দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত আজকের (রোববার, ১৪ জুলাই ২০১৯) উপসম্পাদকীয়।

‘ধর্ষণের জন্য শয়তান দায়ী’

জিয়াউদ্দীন আহমেদ

হিজাবে ঢেকে থাকা ছাত্রী নুসরাতকে ধর্ষণ চেষ্টা ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করার অভিযোগে সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজ উদদৌলা ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের গ্রেফতার করে বিচারে সোপর্দ করার পর মনে হয়েছিল, সমাজে একটা আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে, আগ্রহী ধর্ষকেরা কিছুটা হলেও ভয় পাবে। কিন্তু এই ধর্ষণ দিন দিন মহামারী আকার ধারণ করছে। নেত্রকোনার কেন্দুয়ার আঠারবাড়ি এলাকায় কওমি মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক আবুল খায়ের বেলালী আটজন শিশুছাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। মাওলানা আবুল খায়ের বেলালী মসজিদের ইমাম, শুক্রবারে জুমার নামাজের খতিব। এই ধর্ষক মাওলানা বিভিন্ন স্থানে দাওয়াতে গিয়ে ওয়াজও করেছে। নিশ্চয়ই সে ব্যভিচারের বিরুদ্ধে ওয়াজ করেছে, তার ওয়াজের ক্যাসেট হয়তো বিভিন্ন বাসে উচ্চৈঃস্বরে বাজানোও হয়েছে। ঘন ঘন দুর্ঘটনার কারণে গন্তব্যস্থলে পৌঁছার ব্যাপারে অনিশ্চয়তা থাকায় যাত্রীরাও মনোযোগ দিয়ে তা শুনেন। পরকালে শাস্তির ভয়াবহতা সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে শঙ্কিত করে, বিপদের আশঙ্কায় তাই সবাই ওয়াজ শুনে ছওয়াব কামানোতে মশগুল হয়ে উঠেন। এখন বাসে আর আগের মতো গান বাজানো হয় না। কিন্তু যাদের ওয়াজ শুনি তাদের কেউ ধর্ষক কিনা তা কিন্তু শ্রোতারা জানেন না।

ধর্মকে ব্যবহারের নানা ফন্দি-ফিকির এদের মুখস্থ, এই জালিম আলেমরা জানে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা পবিত্র কোরআনকে ভয় ও শ্রদ্ধা করেন। আমাদের দেশের অধিকাংশ লোক আরবি হরফে লেখা যে কোন কাগজকে ভক্তি, শ্রদ্ধা করে কপালে ঠেকায়—তারা জানে না যে ওই কাগজটি হয়তো একটি প্রেমপত্র। আরবি হরফে লেখা বিচ্ছিন্ন দুটি পৃষ্ঠা পুড়িয়ে ধ্বংস করার কারণে আমাদের গ্রামের এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিকে মাদ্রাসার কয়েকটি ছেলে ঢিল মেরে আহত করেছিলো। এখনো কোন কথার সত্য, মিথ্যা যাচাইকরণে পবিত্র কোরআনকে স্পর্শ করে বলার শর্ত বিভিন্ন সালিশ, দরবারে আরোপ করা হয়। যারা কোরআন স্পর্শ করবেন তারা আবার ওজু করে নিজেকে পবিত্র করে নেন। ধর্ম পালনের প্রতি আগ্রহ না থাকলেও মওলানা আবুল খায়ের বেলালী কোরআনের প্রতি সাধারণ মুসলমানদের ভয়-ভীতি সম্পর্কে সম্যকভাবে অবহিত; তাই সে ধর্ষণ করেই কোরআনে ধর্ষিত শিশুটির হাত রেখে শপথ করাতো এই মর্মে যে—সে কাউকে ধর্ষণের বিষয়টি বলবে না; বললে আল্লাহর কোপে পড়বে, আল্লাহ্ তাকে দোজখের আগুনে পোড়াবেন, শিশুটি পরকালে বেহেশত পাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। পবিত্র কোরআনকে অবমাননাকারী এমন হুজুরদের ওয়াজ শুনেই আমরা জীবনযাপন করি, কাঁদতে কাঁদতে বুক ভাসাই, বিপদসঙ্কুল যে কোন যাত্রাপথে আমাদের জীবন বাঁচানোর নিশ্চয়তা খুঁজি।

ফতুল্লার অধ্যক্ষ মাওলানা আল আমিন ১২ জন ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে; তবে স্বীকার করলেও সে স্পষ্ট করে বলেছে, এই ধর্ষণের জন্য সে নিজে দায়ী নয়, দায়ী হচ্ছে শয়তান। মাওলানা সাহেব যেভাবে শয়তানের ওপর দায় চাপিয়ে ইহকাল, পরকাল দুটোই রক্ষার চেষ্টা করেছে তাতে মাদ্রাসার শিশু ছাত্র, ছাত্রীর জন্য বিপদ আরও অনেক বেশি বেড়ে গেল। এখন দুর্জন মাওলানারা শয়তানের ওপর দায় চাপিয়ে ধর্ষণে উৎফুল্ল হয়ে উঠতে পারে। বাইবেল, কোরআন উভয় ধর্মগ্রন্থে শয়তান ইবলিসের কথা উল্লেখ রয়েছে। জিন বংশীয় এই ইবলিস ছিল অসাধারণ প্রতিভাবান, খুবই সুদর্শন, সাহসী, শক্তিশালী এবং একগুঁয়ে। শিক্ষকতায় ২৬ হাজার বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শারবুক ছিলেন ইবলিসের গৃহশিক্ষক। জিনদের নোংরা আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে মহান আল্লাহতালা জিন বংশ ধ্বংস করার নির্দেশ দেন; ফেরেশতারা সকল জিনকে মেরে ফেললেও ইবলিসের জ্ঞানের গভীরতা দেখে তাকে না মেরে রেখে দেন। প্রতি আসমানে এক হাজার বছর করে ইবাদত বন্দেগী করে ইবলিস সপ্তম আসমানে পৌঁছে যায়। হযরত আদমকে (আ.) সেজদা করার আল্লাহর আদেশ অমান্য করায় আগুনের তৈরি পরহেজগার ইবলিস হয়ে গেল অভিশপ্ত শয়তান। যেহেতু ইবলিস সমৃদ্ধ জ্ঞানে অহঙ্কারী ও দাম্ভিক ছিলো সেহেতু আল্লাহ ব্যতীত মাটির সৃষ্ট মানুষের সেজদা করতে সম্মত হলো না। ইবলিসের ওপর প্রদত্ত শাস্তি কেয়ামতের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত স্থগিত রাখার আবেদন মঞ্জুর করে মহান আল্লাহতালা তাকে মানবজাতিকে প্রভাবিত, প্ররোচিত করে বিপথে পরিচালনার ক্ষমতাও প্রদান করেন। শয়তান থেকে মুক্ত থাকার পথও বাতলানো আছে ধর্মে; আল্লাহর বিধানমতো চললে মানবজাতি ইবলিসের ধোঁকা হতে রক্ষা পাবে বলে স্পষ্ট ঘোষণা রয়েছে। কিন্তু এতদসত্ত্বেও মুক্তি পাননি আদম (আ.), বিবি হাওয়া, তাদের সন্তান কাবিল এবং মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষকেরা। ধর্ম পরিপালনে মাদ্রাসার শিক্ষক, মসজিদের ইমামের চেয়ে বড় আলেম মুসলিম বান্দা সমাজের চোখে দ্বিতীয় জন নেই, অথচ এদেরও শয়তান কাবু করে ফেলে। যে আদমকে মহান আল্লাহতালার নির্দেশে সকল ফেরেস্তা ও জিন (ইবলিস ব্যতীত) সেজদা করল সেই মহান আদি পিতাকেও শয়তান বিপথে নিয়ে গেল—নিষিদ্ধ ফল খাইয়ে তাকে বেহেশত ছাড় করলো, সুন্দরী বোনকে বিয়ে করার জন্য (এ ব্যাপারে ভিন্নমতও আছে) বড় ভাই কাবিল ছোট ভাই হাবিলকে হত্যা করলো। অথচ ইহজগতের হুজুরদের মতো ইবলিসেরও ওলী, সালেহ, মুত্তাকী, খাজিন, রুহুল্লাহ ইত্যাদি সনদ ছিলো। বর্তমান শিক্ষকদের মতো এই ইবলিসও নাকি আরশে মুয়াল্লায় ইবাদতের পাশাপাশি ফেরেস্তাগণকে কোচিং করাতো। ইবলিস ফেরেস্তাদের ওয়াজ-নসিহত করে হয়েছিলো ‘মুয়াল্লিমুল মালাকুত’ বা ফেরেস্তাদের শিক্ষক। ছয় লক্ষ বছর ইবাদতকারী এই ইবলিস কার প্ররোচনায় আল্লাহর আদেশ অমান্য করলো তার কোন তথ্য কোথাও খুঁজে পাইনি। মাদ্রাসার এই ধর্ষক শিক্ষকেরা সম্ভবত ইবলিসের অনুসারী বলেই নিজের ধর্ষণের দায় শয়তানের ঘাড়ে দিয়ে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে। অন্যদিকে ১২ ছাত্রীকে শয়তান দিয়ে ধর্ষণ করানোর কাহিনী মাওলানা আমিন কীভাবে প্রমাণ করাবেন তা কিন্তু সে বলেনি; শয়তান অদৃশ্য জীব, থানা বা আদালতে সাক্ষী দিতে পারবে না। কিছু লোক বলেন, ইসলামী জ্ঞান ও ধর্মীয় মূল্যবোধের ঘাটতির জন্য ধর্ষণের ব্যাপক বিস্তৃতি; কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, মক্তবের মাওলানাদের ধর্ষণের উৎসব দেখে তো তা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়।

‘তুমি কী হতে চাও’— এ বিষয়ে রচনা লিখতে গিয়ে আমরা প্রায় সবাই স্কুল ও কলেজজীবনে পরীক্ষায় খাতায় লিখেছি, ‘শিক্ষক হতে চাই’। শিক্ষকের চেয়ে মহৎ ও সম্মানীয় পেশা তখন সম্ভবত ছিলো না। আমার আব্বা ছিলেন একটি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক, আমরা পাঁচ ভাইও শিক্ষকতা করেছি। অবসর গ্রহণের পর পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে আব্বার রাস্তা-ঘাটে চলাফেরার সময় এলাকার লোকদের চলাফেরায় কষ্ট হতো; আব্বাকে অতিক্রম করে কেউ সম্মুখে যেত না। যারা সাইকেল নিয়ে আসতো তাদের কষ্ট ছিলো সীমাহীন—সাইকেল ঠেলে ঠেলে সারাটি পথ আব্বার পেছনে পেছনে যেত।

সক্ষম সব লোকেরই যৌন বাসনা রয়েছে; সম্পূর্ণ ধর্ষণমুক্ত সমাজ কখনই ছিল না, এখনও নেই। শিক্ষকেরাও মানুষ, তাই তাদেরও কামভাব থাকবে। কিন্তু শিক্ষকেরা যখন এই জঘন্য কাজটি করে বসে তখন ছাত্রীদের আর কোন নিরাপদ আশ্রয় থাকে না। পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় বা পাস করিয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে, দোজখের আগুনে দগ্ধ হওয়ার ভীতিজনক পরিবেশ সৃষ্টি করে, বেহেশত পাওয়ার আশ্বাস দিয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্র, ছাত্রীদের শিক্ষকেরা ধর্ষণ করে। এই অপরাধ সমাজে শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদার জন্য অবমাননাকর। আর্থিক দিক বিবেচনায় বর্তমানের মতো অতীতেও শিক্ষকেরা ছিলো অবহেলিত, অফিসের একজন করণিক যে বেতন ও সুযোগ-সুবিধা পায়, একজন সহকারী শিক্ষক এখনো তা পান না। তাই ঠেকায় না পড়লে আজকাল কেউ শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে মেনে নেয় না। তবে তাদের আর্থিক দুর্বিষহ জীবনযাত্রার সাথে শিশু ধর্ষণকে ট্যাগ করে বীভৎস ধর্ষণের গুরুত্ব কমানো যাবে না।

আমাদের সমাজে মেয়েদের অবস্থান সরকারের শত চেষ্টাও সত্ত্বেও উপরে উঠলো না। একটি মেয়ে ধর্ষিত হওয়ার পর আবার সে লাঞ্ছিত হয় পরিবার, সমাজ, মিডিয়া, পুলিশ, উকিলের কাছে; আসামির উকিলের জেরায় মনে হয় তাকে দ্বিতীয়, তৃতীয়বার মানসিক ধর্ষণ করা হচ্ছে। এমন ধর্ষণ চলতে থাকে পাড়ায়, মহল্লায়, চায়ের আড্ডায়, জন্মদিন, বিয়ের আসর ইত্যাদিতে যোগ দেওয়া মহিলাদের গল্প, গুজবে। ধর্ষক পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় সব অনুষ্ঠানে যোগ দিলেও তার উপস্থিতি নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না; ধর্ষণ কর্মকাণ্ডের পর ধর্ষকের একাধিক বিয়ে করতেও কোন সমস্যা হয় না, কারণ অধিকাংশ পিতামাতা মেয়েদের বোঝা মনে করে, পাত্র-অপাত্র নির্বিশেষে যে কোন একজনের ঘাড়ে ফেলতে পারলেই বাঁচে। কিন্তু ধর্ষিত মেয়ে স্কুল, কলেজ বা কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতে পারে না, মা-বাবা বা অভিভাবক তাকে এসব অনুষ্ঠানে নেয় না। পুরুষেরা এ ব্যাপারে নির্লিপ্ত থাকলেও পরিচিত সব বয়স্ক মহিলা অনুষ্ঠানে তার দিকে ইশারা-ইঙ্গিত করে ফিসফিস করতে থাকে। মা তাকে অবজ্ঞা করে, বাবা তার সাথে প্রয়োজন ছাড়া কথা বলে না, আত্মীয়-স্বজন মনে মনে তাকে ঘৃণা করে, বান্ধবীরা সংঘবদ্ধ হয়ে তার সঙ্গ ত্যাগ করে, পাড়া-প্রতিবেশী তাকে চরিত্রহীন বলে খোঁটা দেয়। সবাই মিলে ধর্ষিত মেয়েটাকে ধর্ষণ করতেই থাকে। এই যখন সমাজের অবস্থা তখন ধর্ষিত মেয়েদের কাছ থেকে ধর্ষণের কথা প্রকাশ হোক তা সমাজ, রাষ্ট্র প্রত্যাশা করে কী করে?

পাকিস্তানে শিশুধর্ষণের অভিযোগে একজন শিক্ষককে ১০৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমাদের দেশেও প্রায় প্রতিটি ধর্ষক গ্রেফতার হচ্ছে; কিন্তু পনেরো, বিশ বছর পর জেল-জরিমানা, ফাঁসির আদেশ হলেও সমাজে তার কোন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় না। কারণ যাদের আমলে ঘটনাটি ঘটেছিল তাদের অধিকাংশ হয় মারা গেছেন অথবা কেউ বেঁচে থাকলেও তারা ঘটনাটি ভুলে গেছেন। অন্যদিকে পুলিশ আর সরকারের মুখপাত্ররা বলবেন, ধর্ষণের সব ঘটনা তো রাজনীতি বিমুক্ত, তাই এসব ধর্ষণের জন্য তাদের দোষারোপ করা যাবে না। অবশ্য তাদের মাথাব্যথারও কোন কারণ নেই, কারণ তাদের ছেলেমেয়েরা সুরক্ষিত। বিএনপির নেতা তারেক রহমানের কোন সন্তান সম্ভবত বসুন্ধরার কোন একটি স্কুলে পড়তো, তারেক রহমানের সন্তানদের স্কুলে পৌঁছানোর সময় প্রায় প্রতিদিন বসুন্ধরার প্রবেশপথে গাজীপুরগামী আমাদের গাড়ি কিছুক্ষণের জন্য দাঁড় করিয়ে রাখা হতো। এখনও রাস্তায় বেরুনোর আগে কয়েকবার সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করি যাতে ভিআইপি চলাচল বা তাদের সন্তানদের স্কুল-কলেজে যাওয়ার গতিপথে না পড়ি। তাদের নিরাপত্তা বিধানে আমরা নাখোশ নই, নাগরিক হিসেবে শুধু আমাদের ছেলেমেয়েদেরও নিরাপদে চলাফেরার নিশ্চয়তা চাই। কীভাবে করা যায় তার পথ বের করা জরুরি, ক্ষমতায় যারা আছেন তাদেরই এ দায়িত্ব। উন্নয়নের আত্মতৃপ্তিতে না ভুগে এই সামাজিক ব্যাধি নিরসনে সরকারকে মনোযোগী হতে হবে। সমাজের বিভিন্ন দুর্বলতা নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া সোচ্চার। কিন্তু সরকারের নীতি-নির্ধারকেরা পত্রিকা পড়ার প্রয়োজন বোধ করেন বলে মনে হয় না। আমার মেজ ভাই সাবেক সচিব, মুক্তিযোদ্ধা ও কলাম লেখক মহিউদ্দিন আহমেদ আমার গত লেখাটির ওপর ফেসবুকে মতামত দিতে গিয়ে বলেছেন, সরকার এসব যুক্তিসঙ্গত লেখা ‘থোড়াই কেয়ার’ করে। তবে সরকারকে মনে রাখতে হবে রমজান মাসে শয়তান শৃঙ্খলিত থাকলেও মানবজাতিকে বিপথে পরিচালনার শক্তি রাখে।

[লেখক: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]

zeauddinahmed@gmail.com