আজকের দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত আমার কলাম:

লাশের জিম্মি নিষিদ্ধ

জিয়াউদ্দীন আহমেদ

দুদক কমিশনার ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ কিশোরগঞ্জে এক সুধী সমাবেশে বলেছেন, ‘শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাত নিয়ে আমি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। ... গতকাল সকাল ৯টার পর আমি কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখি খুবই করুণ অবস্থা। কোন ডাক্তার আসেননি, টিকিট কাউন্টারেও কোন লোক নেই। সেবাপ্রার্থীরা অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে আছেন’। ডাক্তারদের কর্মক্ষেত্রে না থাকার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরও এড়িয়ে যায়নি। সাতটি সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট উচ্চারণে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘উপজেলায় না থাকলে চাকরি ছেড়ে দিন’। প্রধানমন্ত্রীর আরেকটি বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেছেন, ‘মেডিকেল কলেজগুলোতে রোগী হত্যাকারী ডাক্তার, নাকি রোগী রক্ষাকারী ডাক্তার তৈরি হচ্ছে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেখতে হবে’।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় কোন অসচ্ছল ব্যক্তি মারা গেলে কোন ক্লিনিক বা হাসপাতাল ঐ মৃত ব্যক্তির লাশ জিম্মি করে রাখতে পারবে না মর্মে সম্প্রতি রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। অন্যদিকে মাসখানেক পূর্বে সংঘটিত যমজ সন্তানের একটি বের করে আরেকটি ভেতরে রেখে পেট সেলাই করে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

চিকিৎসা ও চিকিৎসকদের নিয়ে কয়েকটি কলাম লেখার পর মনে হয়েছিল, সব পেশা ও পেশার লোকজনের মধ্যে ভালো-মন্দ আছে বিধায় শুধু এই ক্ষেত্রটি নিয়ে বারবার লিখা যথার্থ নয়। কিন্তু বাংলাদেশের কিছু সংখ্যক ডাক্তারের অমানবিক আচরণ নিয়ে আমার কয়েকটি কলাম পড়ে ফেসবুকে এক বন্ধুর মন্তব্য আমাকে আবারও একই বিষয়ে লিখতে উদ্বুদ্ধ করেছে; তিনি লিখেছেন, ‘ডাক্তারদের সবার আগে উপলব্ধি করতে হবে যে, ডাক্তারি গোল-কিপিং বা উইকেট কিপিংয়ের মতো একটা ডিফেন্সিভ পেশা। আটটা শট ঠেকিয়ে যদি আপনি দুটা গোল খান, অথবা ১০টা অসাধারণ কিপিং করে আপনি যদি দুটা স্ট্যাম্পিং মিস করেন তো মানুষ আপনাকে সেই ভুলগুলোর জন্যে দায়ী করবে। আপনার আটটা সেভকে মনে রাখবে না। কারণ আপনার ভুলের প্রাইস খুব হাই।

একজন মানুষের জীবন নিয়ে আপনি খেলেন। আর আটটা ভালো চিকিৎসা করছেন বলেন আপনি একটা ভুল করার অধিকার অর্জন করেন না। আপনাকে ১০০% না হলেও টলারেন্স লেভেলে এর ফ্রি থাকতে হবে। আপনি যদি একনলেজই না করেন আপনার পেশার দুর্বলতা আপনি কারেকশন করবেন কী করে?’

বর্তমান সরকারের আমলে চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হলেও এখনও দেশের অধিকাংশ বেসরকারি ক্লিনিক, সরকারি হাসপাতাল, চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর অবস্থা বেশ দুর্বল। জেলা, উপজেলায় সরকারি হাসপাতাল, চিকিৎসাকেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা উপকরণ, ওষুধপত্র, প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের অভাবে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে না। তবুও শহরকেন্দ্রিক সরকারি হাসপাতালে দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসকদের দেওয়া ব্যবস্থাপত্রই রোগীর প্রধান আকর্ষণ।

বাংলাদেশের অধিকাংশ লোক দেশেই চিকিৎসা নিচ্ছে; দেশে দেশীয় চিকিৎসকদের চিকিৎসা নিয়েও বেশিরভাগ রোগী ও রোগীর স্বজনেরা ডাক্তার ও নার্সদের পীড়াদায়ক অমানবিকতা নিয়ে সর্বত্র সমালোচনা করছে। ফলে ডাক্তার আর রোগীর সম্পর্ক মাঝে মাঝে সংশয়ের দোলাচলে দুলছে। বিরূপ অভিজ্ঞতায় আস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে ডাক্তার আর রোগীর সম্পর্ক কখনো কখনো সন্দেহেও পর্যবসিত হয়। হৃদরোগের অন্যতম কারণ রক্ত চলাচলে শরীরের অভ্যন্তরে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হওয়া। প্রতিবন্ধকতার স্থানে স্টেন্টিং বা রিং পরিয়ে রক্ত চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখা হয়। এই রিংয়ের দাম ব্র্যান্ড, আকার, প্রকারভেদে ভিন্ন। কত দামের রিং পরানো হলো ডাক্তারের কথায় রোগীর আত্মীয়-স্বজনেরা এখন আর বিশ্বাস করে না। রোগী ও স্বজনদের এই অবিশ্বাস বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রে পুরোমাত্রায় বিরাজমান। এছাড়াও বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ক্ষেত্রে জনগণের ধারণা জন্মেছে যে, শুধু ব্যবসার জন্য প্রয়োজন ছাড়াও রোগীকে সিসিইউ বা আইসিইউতে রাখা হয় এবং রোগীর মৃত্যুর পরও লাইফ সাপোর্ট লাগিয়ে রাখা হয়।

বাংলাদেশে চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যয়বহুল, বেসরকারি ক্লিনিক বা হাসপাতালে এ ব্যয় দিনদিন বাড়ছে। উন্নত দেশগুলোতে চিকিৎসা ব্যয় আরও বেশি। কল্যাণকামী রাষ্ট্রগুলো জনগণের জন্য স্বাস্থ্যখাতে প্রচুর ভর্তুকি দিয়ে থাকে। জনগণের জন্য সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি দেয় সম্ভবত সুইডেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের বহু দেশে চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যবীমা অপরিহার্য; স্বাস্থ্যবীমা না থাকলে চিকিৎসা ব্যয় মেটানো ধনী ব্যক্তিদের পক্ষেও সম্ভব হয় না। স্বাস্থ্যবীমা থাকলে রোগীর চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বীমা কোম্পানি পরিশোধ করে থাকে। এতদসত্ত্বেও ওখানকার নিয়মনীতি ও চিকিৎসকেরা আমাদের দেশের মতো এত কঠোর নয়। ঐসব দেশেও হৃদরোগ বা অন্য কোন মারাত্মক রোগে রোগীর চিকিৎসার পূর্বে স্বাস্থ্যবীমার কথা জিজ্ঞাসা করা হয় না। রোগী চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে না পারলে তা কোন একটি নিয়মে সমন্বয় করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই তারাও হাসপাতালে গিয়ে স্বাস্থ্যবীমা ছাড়াই বিনা পয়সায় হৃদরোগে রিং পরানো বা ওপেন হার্ট অপারেশনের চিকিৎসা পাচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশে রোগীর অবস্থা যত সংকটাপন্ন হোক না কেন অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতালে আগাম টাকা জমা না দেওয়া পর্যন্ত চিকিৎসা শুরু করা হয় না।

কিছু কিছু বেসরকারি ক্লিনিক বা হাসপাতালের অবস্থা আরও খারাপ। কিছু কিছু ক্লিনিকের মান এত নিম্নের যে, এগুলোতে রোগের চিকিৎসা করার কোন সামর্থ্যই নেই। আবার কিছু কিছু বেসরকারি ক্লিনিক বা হাসপাতাল শুধু উচ্চবিত্তশালীদের জন্য তৈরি। এগুলোকে রোগীর আরোগ্যালয় না বলে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান অভিধায় অবহিত করা অধিকতর যুক্তিযুক্ত। এগুলোর একটাই লক্ষ্য, আয় বা মুনাফা। রোগীর সংকটাপন্ন অবস্থা উল্লেখপূর্বক বিনাপ্রয়োজনে রোগীকে আইসিইউতে রাখা, অস্ত্রোপচার করা, অতি মূল্যে ওষুধ বিক্রি করা, জরুরি অবস্থায় উপযুক্ত চিকিৎসক জোগাড় করতে না পারা, অনভিজ্ঞ চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় রোগীর ক্ষতি করা ইত্যাদি অভিযোগ রয়েছে এই সব বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকের বিরুদ্ধে।

অন্যদিকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সঙ্গে যোগসাজশ থাকায় সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষার নানাবিধ মূল্যবান যন্ত্রপাতি অকেজো করে রাখা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। মেরামতের জন্য সরকারি হাসপাতালগুলো মূলত দরিদ্র মানুষগুলোর চিকিৎসার জন্য নিবেদিত বলে এই সব হাসপাতালের কোন অনিয়মের বিরুদ্ধে উচ্চকিত হওয়ার সাহস রোগী বা তাদের আত্মীয়-স্বজনের থাকে না। প্রভাবশালী যারা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন তাদের চিকিৎসায় কিন্তু কোন অবহেলা থাকে না, তাদের সেবায় হাসপাতালের সবাই একনিষ্ঠ থাকেন বলে অনিয়ম, অনাচার কখনো ভেসে উঠে না, ঢাকা পড়ে যায়।

প্রয়োজনীয় নার্স এবং চতুর্থ শ্রেণির জনবল সংকট থাকায় বিশেষ আয়ার উৎপাত প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে লক্ষ্য করা যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই আয়াদের সম্পর্কে সম্যকভাবে অবহিত। এদের বেতন আসে রোগী ও রোগীর স্বজনদের পকেট থেকে। অন্যদিকে বাচ্চার প্রসবে, হাসপাতাল ত্যাগের প্রাক্কালে এদের মোটা অঙ্কের বকশিস দিতে হয়। এই আয়াদের নিয়োজিত করা রোগীর জন্য অপরিহার্য; নতুবা রোগীর কফ, মলমূত্র কখনো পরিষ্কার হবে না, রোগীকে বাথরুম, টয়লেটে নেয়ার আর কোন অবলম্বন পাওয়া যাবে না। রোগীকে ওষুধ খাওয়ানো থেকে রোগীর সার্বিক তত্ত্বাবধান এই আয়াদের সহায়তায় সম্ভব হয়। এমন সার্ভিসের জন্য আয়াদের অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থের চাহিদা পূরণ সম্ভব না হলে অনেক সময় অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে। এদের সহায়তায় নবপ্রসূত বাচ্চা চুরিও হয়।

চাহিদা পূরণ না হলে জোরপূর্বক টাকা আদায় করে থাকে এই আয়ারা। প্রতিবাদ করলে এরা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে; কারণ নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী না হলেও এদের অবস্থান হাসপাতাল প্রশাসন ভালো করেই জানে। তাই নালিশ করে কোন লাভ হয় না। এদের সঙ্গে আবার হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকে। এই আয়াদের অবস্থানের কারণে কর্মচারীদের নেতা, ওয়ার্ড বয়দের দুটি লাভ—এক, নেতাদের দায়িত্ব পালনের প্রয়োজন হয় না, আয়ারা করে দেয়। অর্পিত দায়িত্ব পালন না করেও এরা নেতা মাস শেষে বেতন পেয়ে যায়। দুই, আয়াদের আয় থেকে কমিশন প্রাপ্তি। এ সব অনিয়মের দায়ও চিকিৎসকদের উপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বর্তায়, কারণ রোগী ও রোগীর স্বজনেরা মনে করে হাসপাতালের একমাত্র কর্তৃপক্ষ চিকিৎসক; সেটা অধিকাংশ সময়ই ঠিক নয়।

আগেও একবার বলেছি যে, সরকারি-বেসরকারি নির্বিশেষে হাসপাতাল, ক্লিনিকগুলোতে প্রায়ই এমনসব অনাকাঙ্ক্ষিত, দায়িত্বজ্ঞানহীন ঘটনা ঘটে যার জন্য আমাদের দেশের রোগী ও আত্মীয়-স্বজনদের আস্থা পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর নষ্ট হয়ে যায়। বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে কোন বিরূপ তথ্য লেখার আগ্রহ ছিল না; কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক, বগুড়ার মহাব্যবস্থাপক থাকাকালীন এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমি ছিলাম এবং বিরাট এলাকাব্যাপী গড়ে উঠা নতুন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এই হাসপাতালের স্মৃতি এখনও আমার মনে ভেসে ওঠে। কিন্তু কয়েক মাস পূর্বে ‘সংবাদ’ পত্রিকায় দেখলাম, এই হাসপাতালের ইন্টার্ন ডাক্তারগণ রোগীর দুজন স্বজনকে রুমে আটক করে পিটিয়েছেন। সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধা রোগীর ব্লাড-ব্যাগের রক্ত শেষ হলে তা খুলে ফেলতে রোগীর নাতি শান্ত ওয়ার্ডে ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে বলে আসে। কিন্তু ডাক্তার না আসাতে শান্ত আবার গেলে একজন ইন্টার্ন ডাক্তার তার কলার চেপে ধরে; শান্তর বাবা প্রতিবাদ করলে দুজনকে রুমে নিয়ে ইন্টার্ন ডাক্তারেরা পেটায়। ইন্টার্ন ডাক্তারদের এ ব্যাপারে বক্তব্য হচ্ছে, ইন্টার্ন ডাক্তারের সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় সাধারণ লোকেরা তাদের মেরেছে। ডাক্তারকে শান্তর ‘সম্বোধন’ নিয়ে সমস্যার উদ্ভব। ইন্টার্ন ডাক্তারেরা সত্য বলছে বলে মনে হয় না; সাধারণ লোক মানে অন্যান্য রোগীর স্বজনেরা রোগীর আরেক স্বজনকে উৎসাহী হয়ে মারার কথা নয়। দ্বিতীয়ত, সম্বোধন হয়তো করা হয়েছে, ‘ভাই’, ‘চাচা’, ‘মামা’—কিন্তু ‘স্যার’ বলা হয়নি। ডাক্তারদের ‘স্যার’ সম্বোধন শুনার আগ্রহ এত বেশী কেন? পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে বড় কর্মকর্তা, ছোট কর্মকর্তা নির্বিশেষে একজন আরেকজনকে নাম ধরে সম্বোধন করে থাকে। ১৯৮৯ সনে মালয়েশীয়াতেও একজন শিক্ষানবিস কর্মকর্তাকে ডেপুটি গভর্নরের নাম ধরে সম্বোধন করতে শুনেছি। চিকিৎসকদের পেশা তো রোগীর ফি দিয়ে কেনা; তাই তাদের আচরণে পেশাধারী মনোভাব থাকা বাঞ্ছনীয়।

বাংলাদেশের চিকিৎসা ও নিম্নমানের ওষুধ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আল্লাহ মালিক কাজেমির নিকট সম্ভবত চীন দেশের একটি প্রচলিত কথা শুনেছি। একই গল্প আজ ফোনে শুনালেন আরেকজন সাবেক ডেপুটি গভর্নর মোহাম্মদ আবুল কাশেম। ব্যঙ্গাত্মক কথাটি হচ্ছে, ‘রোগ হলে রোগীকে চিকিৎসা করাতে হবে, চিকিৎসা না করালে চিকিৎসক বাঁচবে কী করে; চিকিৎসক ওষুধের যে ব্যবস্থাপত্র দেবে তদনুযায়ী ওষুধও কিনতে হবে, ওষুধ না কিনলে ফার্মেসি ও ওষুধ কোম্পানিগুলো বাঁচবে কীভাবে; রোগীকেও ওষুধ এবং ব্যবস্থাপত্র ডাস্টবিনে ফেলে দিতে হবে, কারণ রোগীকেও বাঁচতে হবে’।

zeauddinahmed@gmail.com

[লেখক: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]

ঢাকা, রবিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮