দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত আজকের (রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯) উপসম্পাদকীয়।

তাজিয়া মিছিলে পদদলন

জিয়াউদ্দীন আহমেদ

শিয়া মুসলমানরা প্রতি বছর ১০ মোহররমের দিন তাজিয়া মিছিল বের করে। কারবালার বিষাদময় ঘটনার স্মরণে রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল শুরু হয়। ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় কারবালায় ইমাম হোসাইন (রা.)-এর মাজারের কাছে শিয়া মুসলমানদের তাজিয়া মিছিলটি অনেক বড় এবং এ মিছিলে পৃথিবীর অনেক দেশ থেকে মুসলমানেরা মিছিলে অংশগ্রহণ করে থাকেন। ঢাকার মিছিলে অনেক আবেগতাড়িত লোককে ছুরির গোছা দিয়ে নিজের পিঠকে রক্তাক্ত করতে দেখা যায়। এছাড়াও মিছিলের অনেকে নানাভাবে নিজেকে কষ্ট দিয়ে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার সঙ্গে একাত্ম হতে চেষ্টা করে। এমন রোমহর্ষক ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তরফ থেকে ইতঃপূর্বে নিষেধ করা হয়েছে বলে মনে হয়নি; কিন্তু এবার এমন কিছু দেখিনি, মনে হয় এবার নিষেধ করা হয়েছে। ইরাকের আশুরা মিছিলে শুধু ফুটপাত ভেঙে পড়ার কারণে ভয়ে ছোটাছুটি করার জন্য পদদলিত হয়ে ৩১ জন লোক মারা গেল, শতাধিক লোক আহত হলো। ধর্মীয় আবেগে যারা নিজের জীবন ছুরির গোছা দিয়ে বিপন্ন করতে এত সাহসী, তাদের ফুটপাত ভেঙে পড়ার কারণে ভীত, সন্ত্রস্ত হওয়ার কথা ছিল না। এই ভীতি দেখা গেছে হেফাজতের শাপলা চত্বরে মহাসম্মেলনও; সারা দিন বক্তৃতা, বিবৃতি দিয়ে জীবন বাজি রাখার জিহাদের যে জোশ দেখা গেল রাতে সেই মরণপণ জোশ টুটে গেল মাত্র কয়েকটি বিকট শব্দে। কারবালায় এর আগেও আশুরা দিবসে তাজিয়া মিছিলকে কেন্দ্র করে পদদলিত হয়ে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পদদলিত হয়ে বহুবার বহু হাজী মারা গেছেন শয়তানকে পাথর মারতে গিয়ে। ইটের তৈরি শয়তান তো প্রতীকী, আসল শয়তানকে হাশরের দিন পর্যন্ত জীবিত থাকার ক্ষমতা দিয়েছেন মহান আল্লাহতালা। তাই এ শয়তানকে পাথর মেরে যে মারা যাবে না তা সব হাজী জ্ঞাত থাকেন; কিন্তু শয়তানের প্রতি ঘৃণা প্রকাশে যে জোশ নাইজেরীয় হাজীদের মধ্যে দেখা যায় তা রোধ করা অপেক্ষাকৃত দুর্বল হাজীদের পক্ষে সম্ভব হয় না। ধর্মের এ আবেগ রোধ করা সম্ভব হয় না বলে পদদলনে হুঁশ থাকে না। ১৯৮৭ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার হাজী পদদলিত হয়ে মারা গেছেন। নিঃস্ব, সহায়-সম্বলহীন মানুষও নিজস্ব শ্রেণির মানুষের পদদলনে মাঝে মাঝে মরে। মেজবানে একবেলা একটু ভালো খাওয়ার জন্য, জাকাতের একটি লুঙ্গি বা শাড়ি পাওয়ার প্রত্যাশায় গরিবেরাও ধাক্কাধাক্কি করে; তাদের ভয় যদি তার পাওয়ার আগেই খাবার শেষ হয়ে যায়, যদি লুঙ্গি, শাড়ির মজুদ তার পৌঁছার পূর্বেই নিঃশেষ হয়ে যায়। কঙ্কালসার শরীর নিয়ে সামান্য একটি ধাক্কাও এরা সহ্য করতে পারে না, পায়ের নিচে পড়ে পিষে যায়।

কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে প্রচুর সাহিত্য রচিত হয়েছে। কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার ভিকটিম ছিলেন আমাদের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা:)-এর নাতি ইমাম হোসাইন (রা.)। ধর্ম সম্পর্কিত বিষয় সংশ্লিষ্ট হওয়ায় কারবালার কাহিনী নিয়ে রচিত সাহিত্যে সত্যের চেয়ে আবেগমিশ্রিত কল্পনার অবতারণা করা হয়েছে বেশি। লেখকেরা পাঠকদের আবেগায়িত করতে সাহিত্যে ভ্রান্ত ধারণাগুলোর পরিবেশনে কসুর করেননি। মীর মোশাররফ হোসেনের উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’ পড়ে আমরা কারবালার হৃদয়বিদারক কাহিনী জানতে পারি। অনেকে এই উপন্যাসটিকে এক সময় ধর্মগ্রন্থজ্ঞানে সম্মান করত। শিক্ষিত-অশিক্ষিত, জ্ঞানী-মূর্খ নির্বিশেষে সবার কাছে ‘বিষাদ সিন্ধু’র কাহিনী এক সময় অকাট্য সত্য বলে গৃহীত ছিল। কিন্তু তার বইয়ের সমালোচনা পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে জানতে পারি যে, এ বইটি ভ্রান্ত ধারণা ও মিথ্যে তথ্যে ভরপুর। তাই ‘বিষাদ সিন্ধু’কে ইতিহাসভিত্তিক না বলে ধর্মীয় অনুভূতি-আশ্রয়ী উপন্যাস বলে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। ইমাম হাসান (রা.)-কে বিষ প্রয়োগে হত্যা করার সঙ্গে ইয়াজিদ কোনভাবেই সংশ্লিষ্ট ছিলেন না, মুয়াবিয়ার জীবদ্দশাতেই ইমাম হাসান ইন্তেকাল করেন। তাই বিষাদ সিন্ধুতে বর্ণিত ইমাম হাসানের সঙ্গে জয়নাবের বিয়ের ঘটনা, কারবালার ময়দানে কাসেমের সঙ্গে সকিনার বিয়ের সংবাদ, হজরত ফাতিমা (রা.)-এর জীবদ্দশায় হজরত আলী (রা.)-র অন্য নারীকে বিয়ে করা, তার সন্তান মুহাম্মদ ইবনে হানাফিয়ার সঙ্গে ইয়াজিদের যুদ্ধ, ইমাম হোসাইনকে নিজ পুত্র দ্বারা হত্যা থেকে বাঁচানোর নিমিত্তে হজরত মুয়াবিয়া (রা.)-এর বিয়ে করতে অস্বীকৃতিতে নবী করিম (সা.)-এর অনুরোধে বৃদ্ধ বয়সে বিয়ে করা, ইমাম হোসাইন (রা.)-এর গলায় বারবার ছুরি চালানোর পরেও ক্ষত না হওয়া ইত্যাদি একেবারেই কাল্পনিক। জয়নাবকে বিয়ে করার জন্য ঘটককে রাজপথে হজরত ইমাম হাসান (রা.) যেভাবে উপন্যাসে অ্যাপ্রোচ করেছেন তা কোনভাবেই ইমাম হাসানের জন্য সম্মানজনক নয়। বর্তমান সময়ে কেউ এমন উপন্যাস লিখলে তাকে ‘মুরতাদ’ ঘোষণা করে হত্যা করার জন্য নাঙ্গা তলোয়ার নিয়ে ছোটাছুটি করার লোকের অভাব হতো না। কারণ বর্তমানে ধর্মীয় অনুভূতি অনেক বেশি তীব্র।

কারবালার ঘটনাটি ঘটে মহানবীর (সা.) ওফাতের ৪৮ বছর পর ৬১ হিজরিতে; এ কারণে কোরআন ও হাদিস দ্বারা এই ঘটনার সত্যাসত্য নিরূপণ করা যাবে না; কোরআন, হাদিসে এ বিষয়টি উল্লেখ থাকার কথা নয়। তাই কারবালার ঘটনাটি সম্পূর্ণ ইতিহাসের বিষয়, ইতিহাসনির্ভর হওয়ায় কারবালার ঘটনা নিয়েও ইতিহাসবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইতিহাসের অধিকাংশ ঘটনায় সত্য-মিথ্যার মিশ্রণ থাকায় কারবালার যুদ্ধ নিয়েও মারাত্মক বিতর্ক রয়েছে। কারবালা নিয়ে যে ঐতিহাসিক তথ্য পাওয়া যায় সেই তথ্যের অধিকাংশ সরবরাহ করেছে শিয়া ঐতিহাসিকগণ; তাই এ বিতর্ক মাঝে মাঝে বিদ্বেষে রূপ নেয়। একই সঙ্গে হজরত মুহাম্মদের (সা.) চাচাতো ভাই এবং মেয়ের জামাই হওয়ার কারণে নবী (সা.) মৃত্যুর পর একদল মুসলমান হজরত আলী (রা.) খিলাফতের বেশি দাবিদার বলে উল্লেখ করেন; কিন্তু তাদের দাবি পূরণ হয়নি এবং বিক্ষুব্ধ এ মুসলমানই পরবর্তীতে শিয়া নামে পরিচিতি লাভ করেন। হজরত ওসমান (রা.) ঘাতকদের দ্বারা শাহাদতবরণ করলে হজরত আলী (রা.) চতুর্থ খলিফা হিসেবে মসনদে অধিষ্ঠিত হন। কিন্তু হজরত আলী (রা.) পূর্ববর্তী খলিফাদের মতো বিশিষ্টজনদের সমর্থন পাননি। একদিকে মক্কাতে হজরত আয়শা (রা.), হজরত তালহা (রা.) এবং আল যুবায়ের (রা.) হজরত আলীর (রা.) বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করেন এবং সিরিয়ার গভর্নর মুয়াবিয়া (রা.) আলী (রা.)-কে নতুন খলিফা হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান। সিরিয়ার প্রভাবশালী গভর্নর মুয়াবিয়া ও হজরত আয়েশা (রা.) চাইছিলেন আগে উসমান (রা.) হত্যার বিচার হোক, তারপর আলীর খেলাফত তারা মেনে নেবেন। কারণ হজরত উসমান (রা.)-এর খুনিরা হজরত আলী (রা.)-এর দলে শামিল হয়ে গিয়েছিল। হজরত আয়েশা (রা.) জামাতা আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন; যুদ্ধ শুরু হলে উভয় পক্ষের প্রায় দশ হাজার সাহাবি মারা যান। হজরত আলী (রা.)-এর নির্দেশে হজরত আয়েশা (রা.)-এর উটের পায়ে তীর বিদ্ধ করা হলে যুদ্ধ থেমে যায়। একটি যুদ্ধ কৌশলে থামানো হলেও হজরত আলী (রা.) অন্য বিদ্রোহী হজরত মুয়াবিয়ার (রা.) বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন; কিন্তু সিফফিন নামক যুদ্ধে মুয়াবিয়াকে পরাজিত করতে না পেরে হজরত আলী সন্ধি করতে বাধ্য হন। সন্ধি অনুযায়ী হজরত আলী ও মুয়াবিয়া উভয়ই ক্ষমতা থেকে অপসারিত হবেন, তৃতীয় একজনকে খলিফা করা হবে। যুদ্ধের ফয়সালার একতিয়ার শুধু আল্লাহর—কোরআনের— এমন উদ্ধৃতির স্লোগান দিয়ে হজরত আলীর পক্ষের একদল সেনা বিদ্রোহ করেন। খারেজি নামে এই বিদ্রোহী মুসলমানদের হাতে পরে আলী (রা.)-এর মৃত্যু হলে মুয়াবিয়া পঞ্চম খলিফা নিযুক্ত হন।

হজরত আলী (রা.) হলেন নবীর (সা.) চাচাতো ভাই, মেয়ে ফাতিমা (রা.)-এর স্বামী এবং বেহেস্তের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবী। অন্যদিকে হজরত মুয়াবিয়া (রা.) ও বেহেস্তের সুসংবাদপ্রাপ্ত এবং ওহি লেখক সাহাবী। হজরত মুয়াবিয়ার পর তার ছেলে ইয়াজিদ খলিফা হিসেবে শাসন শুরু করলে ইমাম হোসাইন (রা.)ও নিজেকে খিলাফতের দাবিদার বলে ঘোষণা দিলেন। ইয়াজিদ ও ইমাম হোসাইন (রা.)-এর বিবাদ কারবালার যুদ্ধে শেষ হয়। কারবালার এই যুদ্ধে ইন্তেকাল করেন হজরত হোসাইন (রা.), তার পরিবার এবং অনুসারীরা। জান্নাতবাসী যুবকদের সর্দার হজরত ইমাম হোসাইনকে মারার কারণে যত প্রকার নেতিবাচক বিশ্লেষণ আছে তাদের সবগুলো ইয়াজিদের বিরুদ্ধে কিছু লেখক প্রয়োগ করেছেন। ইয়াজিদ প্রতারক, মাতাল, সত্য পথ পরিত্যাগকারী, গায়িকা নারীদের সঙ্গপ্রেমিক, বানর খেলায় উন্মত্ত, কাফের ইত্যাদি।

শিয়াদের মতে ইয়াজিদের ক্ষমতা গ্রহণ ছিল অবৈধ ও অনৈসলামিক; তাদের মতে ইমাম হোসাইন (রা.)-কে ভালোবাসা এবং তার হত্যাকারীদের ঘৃণা করা ঈমানের অঙ্গ। কারবালার ঘটনা নিয়ে সুন্নিরা শিয়াদের মতো মাতামাতি করাকে সমর্থন না করলেও ইয়াজিদের ক্ষমতায় অধিষ্ঠানকে অবৈধ ও অনৈসলামিক মনে করেন। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত ইমাম হোসাইনের প্রতি করুণা দেখালেও তারা মুয়াবিয়া কর্তৃক নিযুক্ত ইয়াজিদের ক্ষমতায় আরোহণকে অবৈধ মনে করেন না। হোসাইনকে হত্যার জন্যে এরা ইয়াজীদকে দায়ী করেন না, দায়ী করেন কুফাবাসী এবং কুফার গভর্নর আবদুল্লাহ ইবনে যিয়াদকে। সালাফী মতবাদে বিশ্বাসীরা ইয়াজীদকে ‘রাহমাতুল্লাহ’ বলে সম্বোধন করেন এবং রাজনৈতিক বিরোধের কারণে কারবালার যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে বলে তারা মনে করেন। ডা. জাকির নায়েকও ইয়াজিদকে ‘রাহমাতুল্লাহ’ বলে সম্বোধন করেন এবং কারবালার যুদ্ধকে ‘political battle’ বলে অভিহিত করেন।

মহানবী (সা.)-এর ঘোষণা অনুযায়ী ‘নৌযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের প্রথম দলটি বেহেশতি হবে এবং সাহাবীদের মধ্যে প্রথম বাহিনী যারা ইস্তাম্বুল জয় করবে, তাদের গুনাহ মাফ করা হবে’ [সহীহ বুখারী, ৪র্থ খণ্ড, হাদীস-১৭৫]। উসমান ইবনে আফফানের (রা.)-এর আমলে ২৭ হিজরিতে সাইপ্রাস বিজয়ে মুসলিম বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন মুয়াবিয়া (রা.)। এ বাহিনীতে ইয়াজিদের থাকা না থাকা নিয়ে প্রচুর মতভেদ রয়েছে। ডা. জাকির নায়েকসহ অনেক ইসলামিক পণ্ডিতের মতে মুয়াবিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত সেনাদলে ইয়াজিদ ছিলেন এবং উক্ত সহি বুখারি হাদিস মতে ইয়াজিদ তাই আল্লাহর ক্ষমাপ্রাপ্ত। অন্যদিকে বিরুদ্ধ মতানুসারে ইয়াজিদ প্রথম সেনাদলে ছিলেন না, ছিলেন দ্বিতীয় সেনাবাহিনীর আমীর; আবার কারও কারও মতে ইয়াজিদ সপ্তম বা অষ্টমবারে পরিচালিত অভিযানে ছিলেন। উল্লিখিত হাদিস অনুযায়ী তাদের মতে শুধু প্রথম সেনাদলে অন্তর্ভুক্তরাই আল্লাহর ক্ষমাপ্রাপ্ত বিধায় ইয়াজিদ ক্ষমাপ্রাপ্ত নন। কোন কোন আলেমের মতে ইসলামের নির্দেশ মতো ইয়াজিদের বিরুদ্ধে ইমাম হোসাইন (রা.)-এর যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়া আইনসম্মত ছিল না। ‘একজন শাসকের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকা অবস্থায় তোমাদের জামায়াতে বিভক্তি সৃষ্টির জন্য কেউ আগমন করলে তাকে হত্যা করো’—বুখারি হাদিসের এ নির্দেশনার উল্লেখ করে সালাফির কতিপয় আলেম ইয়াজিদের বিরুদ্ধে ইমাম হোসাইনের বিদ্রোহ করাকে অন্যায় ও অনৈসলামিক বলে অভিহিত করেছেন।

(বাকি অংশ পরবর্তী কলামে)

[লেখক : বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]

zeauddinahmed@gmail.com