দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত আমার আজকের (রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮) কলাম।

বিদ্যুৎ সভ্যতার মাপকাঠি

জিয়াউদ্দীন আহমেদ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদে বলেছেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের দুই মেয়াদে এ পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৮১৯ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৮৮ বিদ্যুৎকেন্দ্র বাণিজ্যিকভাবে চালু আছে। তিনি আরও বলেন, উক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়াও ১৩ হাজার ৮১৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৪৫টি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে একটা বিপ্লব সৃষ্টি করতে পারাই বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য। প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের এই মাহেন্দ্রক্ষণে চলৎশক্তির প্রধান উপকরণ হচ্ছে বিদ্যুৎ। সভ্যতার বিকাশে বিদ্যুৎ ছাড়া জীবন অচল। ব্যাংকের কাছে লগ্নির জন্য উদ্বৃত্ত টাকা থাকা সত্ত্বেও শুধু অবকাঠামোর পর্যাপ্ত সহায়তা না থাকায় এক সময় শিল্পে বিনিয়োগ প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল।

১৯০১ সনে সর্বপ্রথম ঢাকার রাস্তায় বিদ্যুতের বাতি জ্বলে। ১৯৪৭ সনে ব্রিটিশরা যখন ভারতবর্ষ ত্যাগ করে তখন সারা পূর্ব পাকিস্তানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো মাত্র ২১ মেগাওয়াট। স্বাধীন বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতটি বেশি অবহেলিত ছিল বিএনপির শাসনামল ২০০১ থেকে ২০০৬ সন পর্যন্ত। এই ৫ বছরে মাত্র ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সংযোজন হয়। তখন লোডশেডিং-এর প্রকোপে মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। ওই সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে বিদ্যুতের জন্য মানুষ জীবন দিয়েছে। ঢাকা শহরের শনিরআখড়ায় পানি ও বিদ্যুতের জন্য মানুষের বিক্ষোভের মারমুখী অবস্থানে সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদকে দৌড়ে পালাতে হয়েছে।

এই অসহনীয় অবস্থা থেকে দেশবাসীকে পরিত্রাণ দেওয়ার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সনে ক্ষমতায় এসেই কুইক রেন্টাল কেন্দ্র থেকে দ্রুত বিদ্যুৎ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধান করে। জনগণকে বিএনপির আমলে রেখে যাওয়া লোডশেডিংয়ের ভয়াবহ দুর্যোগ থেকে তাৎক্ষণিক রক্ষা করতে ব্যয়বহুল কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যতীত অন্য কোন পথ খোলা ছিল না। লোডশেডিংয়ের দুর্যোগ থেকে কিছুটা রেহাই দিয়েই আওয়ামী লীগ সরকার তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপন শুরু করে।

হিসাবায়নে কিছুটা হেরফের মনে হলেও আওয়ামী লীগের ২০০৯ সনে ক্ষমতায় আসার পূর্ব মুহূর্তে ৪৯৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার বিপরীতে প্রকৃত বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো ৩ হাজার ২৬৮ মেগাওয়াট। বর্তমান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর সংসদে উল্লেখিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঘোষিত উৎপাদন ক্ষমতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কোনকালেই হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না। কারণ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর নানা সমস্যা ছাড়াও সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের ত্রুটির কারণেও উৎপাদিত সব বিদ্যুৎ গ্রাহকের কাছে পৌঁছায় না। অন্যদিকে কিছু চোরা লাইন ও চোরা হিসাব তো আছেই। যে বিদ্যুতের হিসাব পাওয়া যায় না তা ‘সিস্টেম লস’ হিসেবে হালাল হয়ে যায়। সঞ্চালন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং জ্বালানি গ্যাস সংকটের কারণে অনেক সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয় না বলে মাঝে মাঝে লোডশেডিংও এখনও হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে অন্যতম সংকট হচ্ছে জ্বালানি। পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত রয়েছে মনে করে প্রাথমিক পর্যায়ে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হলেও এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনে শুধু গ্যাসকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ আর নেই। এক সময় ভাবা হতো বাংলাদেশ গ্যাসের উপর ভাসছে; কিন্তু বাস্তবতা কল্পনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ প্রতীয়মান হচ্ছে না। মনে হচ্ছে, দেশে গ্যাসের মজুত ক্রমান্বয়ে ফুরিয়ে আসছে। সাগরের তলদেশ বা অন্যত্র নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের সম্ভাবনার উপর দাঁড়িয়ে সরকারের পক্ষে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন অবিবেচনাপ্রসূত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পরিবেশ দূষণে কয়লার ভূমিকা থাকায় কয়লাকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারে বিশ্বব্যাপী একটা প্রতিবাদ রয়েছে। আমাদের দেশেও কিছু বিশেষজ্ঞের অভিমত হচ্ছে, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ যেখানে জলবায়ু দূষণের অন্যতম অনুষঙ্গ বিবেচনা করে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট পরিত্যাগ করছে সেখানে বর্তমান সরকার কয়লানির্ভর বৈদ্যুতিক প্ল্যান্ট গড়ে তুলছে। এক্ষেত্রে সরকার বলছে, সাশ্রয়ী মূল্যে পর্যাপ্ত ভিন্নতর উৎস না থাকায় এখনও কয়লা বিভিন্ন দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর অন্যতম প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও বলেছেন, জ্বালানি চাহিদা মেটানোর জন্য জীবাশ্মের চেয়ে ভালো কোন বিকল্প নেই। তাই সরকার কয়েকটি বৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে কয়লা আমদানি করে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের দেশে যে ৫টি কয়লাখনি রয়েছে সেগুলো থেকে কয়লা উত্তোলন করা হলে তা দিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। কিন্তু কয়লা উত্তোলনের প্রক্রিয়া-পদ্ধতি নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও মতবিরোধ থাকায় এবং সর্বজনগ্রাহ্য একটি উত্তোলন-পদ্ধতি উদ্ভাবনের প্রত্যাশায় দেশের কয়লা উত্তোলন স্থগিত রাখা হয়েছে।

অদ্যাবধি দেশের সর্বোচ্চ ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার একক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি হচ্ছে মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্র। বর্তমান সরকার এর চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করছে। কয়লানির্ভর রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পটি থেকে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি সুন্দরবন থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে হওয়া সত্ত্বেও অনেক বিশেষজ্ঞ সুন্দরবনের ক্ষতি হবে বিবেচনায় এই বিদ্যুৎ প্ল্যান্টটির বিরোধিতা করছেন। তবে সরকার দৃঢ়ভাবে বলে আসছে যে, এই প্রকল্পের কারণে সুন্দরবনের কোন ক্ষতি হবে না। বর্তমান সরকারের আমলে পটুয়াখালীর পায়রায় নির্মাণাধীন ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের সবচেয়ে বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে ২০১৯ সন থেকে।

এছাড়াও বর্তমান সরকারের গৃহীত পরিকল্পনায় ৫ বছরের মধ্যে পায়রা বিদ্যুৎ হাব থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।

গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে নিউক্লিয়ার এনার্জি ব্যবহারের পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন শুরু করে দিয়েছে। আর্থিক, কারিগরি ও পরিবেশগত সুবিধাদির বিবেচনায় পারমাণবিক প্রযুক্তির উৎকর্ষ অনস্বীকার্য। এছাড়াও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানি তেল, গ্যাসের মজুত দ্রুত হ্রাস পাওয়ার প্রেক্ষিতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রাপ্তিকে নির্ভরযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। নির্ধারিত ২০২৩ সন থেকে ক্রমান্বয়ে ২ হাজার ৪ শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রাপ্তির প্রত্যাশায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে এখন প্রতিদিন দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে ১০০০ লোক কাজ করছে। ১৯৬১ সনে প্রকল্পটির প্রস্তাব করা হলেও কিছু জমি বরাদ্দ করা ব্যতীত পাকিস্তান আমলে আর কোন কাজই হয়নি; অথচ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি আমাদের স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত রেখে ঘটা করে পড়ানো হতো।

রাশিয়ার চেরনোবিল ও জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অনেকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না থাকায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরোধিতা করছেন। সরকারের যুক্তি হচ্ছে, রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের সহ্যক্ষমতা রয়েছে সর্বশেষ এই মডেলটির। এছাড়াও যে কোন বিমান হামলা থেকেও এই মডেলটি সুরক্ষিত থাকবে। বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের মতে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে স্থাপিত রিঅ্যাক্টর ভবনটি একটি শক্তিশালী আবরণের মধ্যে আবৃত থাকবে বিধায় কোন দুর্ঘটনা হলেও ওই আবরণের বাইরে তেজস্ক্রিয়তা যেতে পারবে না। অন্যদিকে রিঅ্যাক্টরের নিচে ‘কোর ক্যাচার’ নামে একটি পদ্ধতি যুক্ত থাকবে বলে দুর্ঘটনায় রিঅ্যাক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই গলিত বস্তু ওই কোর ক্যাচারের মধ্যে চলে যাবে। ফলে সেখান থেকেও কোন তেজস্ক্রিয়তা পরিবেশে ছড়িয়ে পড়তে পারবে না। বর্তমানে পৃথিবীর ৩১টি দেশে ৪৩৭টি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ৩২তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত হলো।

কয়লাভিত্তিক এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরোধিতাকারীদের অভিমত হচ্ছে, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, কয়লা পরিবেশ দূষণে সহায়ক। এক্ষেত্রে নবায়নযোগ্য শক্তির সহায়তায় পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনে মনোযোগী হওয়া শ্রেয়তর। কিন্তু বাংলাদেশে বায়ু বিদ্যুতের সম্ভাবনা সৌরবিদ্যুতের চেয়েও কম। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত গতির বাতাস সব জায়গায় নেই। কুতুবদিয়ায় বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রচেষ্টা নিয়েও সফল হওয়া সম্ভব হয়নি। বর্জ্য থেকে বায়ো-গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপযুক্ত, সাশ্রয়ী ও গ্রহণযোগ্য প্রযুক্তি এখনও বাজারে আসেনি। তবুও কেরানীগঞ্জে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি পাইলট প্রকল্প শিগগিরই চালু করা হবে মর্মে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন। সৌরবিদ্যুতের প্যানেল প্রযুক্তিও এখনও সর্বত্র উপযোগী প্রমাণিত হয়নি। একজনের লেখা থেকে জানা যায়, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রূপপুরের যতটা জায়গা ব্যবহার করা হবে, ততটা জায়গায় সৌরবিদ্যুৎ করলে মাত্র আট মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে।

বাংলাদেশ হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ; এখানে বিরানভূমির বড়ই অভাব। একদিকে ঘন জনবসতির রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে প্রতিবাদ, অন্যদিকে রামপালে নির্জন বনভূমি সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা। সরকার যাবে কই? ছোট্ট একটি দেশ, ১৬ কোটি লোকের বাস; এক সময় বসতিঘর করারও জায়গা পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ। একদিকে শিল্প-কারখানা ও অবকাঠামো নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত জমি নেই, অন্যদিকে দ্রুতগতিতে উন্নয়ন চাই।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাযজ্ঞ চললেও বিদ্যুতের কাঠামোগত দক্ষতা সূচকে বিশ্বের ১২৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখনও ১০৪তম। বাংলাদেশে বাড়ছে জনসংখ্যা, বাড়ছে অর্থনীতির আকার, বাড়ছে বিদ্যুৎনির্ভর কৃষি ও শিল্প। বিদ্যুৎ দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি অন্যতম সঞ্চালক ব্যবস্থা। বিদ্যুতের ভবিষ্যৎ ব্যবহার বিবেচনায় নতুন নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা সরকার যথার্থভাবেই উপলব্ধি করতে পেরেছে।

[লেখক: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]

zeauddinahmed@gmail.com