মালদ্বীপের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মোহাম্মদ নাশিদ একনায়ক শাসক মামুন আবদুল গাইয়ুমকে পরাজিত করে গাইউমের ত্রিশ বছরের শাসনের অবসান ঘটান। প্রেসিডেন্ট নাশিদ একজন আধুনিক গণতান্ত্রিক মনোভাবাপন্ন লোক; ক্ষমতায় এসেই তিনি বিভিন্ন সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন; কিন্তু পুলিশ ও বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপে তিনি তিন বছরের মধ্যে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। এ অবস্থায় ২০১৩ সালে আবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়; মোহাম্মদ নাশিদ সর্বাধিক ভোটে জিতেন এবং তা আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মূল্যায়নেও স্বীকৃত হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এই ভোট বাতিল করায় পুনরায় অনুষ্ঠিত ভোটে সাবেক প্রেসিডেন্ট মামুন আবদুল গাইয়ুমের সৎভাই আবদুল্লাহ ইয়ামিন রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হন। সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোটে পরাজিত নাশিদকে সন্ত্রাসের অভিযোগে নিম্ন আদালতের রায়ে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। উচ্চ আদালতে মামলা চলাকালীন তিনি স্বেচ্ছায় নির্বাসনে চলে যান। সম্প্রতি তাকেসহ ৯ জন উচ্চ পদমর্যাদার রাজনৈতিক ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশে দিয়েছে। কিন্তু সরকার তাদের মুক্তি প্রদানে কোর্টের রায় উপেক্ষা করায় মালদ্বীপে রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। কোর্টের রায় প্রত্যাখ্যান করায় মালদ্বীপের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিনকে অপসারণেও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আসার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল। এছাড়াও ১২ জন পার্লামেন্ট সদস্য সরকারি দল ছেড়ে বিরোধী দলে যোগ দেয়ায় তাদের পদমর্যাদা কেড়ে নেয়া হলেও সুপ্রিম কোর্ট তাদের মর্যাদা পুনর্বহাল করলে পার্লামেন্টে বিরোধীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যায় এবং প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনকে অভিশংসনের অবস্থা সৃষ্টি হয়। নির্বাসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ পাল্টে সুপ্রিম কোর্ট তাদের মুক্তির যে রায় দিয়েছে তা পালন করতে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যর্থ হওয়ায় বিরোধী দল তাকে অপসারণের জন্য পার্লামেন্টে পিটিশন দাখিল করে। এ অবস্থায় অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ অনিল সেনা ও পুলিশ প্রধানকে সঙ্গে নিয়ে টেলিভিশনে ভাষণ দেন এবং কোর্টের কোন নির্দেশে আনুগত্য প্রকাশ না করতে সশস্ত্র বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আহ্বান জানান।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেসসহ পৃথিবীর অনেক সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান সুপ্রিম কোর্টের রায় মানতে প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের প্রতি আহ্বান জানান; কিন্তু এমন আহ্বানে কর্ণপাত করেননি প্রেসিডেন্ট ইয়েমিন। ইতোমধ্যে দেশটির প্রধান পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত, পার্লামেন্টের অধিবেশন বাতিল, প্রধান বিচারপতিসহ দুইজন বিচারপতি ও বিরোধীদলীয় দুই সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার এবং জরুরি আইন জারি করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে বর্তমান প্রেসিডেন্টের সৎভাই মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট অশীতিপর মামুন আবদুল গাইয়ুমকেও। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট বেঞ্চের সর্বসম্মত রায়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট নাশিদকে মুক্তি দেওয়া হলেও জরুরি আইন ঘোষণার পর তিন বিচারপতি প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের সঙ্গে সমঝোতা করে নাশিদসহ অন্যদের মুক্তি প্রদানের সুপ্রিম কোর্টের আদেশটি প্রত্যাহার করে নেন। তিন বিচারকের গদি ও প্রাণ রক্ষার অনাকাঙ্ক্ষিত এই ইউটার্ন সামগ্রিকভাবে অগ্রহণযোগ্য। অন্যদিকে পার্লামেন্ট ভবন দখলে নিয়েছে সেনাবাহিনী।

পশ্চিম পাকিস্তানের এককালের প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ রোস্তম কায়ানী পাকিস্তান সেনাবাহিনী সম্পর্কে একটি নির্মম সত্য কথা বলেছেন। তিনি তার লেখা ‘নট দ্য হোল ট্রুথ’ বইতে উল্লেখ করছেন যে, ‘পাকিস্তান সেনাদের বীরত্বকে যতই গ্লোরিফাই করা হোক না কেন তারা শুধু নিজের দেশ দখল করতেই ওস্তাদ’ (স্মৃতি থেকে লেখা বিধায় হুবহু নয়)। কায়ানীর কথা অনুযায়ী মালদ্বীপের সেনাবাহিনীও শুধু নিজ দেশ দখলে বাহাদুর, নিজ দেশের পার্লামেন্ট দখল করে সিলগালা করতে সমর্থ হলেও এখনো তারা বহিরাগত জলদস্যুদের প্রতিহত করার ক্ষেত্রে অসহায়। ১৯৮৮ সালে প্রেসিডেন্ট মামুন আবদুল গাইউমের আমলে মাত্র ৮০ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী শ্রীলঙ্কান তামিল মালদ্বীপে ঢুকে দেশটি দখল করে নিয়েছিল। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মামুন আবদুল গাইউম এই আক্রমণকারী তামিলদের হাত থেকে বাঁচার জন্য রাজধানী মালের এক ঘর থেকে আরেক ঘরে পালিয়ে লুকানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু মালে এত ছোট শহর যে এভাবে লুকিয়ে থাকার উপায় ছিল না। এ অবস্থায় ভারত থেকে তাৎক্ষণিক প্যারাট্রুপার সেনা পাঠিয়ে উক্ত তামিল দস্যুদের বিতাড়ন করা হয়।

নাশিদ বর্তমানে নির্বাসনে আছেন। সুপ্রিম কোর্টের রায় বদলানো ও জরুরি অবস্থা জারির পর চলমান রাজনৈতিক সংকট সমাধানের প্রত্যাশায় সাবেক প্রেসিডেন্ট নাশিদ নির্বাসন থেকে ভারতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। কিন্তু ভারতের সঙ্গে মালদ্বীপের বর্তমান সরকারের ঘনিষ্ঠতা নেই। প্রেসিডেন্ট ইয়ামিন জরুরি আইন জারির ব্যাপারে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য চীন, পাকিস্তান ও সৌদি আরবে প্রতিনিধি পাঠালেও ভারতে কোন প্রতিনিধি পাঠাননি। চীনপন্থী প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়েমিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চীনের। বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়েমিনের কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে চীনের সহায়তা মুখ্য হলেও মালদ্বীপের নাগরিকদের কাছে শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদনের ক্ষেত্রে ভারতই প্রথম পছন্দ। শ্রীলঙ্কায় চীনের ব্যবসায়িক আধিপত্যের নমুনা মালদ্বীপেও দৃশ্যমান হওয়ায় মালদ্বীপের সচেতন নাগরিকেরাও ভয় পাচ্ছে। চীনের আর্থিক সহায়তায় গড়ে ওঠা শ্রীলঙ্কার বড় বড় প্রকল্পগুলোর অর্থ পরিশোধে অসমর্থ হওয়ায় প্রকল্পগুলো চীনের মালিকানায় চলে যাচ্ছে; মালদ্বীপে চীনের বিনিয়োগ নিয়েও অনুরূপ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন।

সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির পরিবর্তিত ইউটার্ন সিদ্ধান্তে বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়েমিন গদি রক্ষা করতে পেরেছেন বলে মনে হয়। কিন্তু ইউরোপের পর্যটকরা খুবই স্পর্শকাতর; অন্যায়, অবিচার ও মানবতার বিপর্যয় হলে তারা মালদ্বীপে আসা বন্ধ করে দিতে পারে। অন্যদিকে মোট পরিব্রাজকের ছয় ভাগ ভারত থেকে আসে—ভারতের পর্যটকদের আসা বন্ধ হয়ে গেলে মালদ্বীপের অর্থনীতি সংকুচিত হয়ে যেতে পারে। দেশের কী হবে তা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়েমিন চিন্তিত নন, জরুরি আইনের মেয়াদ বাড়িয়ে ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখতে সমর্থ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

[লেখক: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]

zeauddinahmed@gmail.com