আজ (রবিবার, ০৭ জানুয়ারী ২০১৮) দৈনিক সংবাদের উপসম্পাদকীয় বিভাগে প্রকাশিত আমার কলাম।
ফতোয়াবাজির যূপকাষ্ঠে বলি
জিয়াউদ্দীন আহমেদ
বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে ঠাকুরগাঁও জেলায় মৌসুমী নামে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে তারই দেবরের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ এনে গ্রাম্য সালিশ বসিয়ে ১০১ ঘা দোররা দেওয়া হলে পরদিন মৌসুমীর মৃত্যু হয়। মৌসুমীর বড় বোনের কথা অনুযায়ী যৌতুকের দাবি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মারপিট করা হয়। দোররা মারাটা এখানে সিনেমার দৃশ্যায়নের মতো মনে হয়। সিনেমায় দেখেছি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অসুস্থ আসামিকে চিকিৎসা করে সুস্থ করার পর ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। এখানেও দোররা মারার সময় মৌসুমী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জ্ঞান ফিরে আসার জন্য সালিশ অপেক্ষা করেছে; জ্ঞান ফিরে এলেই আবার চলে দোররার শারীরিক নির্যাতন। তবে দোররা মারার পূর্বে মৌসুমীকে তওবাও পড়ানো হয়।
আমি আমাদের গ্রামের জিএম হাট হাইস্কুলে লেখাপড়া করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন ছুটি পেলেই চলে যেতাম গ্রামের বাড়ি ফেনীতে। আমার বাবা ১৯২০ সনে এন্ট্রান্স পাস করে ১৯২৬ সনে এলাকায় গঙ্গাধর মজুমদারদের দেওয়া জায়গায় একটি এমই বা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্রতিষ্ঠা করে ঐ স্কুলেই শিক্ষকতা করেন। তিনি ইউনিয়ন বোর্ডের মেম্বার, চেয়ারম্যান ছিলেন বলে এলাকায় প্রচুর সালিশ-ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তখন আমরা বৃহত্তর নোয়াখালীর লোক; নোয়াখালীর লোকেরাই দেশের প্রতিটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকদের পবিত্র কোরআন পড়া শিখিয়েছে বলে অগণিত লোকের কাছে শুনেছি। এতে সবাই মনে করে, নোয়াখালী মোল্লা-মৌলভীতে ভর্তি। কিন্তু এত মোল্লা-মৌলভী থাকা সত্ত্বেও ফতোয়াবাজির ঘটনা আমাদের এলাকায় কখনো দেখিনি। আমার বাবা মোক্তারি পড়েছিলেন বলে প্রতিদিন প্রচুর লোকজন বিভিন্ন শলা-পরামর্শের জন্য আমাদের বাড়ি আসতেন। কমপক্ষে পান খাইয়ে আপ্যায়ন করার দায়িত্ব আমার ওপর ছিল বলে বহু বছর আমি গ্রাম্য সালিশের কথা-বার্তা শুনেছি। ভূত তাড়ানোর জন্য নারীদের ঝাড়ু দিয়ে পেটাতে দেখলেও ফতোয়া দিয়ে ১০১ দোররা মারার ঘটনা আমাদের এলাকায় কখনো দেখেনি। তবে গ্রাম সম্পর্কে আমার এক বয়োবৃদ্ধা ফুফুকে গ্রাম্য সালিশে এক হুজুরের আক্রোশে আমাদের বাড়ির এক কাকার পেটানোর কথা শুনেছি। ফুফুর দুই ছেলে ১৯৪৭ সনের পরও ভারতে চাকরি করতেন বলে ফুফু একা একা ভারত চলে যেতেন; কেউ তার সঙ্গে থাকতো না বলে তাকে সংসারের সব কাজ একা একা করতে হতো। তার বিরুদ্ধে তার স্বাধীন চলাফেরার জন্য সালিশ ডাকা হলে সালিশের লোকদের সঙ্গে তাকেই কথা বলতে হয়েছিল। তার যুক্তি খণ্ডাতে না পেরে আক্রোশের বশবর্তী হয়ে একই বাড়ির হুজুর নির্দেশ দিলেন, ‘মহিলা হয়ে সালিশের পুরুষদের সঙ্গে তর্কাতর্কি করে এই মহিলা গুনাহ করেছে, তাকে পেটাও’। তখন ফুফু সত্তরোর্ধ্ব প্রবীণ। তাই পেটানোর সময় বাধা দেওয়ার ক্ষমতা তার ছিল না। বয়সের কারণে আমার বাবা তখন আর সালিশে যেতেন না। এই নির্যাতনের দুঃসহ স্মৃতি আমি এখনও বহন করে যাচ্ছি; কারণ আমার ছোটকালে এই ফুফুর সঙ্গে আমি প্রথম ট্রেনে চড়েছি।
নারীদের উপর নির্যাতনে গ্রামে মোল্লা নামধারী সালিশদারদের একটি বড় হাতিয়ার হলো ফতোয়াবাজি। ধর্মকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের ওপর কর্তৃত্ব ফলানো, মাতব্বরি করা এবং স্বার্থ হাসিলের এই হাতিয়ারটির ব্যবহার কোনভাবেই রোধ করা যাচ্ছে না। যুগ যুগ ধরে ফতোয়াবাজির আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে বহু নারী-পুরুষ। তবে এসব ক্ষেত্রে নারীদের প্রতি মোল্লাদের আক্রোশ বেশি। একটু অতীতে গেলেই আমরা দেখি, মাওলানাদের ফতোয়াবাজির শিকার হয়ে দোররার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছে কুমিল্লার এক তরুণীকে। মেয়েটির অপরাধ তিনি সন্তানকে পিতৃপরিচয় দিতে গিয়ে যার নাম বলেছিলেন সে পবিত্র কোরআন স্পর্শ করে তা অস্বীকার করে। ফলে মিথ্যাবাদী হয়ে তরুণীকে দোররা খেতে হলো। তরুণীটির বাবা বলেন, ‘বাবারে আমার বুকটা ফাইট্টা যাইতেছিল। আমি মাইয়াডারে ধইরা রাখছিলাম, আর শহীদ্যায় দোররা মারতাছিল। মাইয়া আমার চিক্কুর পাড়ে, আমিও চিক্কুর পাইড়া আল্লার কাছে বিচার চাই’। শরিয়তপুরের ১৪ বছরের এক দরিদ্র কিশোরী হেনা চাচাতো ভাই কর্তৃক ধর্ষিত হওয়ার পর মাদ্রাসার শিক্ষক ও মসজিদের ইমামের সালিশে তার উপর ১০১টি দোররা মারার ফতোয়া কার্যকর করার শেষ পর্যায়ে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হলে ওখানে সে মারা যায়। উত্থাপিত অভিযোগের কোন প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও তালেবান আমলে ফারখুন্দা নামের এক আফগান মেয়েকে কোরআন শরিফ পোড়ানোর অভিযোগে প্রথমে প্রকাশ্যে পিটিয়ে, পরে শরীরে আগুন ধরিয়ে কাবুল নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
ইরানে মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে একটি মেয়েকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয়েছিল। এ ধরনের অসংখ্য ঘটনা দেশের আনাচে-কানাচে সংঘটিত হয়েছে এবং হচ্ছে।
আমাদের নবী করিম (সা.)-এর আমল থেকেই ফতোয়া দেওয়া হচ্ছে। তাই ধর্মের দৃষ্টিতে ফতোয়া দেওয়া অপরাধ নয়; কিন্তু ব্যক্তি পর্যায়ে বা সালিশের কর্তৃত্বে শাস্তিমূলক ফতোয়া কার্যকর করাই অপরাধ। ভারতের দারুল উলুম মাদ্রাসা থেকে ফতোয়া জারি করা জায়েজ। এই মাদ্রাসা থেকে এই মর্মে ফতোয়া দেওয়া হয়েছে যে, মুসলিম নারীদের ঘরের বাইরে গিয়ে যে কোন সরকারি-বেসরকারি চাকরি করা হারাম। এই প্রতিষ্ঠানের মোহতামিম বা উপাচার্য মুফতি আবদুল কাসিম নোমানি আলোকচিত্র বা ছবি তোলাকে নাজায়েজ ও পাপ বলে ফতোয়া দিয়েছেন। ফতোয়ায় তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মৃতি হিসেবে রাখার জন্য ছবি তোলা, বিয়ে বা অন্যান্য অনুষ্ঠান ভিডিও করার অনুমতি দেয় না ইসলাম। সৌদি আরবের হজের দৃশ্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের বিপক্ষে বলতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘তারা (সৌদি আরব) যা করে তার সবকিছুই সঠিক নয়।’ মেয়েদের চুল কাটা, ভ্রূ প্লাক করা, বিউটি পার্লারে যাওয়া ইসলামে নিষিদ্ধ বলেও এই মাদ্রাসা থেকে ফতোয়া দেওয়া হয়েছে।
চেয়ারে বসে নামাজ আদায়ের কোন বৈধতা নেই মর্মে ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে ফতোয়া দেওয়ার পর এটা নিয়ে দ্বিমত প্রকাশ করেছেন অনেকে। দাবা খেলা হারাম বলে ফতোয়া দিলেন সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা গ্র্যান্ড মুফতি শেইখ আবদুল আজিজ বিন-আবদুল্লাহ আল-শেইখ। মাওলানা আবদুর রাজ্জাক তো সব খেলাকেই নাজায়েজ বলে ফতোয়া দিয়েছেন। পিস টিভিতে এই মাওলানা প্রায় প্রতিদিন ওয়াজ করতেন। তার এক ওয়াজে তিনি কবর বা শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া, ১ বৈশাখ, ১৬ ডিসেম্বর, ২৫ মার্চ, জন্মদিবস, মৃত্যুদিবস পালনকে শিরক বলে ঘোষণা দিয়েছেন। আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম, হাটহাজারী, চট্টগ্রামের ফতোয়া বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, শরিয়তের আলোকে গান গাওয়া সর্বদা হারাম ও নাজায়েজ। ইসলামের দৃষ্টিকোণে নাটক করা নাজায়েজ ও হারাম। তবে বাদ্যযন্ত্রহীন ও পুরুষদের মজলিসে নারী কণ্ঠ না থাকলে বা গানের বিষয়বস্তু অশ্লীল না হলে গজল বা হামদ্-নাত ইত্যাদি ইসলামিক গান গাওয়া যাবে। কিন্তু কোন ইসলামিক গান বা গজলকে ভিডিও করে সম্প্রচার করা নাজায়েজ।
বিষাদ-সিন্ধুর লেখক মীর মশাররফ হোসেন ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‘কাফের’ বলে ফতোয়া দেওয়ার কাহিনী আমরা জানি। এ ব্যাপারে নজরুল বলেন, ‘আমায় মুসলমান সমাজ কাফের খেতাবে যে শিরোপা দিয়েছে, তা আমি মাথা পেতে গ্রহণ করেছি। ...তবে আমার লজ্জা হয়েছে এই ভেবে, কাফের-আখ্যায় বিভূষিত হবার মতোন বড় তো আমি হইনি। অথচ হাফেজ, খৈয়াম, মনসুর প্রভৃতি মহাপুরুষদের সঙ্গে কাফেরের পঙ্ক্তিতে উঠে গেলাম’।
২০০১ সনে হাইকোর্ট ফতোয়াকে অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করেছে। কেউ ফতোয়া দিলে তা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে মর্মেও রায়ে উল্লেখ করা হয়। ২০১১ সালে রংপুরে এক গ্রাম সালিশে দুই গৃহবধূকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করায় একজন মা শিশুসন্তানসহ ট্রেনের নিচে আত্মহত্যা করেন। এছাড়া ২০১০ সনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক কিশোরীকে দোররা মারা এবং এক তরুণীকে ১০১ ঘা দোররা মারার ঘটনায় রুজু করা রিটে রুলের ওপর শুনানি শেষে ২০১০ সনে হাইকোর্ট রায়ে ফতোয়ার নামে বিচারবহির্ভূত কার্যক্রম ও শাস্তিকে অবৈধ ঘোষণা করে শাস্তি ঘোষণাকারীকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করতে বলা হয়েছে।
আমাদের গ্রামাঞ্চলে ফতোয়াবাজি শুধু বিয়ে, তালাক, জেনা, ব্যভিচার, নাটক, নাচ, গানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ইসলামিক পণ্ডিতদের মতে, নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি যে কোন বিষয়ে কারো প্রশ্নের জবাবে দলিল, প্রমাণের ভিত্তিতে শরিয়ার বিধানের বর্ণনাই ফতোয়া। তাই যে কেউ ইচ্ছে করলেই ফতোয়া দিতে পারে না। যদিও মোঘল সম্রাট আলমগীর সমসাময়িক আলেমদের নিয়ে ‘ফতোয়া-ই-আলমগীরী’ নামে একটি বই লিখে তা প্রজাদের দমনে প্রয়োগ করেছিলেন বলে জানা যায়। অথচ সুনানে দারিমিতে বলা হয়েছে, ‘যে ফতোয়া প্রদানে দুঃসাহস দেখান সে যেন জাহান্নামে প্রবেশের দুঃসাহস দেখাচ্ছেন’। সব সাহাবী কিন্তু ফতোয়া দিতেন না; মাত্র ১২০ জন সাহাবী ফতোয়া প্রদান করতেন। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিটি জিজ্ঞাসার জবাব দেয় সে পাগল’। খতিব আল বাগদাদী বলেছেন, ‘তারাই ফতোয়া প্রদানে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী যাদের জ্ঞান কম’। সাহাবাদের যুগে ফতোয়ার ভিত্তি ছিল কোরআন, সুন্নাহ, ইজমা এবং কিয়াস।
আপিল আদালতের রায়ে ফতোয়াকে নিষিদ্ধ না করলেও এর মাধ্যমে কাউকে শারীরিক বা মানসিক কোন শাস্তি দেয়াকে দণ্ডযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রায়ের পূর্বে আদালত এমিকাস কিউরি হিসেবে যাদের মতামত নিয়েছে তাদের মধ্যে ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি মিজানুর রহমান আদালতে বলেন যে, দণ্ডবিধির প্রয়োগ করা এবং শাস্তির বিধান করা প্রশাসনের কাজ; এ কাজ মুফতিদের নয়। অধ্যক্ষ রুহুল আমিন বলেছেন, ‘এখন গ্রামাঞ্চলে যা চলছে সেটি ফতোয়া নয়; কারণ কাউকে দোররা মারা, হাত কেটে দেওয়া এগুলো ফতোয়ার মধ্যে পড়ে না’।
এদেশের মুসলমান ধর্মপ্রাণ হলেও অধিকাংশ গ্রামের লোক বাংলা তর্জমাসহ ধর্মীয় বইগুলো পড়ার অভ্যাস করেনি। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, অশিক্ষিত মোল্লা-মৌলভীরা গ্রামে ফতোয়াবাজির একচেটিয়া রাজত্ব কায়েম করেছে। একজন বা দুজন জ্ঞানী লোকের ওখানে কোন ঠাঁই নেই। ধর্মপ্রাণ বলে ধর্মের কথায় গ্রামের সব সংস্কারাবদ্ধ লোক
মোল্লাদের পক্ষে একাট্টা। স্বার্থসিদ্ধির নিমিত্তে, ইজ্জত, প্রতিপত্তি জাহিরের বদ উদ্দেশ্যে এরা দেশে ফতোয়াবাজি
টিকিয়ে রেখেছে; গণতান্ত্রিক ভোটের কারণে এই ফতোয়াবাজির আরও বহু যুগ টিকে থাকার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ কোন দলীয় নেতা ভোট হারাতে চায় না। স্থানীয় নেতাদের প্রশ্রয়ে এদের দৌরাত্ম্য বাধাহীন। আদালতের এমিকাস কিউরি মুফতি মিজানুর রহমান যথার্থভাবে বলেছেন, ‘ইসলাম বিষয়ে যথাযথ পাণ্ডিত্য না থাকা সত্ত্বেও কেউ যদি ফতোয়া দেয় তাহলে তা ফতোয়া না হয়ে হবে ফতোয়াবাজি’। মুশকিল হচ্ছে, কার পাণ্ডিত্য আছে আর কার নেই তা উপলব্ধি করার ক্ষমতা সাধারণ জনগণের থাকলে এত বিপত্তি হতো না।
zeauddinahmed@gmail.com
[লেখক: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]