বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের পঞ্চম আসরে উদ্বোধনী পর্বে অংশগ্রহণ করেছে সৌদি ললনা সোফিয়া। মানবী না হলেও মানুষের মতোই তার আচার-আচরণ এবং কথাবার্তা। তার হাসি নিয়ে এখনো কেউ মোনালিসার হাসির মতো গবেষণা করেনি সত্য কিন্তু যারা বিভিন্ন মিডিয়ায় তার সাক্ষাৎকার দেখেছেন তারা তার হাসিতে মুগ্ধ বলে আমার ধারণা। সোফিয়া কাঁদতে পারে না। অভিব্যক্তি প্রকাশে অঙ্গভঙ্গির দোলাচল মানুষের মতোই। সৌদি নাগরিকত্ব পাওয়া বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবট মানবীকে ‘গোল্ড মেম্বারশিপ’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ বিমান। সোফিয়ার বাংলাদেশ ভ্রমণের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড।
মানুষের চেহারা নিয়ে আবির্ভূত এই সোফিয়া পোশাক-পরিচ্ছদে কেতাদুরস্ত। কথোপকথনের সময় সে প্রতিপক্ষের চোখের উপর চোখ রেখে নিজের আবেগ প্রকাশ করতে সক্ষম। সিলিকনের তৈরি ত্বকে লাবণ্য ও কমনীয়তা দুটোই আছে। নমনীয় ত্বকে ভাঁজ পড়ে বলে সোফিয়াকে কখনো লাস্যময়ী, আবার কখনো গভীর চিন্তাশীল মনে হয়েছে। হলিউডের নায়িকা হেপবার্নের চেহারা আর নিজ সিদ্ধান্তে সাবলীল কথাবার্তা বলার মানবীয় গুণে গুণান্বিত সোফিয়া ইতোমধ্যে সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অবসরে সোফিয়া নিজ সিদ্ধান্তে নাকি সিনেমা চালিয়ে উপভোগও করেছে। এই যান্ত্রিক মানবী এখন সন্তান জন্ম দিয়ে পরিবার গঠন করতে চায়। এক সময় মরুবাসী যে সৌদিরা মেয়ে শিশুকে জীবন্ত কবর দিত সেই সৌদি ললনা আবার মেয়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার বাসনা পোষণ করেছে। কবি সুকান্তের মতো সোফিয়া পৃথিবীকে বাসযোগ্য করতে চায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সে সুন্দর দালানের নকশা করতে চায়, সমৃদ্ধ নগর বানাতে চায় এবং মানুষের জীবনকে আরো উন্নত করতে চায়। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে সোফিয়া নাকি ধীরে ধীরে আরও পারদর্শী হয়ে উঠবে।
সম্ভবত সৌদি ললনা বলেই সোফিয়ার কদর মুসলিম বিশ্বে বেড়েছে; অবশ্য সৌদি আরবের শত্রু ইরানের এ ব্যাপারে কোন মতামত এখনো দেখিনি। অনেকে আক্ষেপ করে বলছে, যে দেশে একনাগাড়ে বিশ বছর বসবাস করেও নাগরিকত্ব পাওয়া যায় না সেই দেশে পদার্পণ করেই সোফিয়া নাগরিক হয়ে গেল। সৌদি আরবে কর্মরত পনের লক্ষ বাঙালির কেউ নাগরিকত্ব পেয়েছে কি না জানি না। না পেলে সোফিয়ার প্রতি পনের লক্ষ বাঙালির নিশ্চয়ই ঈর্ষা হচ্ছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাক্ষাৎকারের পর সাক্ষাৎকার দিয়ে যাচ্ছে সোফিয়া। কনসার্টে গান করে দর্শক মাতিয়ে সুনাম কুড়িয়েছে সে। আবার একজন মডেল হিসেবেও একটি ফ্যাশন পত্রিকার প্রচ্ছদে স্থান করে নিয়েছে। সোফিয়ার এ সকল আচরণ নাকি আগে থেকে শেখানো নয় বা নির্ধারিত প্রোগ্রামেও সোফিয়া চলে না। কম্পিউটারের ধারণা হচ্ছে, কম্পিউটারকে প্রোগ্রামিং-এর মাধ্যমে যে ইন্সট্রাকশন দেওয়া হয় তার বাহিরে নিজ থেকে কিছু করতে পারে না। কারণ নিজ থেকে কিছু করতে হলে নিজস্ব কিছু বুদ্ধি লাগে। সোফিয়ার নাকি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা রয়েছে। এ কারণেই সোফিয়ার পক্ষে প্রশ্নের অনুগামী উত্তর দেওয়া সম্ভব হয়।
পৃথিবী বিজ্ঞানের নানাবিধ আবিষ্কারের কল্যাণে দ্রুত বদলাচ্ছে। সকালে ঘুম ভাঙার পর দাঁত ব্রাশ করা থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত বিজ্ঞানে অজস্র অবদান ব্যবহারে আমার অভ্যস্ত। ধর্মের আধিপত্য রোমের ভ্যাটিকান সিটিতে সীমাবদ্ধ করার পর ইউরোপ ধর্মযাজকদের অযাচিত হস্তক্ষেপ থেকে বিজ্ঞানকে বাঁচিয়ে মানবকল্যাণে তা ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে। ধর্মযাজকদের আগের সেই জৌলুশ থাকলে এতদিনে সোফিয়া ও তার হংকংস্থ নির্মাতা কোম্পানীকে পানিতে ডুবিয়ে মারতো। তখন ধর্ম এবং বিজ্ঞানের সম্পর্ক ছিলো সবসময়ই সাংঘর্ষিক। তখন ধর্মীয় যাজকদের হাতে শাসনক্ষমতা থাকায় সংঘর্ষে বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীরা রীতিমতো মার খেত। কোন বিজ্ঞানচর্চা বা বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ধর্মযাজকদের ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবা হলে অথবা সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি ও বোধশক্তির জাগরুক মনে করা হলে সংশ্লিষ্টদের পাগল, ডাইনী, নরকী ইত্যাদি অভিধায় অভিহিত করে মেরে ফেলা হয়েছে।
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের পড়ানো হয়, 'পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে'। বিজ্ঞানের এই সত্যটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বহু বিজ্ঞানীর প্রাণের বিনিময়ে। কারণ ধর্ম বলে পৃথিবী স্থির, সূর্য ঘুরছে। ধর্মের কথামতো পৃথিবী যে স্থির তার অকাট্য প্রমাণ হচ্ছে, মানুষ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে; পৃথিবী ঘুরলে তো আমরাই মাথা ঘুরে পড়ে যেতাম। তাই ধর্মের বিরুদ্ধ মতবাদে ধর্মযাজকদের ক্ষ্যাপার সমূহ কারণ ছিলো। তরুণী হাইপেশিয়া ছিলেন একজন দার্শনিক ও জ্যোতির্বিদ। পৃথিবী গোল না চ্যাপ্টা, পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, না সূর্য পৃথিবীকে কেন্দ্র করে— এসব ছাত্র, যুবকদের শেখানোর কারণে হাইপেশিয়া হয়ে গেলেন ডাইনী, পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয় জ্ঞানসাধক বিজ্ঞানী হাইপেশিয়াকে।
আরেক জ্যোতির্বিদ কোপারনিকাস বলে বসলেন, সূর্য স্থির পৃথিবী ঘুরছে। ইতালির জ্যোতির্বিদ, গণিতজ্ঞ ও পদার্থবিদ গ্যালিলিও গ্যালিলে তা শুধু সমর্থন নয় নিজে দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করে প্রমাণ করে দিলেন সূর্য নয় পৃথিবীই ঘুরছে। ধর্মীয় বিচারসভা তাকে প্রথমে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলেও বয়সের কথা বিবেচনা করে পরে তাঁকে গৃহবন্দী রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ফলে এই বিজ্ঞানীকে গৃহবন্দী অবস্থায় নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে কোপারনিকাসের এমন বক্তব্য পবিত্র গ্রন্থ বাইবেলের বিপক্ষে যায় মর্মে ১৬১২ সনে ফ্লোরেন্স গির্জার পাদরি ঘোষণা করেন। একই ধ্যানধারণা পোষণ করার কারণে জ্যোতির্বিজ্ঞানী ব্রুনোকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। আশ্চর্যের বিষয় হলো, যে মানবতাবাদী মার্টিন লুথার কিংকে নিয়ে আমরা গর্ব করে থাকি প্রটেষ্টান্টবাদী সেই লুথার কিংও কোপারনিকাসের তত্ত্ব প্রত্যাখ্যান করতে জনগণকে তাঁর বক্তৃতায় প্ররোচিত করেছিলেন। রোদ, বৃষ্টিতে আমরা ছাতা ছাড়া চলতে পারি না, কিন্তু ছাতা আবিষ্কারক নিজে তাঁর ছাতা মাথায় চলতে গিয়ে পথচারীর ঢিলের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন।
আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানের কোন আবিষ্কারই সহজে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। প্রতিপদে তখন ধর্মযাজকেরা ধর্মকে বিজ্ঞানের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়ে দিত। কারণ ধর্মযাজকদের ক্ষমতার উৎসই ছিলো ধর্ম। আমাদের দেশ এর ব্যতিক্রম নয়। পৃথিবী এগিয়ে গেলেও আমাদের দেশের সমাজের মানসগঠন দিনদিন পশ্চাৎগামী হচ্ছে। পাকিস্তান আমলে আমাদের গ্রাম এলাকায় নাটক, যাত্রার আয়োজন করা সম্ভব হতো, এখন সম্ভব নয়। কল্যাণ মিত্রের 'কুয়াশা কান্না' ও 'সাগর সেঁচা মানিক' নাটক দুইটি দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমাদের গ্রামের স্কুল মাঠে মঞ্চস্থ হয়। নাটকের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন আমার বাবা মরহুম আবদুর রশীদ মাস্টার। দুটো নাটকের মূল চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন আমার ইমিডিয়েট বড় ভাই যিনি এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুনির উদ্দিন আহমেদ। আমি নিজেও সাগর সেঁচা মানিক-এর একটি চরিত্রে অভিনয় করেছি। নায়িকার চরিত্রে কে অভিনয় করবে, কী পোশাকে অভিনয় করবে তা নির্ধারণে সৃষ্ট জটিলতার সমন্বয় সাধনে আপোষের স্বরূপটি জানাতে উক্ত দুটি নাটকের প্রসঙ্গ বিবেচ্য লেখায় এনেছি। নাটক মঞ্চায়নের দিন সকালে কয়েকজন এসে বললেন যে, কোন পুরুষকে শাড়ী পরানো যাবে না। তখন কিন্তু মেয়েরা মঞ্চে উঠে গান গাইতে পারলেও নাটকে অভিনয় করতে পারতো না। ফলে মেয়েলি আদলের একজন পুরুষকে নারীর অভিনয় করতে হতো। শেষ পর্যন্ত রফা হলো, চাদর দিয়ে ঢেকে সালোয়ার-কামিজ পরানো যাবে। এই আপোষের পরও নাটক চলাকালীন ঢিল মারা হয়েছে। আরেকটি বিপর্যয় ছিলো, অভিনয় চলাকালীন একজন অভিনেতা হঠাৎ মঞ্চ থেকে লাফ দিয়ে মঞ্চের সম্মুখে দর্শকদের মাড়িয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়; দেখা গেল অভিনেতার বাবা তাকে লাঠি নিয়ে তাড়াচ্ছে। এত বাধাবিপত্তি থাকা সত্ত্বেও তখন প্রতি বছর একটি নাটক আমাদের গ্রামের স্কুলের মাঠে মঞ্চস্থ হতো, এখন কিন্তু হয় না, হতে দেওয়া হয় না।
রোবট সোফিয়াকে দেখি বিভিন্ন সাজে সজ্জিত করে উপস্থাপন করা হচ্ছে। আমাদের 'কুয়াশা কান্না' নাটকের নায়িকার মতো পোশাক দেখে বিস্মিত হয়েছি; আমার কাছে বেশ সুন্দরী মনে হয়েছে। সোফিয়া নামটি কীভাবে নির্বাচিত হলো জানি না। তবে সৌদি আরবের নাগরিক হওয়ার কারণে তার আভিজাত্য প্রশ্নাতীত। এখনো আমাদের সমাজের অনেকে ভিক্ষা করলেও তাদের বংশধরেরা সৌদি আরব থেকে আগত বলে অহংকার করে থাকেন। যে দেশে নাটকের নায়িকার পোশাক সমাজপতিরা ঠিক করে দেয় সেই দেশে বিজ্ঞানকে সহজে গ্রহণ করার কথা নয়। তবে সৌদি নাগরিক সোফিয়ার বদৌলতে বিজ্ঞানের একটি আবিষ্কার দেশবাসীকে চমৎকৃত করেছে।
সৌদি নাগরিক হলেও সোফিয়ার চেহারার সাথে হুবহু মিল আছে হলিউড অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের সাথে। যারা 'রোমান হলিডে' সিনেমাটি দেখেছেন তারা হেপবার্নের অনবদ্য অভিনয়ও অবলোকন করেছেন। উইকিপিডিয়া মোতাবেক তিনি আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট কর্তৃক মার্কিন চলচ্চিত্র ইতিহাসের তৃতীয় সেরা নারী কিংবদন্তি হিসেবে স্বীকৃতি পান এবং আন্তর্জাতিক সেরা পোশাক পরিধানকারী তালিকা হল অফ ফেমেও স্থান পান। অনেকের মতে তিনি প্রকৃতিগতভাবে সর্বকালের অন্যতম সুন্দর নারী। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্স সোফিয়াকে সক্রিয় করে ২০১৫ সনের ১৯ এপ্রিল। সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত ফিউচার ইনভেস্ট ইনিশিয়েটিভ কনফারেন্সে তার মানবীয় আচার-আচরণে মুগ্ধ হয়ে একই অনুষ্ঠানেই তাকে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়। নাগরিকত্ব পাওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে সোফিয়া ঘটনাটিকে 'ঐতিহাসিক' বলে অভিহিত করেছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সোফিয়া কিন্তু রোবটের শেষ সংস্করণ নয় অথবা মানবীয় গুণারোপের চরম উৎকর্ষের শেষ নিদর্শনও নয়। উৎকর্ষ লাভের নিরলস ও অনবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা ধারাবাহিকভাবে বহমান। কোথায় গেলে বিজ্ঞানসম্মত যুক্তি এই কৌশলকে থামাবে তা 'সময়ই' বলে দেবে; যেমন, মানুষের ক্লোন করা মানুষের হিতার্থেই নিষিদ্ধ। ব্রিটিশ পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং ইতোমধ্যে কয়েকবার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মানবজাতিকে জানিয়েছেন যে, যন্ত্রের কৃত্রিম বুদ্ধি এক সময় মানুষের ধ্বংসের দূত হিসেবে দেখা দিতে পারে। তাঁর ধারণা, ঐসব রোবটদের বুদ্ধিমত্তা একটা সময় মানুষের বুদ্ধিমত্তাকেও ছাড়িয়ে যাবে। সোফিয়ার বুদ্ধিমত্তা কেমন? ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে তার অভিমত জানাতে বললে সোফিয়ার সোজাসাপ্টা উত্তর, 'পৃথিবীতে কথা বলার মতো আরও বহু বিষয় আছে'।
তবে স্টিফেন হকিংয়ের এত ভীত হওয়ার কোন কারণ আছে বলে মনে হয় না। ইদানীং ধর্ম আর বিজ্ঞানের সম্পর্কের মধ্যে একটা সমন্বয় সাধনের প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। সমন্বয় সাধনের মর্মার্থ হচ্ছে, বিজ্ঞানের প্রতিটি আবিষ্কার ধর্মের অন্তর্নিহিত শক্তির উৎস থেকে উৎসারিত। বিজ্ঞানীরা ধর্মীয় গ্রন্থের সূত্র ও উৎস না হাতড়ে এগোতে পারতেন না। এই সমন্বয়নের কারণে সোফিয়াকে হাইপেশিয়ার মতো ডাইনী আখ্যা দেওয়ার সম্ভাবনা বর্তমান প্রেক্ষাপটে তিরোহিত।