জনগণের আন্দোলনের মুখে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে পদত্যাগ করেছেন। মন্ত্রিসভার ২৬ জন মন্ত্রী আগেই পদত্যাগ করেছিলেন। মাহিন্দা রাজাপাকসের বাড়িসহ প্রায় এক ডজন বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে, অগণিত যানবাহনে আগুন দেওয়া ছাড়াও কয়েকটি নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসের ছোট ভাই। রাজাপাকসে পরিবারের আরও অনেকজন আগের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। শহরে সান্ধ্য আইন, রাস্তায় দেখামাত্র গুলি করার হুকুম জারি করা হয়েছে, কিন্তু বিক্ষুব্ধ জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমে এখন প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবী করছে। রাজাপাকসে পরিবারের আর কাউকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না জনগণ। প্রেসিডেন্ট বাধ্য হয়ে তার কিছু নির্বাহী ক্ষমতা পার্লামেন্টের কাছে হস্তান্তরে রাজী হয়েছেন। সর্বদলীয় সরকার গঠনের লক্ষ্যে গত নির্বাচনে যে রাজনৈতিক দল মাত্র একটি আসন পেয়েছিল সেই দলের প্রধান রনিল বিক্রমাসিংহেকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রনিল বিক্রমাসিংহে এর আগেও পাঁচবার দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন, কিন্তু কোনোবারই মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। এবার তিনি পাঁচ হাজার কোটি ডলার বৈদেশিক ঋণের দায়ে ঋণখেলাপি শ্রীলঙ্কার দায়িত্ব নিলেন।

তামিল বিদ্রোহীদের নৃশংসভাবে উচ্ছেদ করার পর পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে শ্রীলঙ্কায় বীরোচিত সংবর্ধনা পেয়েছিলেন। তিনি একনাগাড়ে দশ বছর শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ২০০৪ সনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই তিনি পরবর্তী বছর রাষ্ট্রপতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সদ্য শপথ নেয়া প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে এক লক্ষ নব্বই হাজার ভোটে পরাজিত করেন। শ্রীলঙ্কা এক সময় গৃহযুদ্ধে জর্জরিত ছিল। লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলম বা তামিল টাইগারেরা ১৯৮৩ সন থেকে ২০০৯ সন পর্যন্ত স্বাধীন তামিল রাষ্ট্র গঠনের জন্য লড়াই করেছে। মাহিন্দা রাজাপাকসের বড় কৃতিত্ব তামিল টাইগারদের পরাজিত করে ২৫ বছরের অধিক সময় ধরে চলা গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানো। বর্তমান প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে তখন ছিলেন প্রতিরক্ষা সচিব। কিন্তু রাজাপাকসে পরিবারের সদস্যরা এখন শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে ঘৃণিত ও ধিক্কৃত।

বৈশ্বিক পরিস্থিতি অনুকূল না থাকায় শ্রীলঙ্কার শাসক পরিবর্তনে কোন লাভ হবে বলে মনে হয় না। রাজাপাকসের পরিবার আবার হয়তো জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। গণবিক্ষোভে পতিত স্বৈরশাসকও পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসার বহু নজির আছে। এরশাদ সাহেবকে বিএনপি, আওয়ামী লীগসহ প্রায় সব দল স্বৈরশাসক বলে অভিহিত করে থাকে। প্রচণ্ড গণবিক্ষোভে এরশাদ সাহেবের পতনের পর তাকে বহুদিন জেলেও থাকতে হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার অস্তিত্ব এখনো সবাই উপলব্ধি করে। ১৯৮৬ সনে এক গণঅভ্যুত্থানে ফিলিপিন্সের স্বৈরশাসক ফার্দিনান্দ মার্কোস শুধু ক্ষমতাচ্যুত হননি, আমেরিকার সহায়তায় গোপনে দেশত্যাগ করতেও বাধ্য হয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোসের স্ত্রী ইমেলদা মার্কোসের ৭৫০০ জোড়া জুতো ছিল, তার ভোগবিলাসী জীবনযাপনের কারণেই ফিলিপিন্সের জনগণ বিক্ষুব্ধ ছিল। ইন্টারেস্টিং বিষয় হচ্ছে, চরম দুর্নীতির বদনাম নিয়ে যে স্বৈরশাসকের ৩৬ বছর আগে পতন হয়েছিল সেই স্বৈরশাসকের পুত্র সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বেশী ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। দ্রব্যমূল্য অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকেও গণবিক্ষোভের সম্মুখীন হতে হয়েছে, ক্ষমতা হারিয়েছেন; কিন্তু পতিত ইমরান খানের আগামী নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।

গণতন্ত্রের কুৎসিত রূপ হল বিরোধী দল সর্বদা সরকারের ব্যর্থতা কামনা করে। বাংলাদেশেও অনেকে মনেপ্রাণে কামনা করছে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মতো দেউলিয়া হয়ে যাক, বর্তমান সরকারের পতনটা শ্রীলঙ্কার মতো আগুন সন্ত্রাসের তাণ্ডবে পরিসমাপ্তি ঘটুক। তাই তারা দেশে নীরব দুর্ভিক্ষের নেতিবাচক ভাবনায় তাড়িত। তবে শ্রীলঙ্কার এমন অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে বিরোধী দলের প্রচারে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যেও কিছুটা আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ শ্রীলঙ্কার মতো বাংলাদেশেও বৈদেশিক ঋণে অনেকগুলো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। তবে পার্থক্য হচ্ছে, শ্রীলঙ্কার মেগা প্রকল্পগুলো তাদের দেশের প্রয়োজনের নিরিখে গুরুত্বহীন, কিন্তু বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো মেগা প্রকল্প দেশের সমৃদ্ধি আনায়নে জরুরি ও অপরিহার্য। শ্রীলঙ্কা ইতোমধ্যে বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারবে না ঋণদাতাদের জানিয়ে দিয়েছে। কিস্তি দেবে কোত্থেকে? শ্রীলঙ্কার রিজার্ভে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আছে তা তাদের এক মাসের আমদানি করার জন্যও পর্যাপ্ত নয়। শ্রীলঙ্কার এত দুরবস্থা যে, কেউ ঋণ দিতেও রাজী হচ্ছে না। বাংলাদেশের কাছেও ২৫ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছিল, বাংলাদেশ দিতে রাজী হয়নি, কারণ আগে যে ২০ কোটি ডলার নিয়েছিল তার কিস্তিও পরিশোধ করতে পারেনি।

শ্রীলঙ্কা সরকারের কিছু ভুল পদক্ষেপও দেশে অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টির জন্য দায়ী। বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করার লক্ষ্যে সরকার রাসায়নিক সার আমদানি ও কৃষিতে প্রয়োগ বন্ধ করে দেশীয় পদ্ধতিতে উৎপাদিত জৈবিক সারের প্রয়োগ করে। এর ফলে কৃষি উৎপাদন হ্রাস পায়। অন্যদিকে জনগণের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার বাসনায় ক্ষমতায় এসেই সরকার ভ্যাটের হার ৫০% হ্রাস করে দেয় এবং এর ফলে রাজস্ব আদায় বিপুল পরিমাণে কমে যায়। রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ায় সরকারের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। শ্রীলঙ্কায় রপ্তানি আয়ও মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়, অন্যদিকে দেশে উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমদানির পরিমাণ বেড়ে যায়। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেল ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয়ও বেড়ে যায়। ফলে শ্রীলঙ্কায় বার্ষিক বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার কোটি ডলারেরও বেশী। জ্বালানি তেলের সংকট এত তীব্র আকার ধারণ করেছে যে, পেট্রোল পাম্পগুলোতে সেনাবাহিনী রেখে তেলের গ্রাহকদের নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে।

ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। প্রতি বছর প্রচুর বিদেশি পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করেন। ২০১৯ সনের পূর্বে পর্যটকদের পছন্দের জায়গা ছিল শ্রীলঙ্কা। ২০১৯ সনে শ্রীলঙ্কার কলম্বোর তিনটি বিলাসবহুল হোটেল ও তিনটি গির্জায় একটি ইসলামপন্থী গ্রুপের সিরিজ বোমা হামলার কারণে পর্যটনে ধস নামে। এই সিরিজ বোমা হামলায় কমপক্ষে ৩১ জন বিদেশি নাগরিক নিহত হয়। অন্যদিকে করোনা মহামারি এবং মহামারি-উত্তর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে শ্রীলঙ্কার শুধু পর্যটন খাতে নয়, রপ্তানি এবং প্রবাসী আয়ের খাতেও ধস নামে। জ্বালানি তেলের অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে, দৈনিক তের ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, রান্নার জন্য গ্যাস নেই। দেশের অবস্থা কত চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে তা বোঝা যায় যখন সাদা কাগজের অভাবে স্কুল-কলেজের পরীক্ষা বন্ধ থাকে।

শ্রীলঙ্কার আয়-ব্যয়, আমদানি-রপ্তানি, উৎপাদন, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত, ঋণের পরিমাণ ও ধরণ ইত্যাদির সাথে তুলনা করলে স্পষ্ট প্রতীয়মান হবে যে, বাংলাদেশের আর্থিক স্বাস্থ্য এখনো তত দুর্বল হয়নি। দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সবগুলো দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক অনেক বেশী শক্তিশালী। বেশী সুদ ও স্বল্পমেয়াদের সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশে অনেক কম, বাংলাদেশের বেশীরভাগ বৈদেশিক ঋণ দীর্ঘমেয়াদি। বৈদেশিক ঋণের সুদের গড়পড়তা হার বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ২ শতাংশেরও কম, এই হার শ্রীলঙ্কার ৬ শতাংশ। শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় শূন্যের ঘরে নেমে এসেছে, কিন্তু বাংলাদেশের রিজার্ভ এখনো ৪২ বিলিয়ন ডলার। শ্রীলঙ্কার হাতে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আছে তা দিয়ে এক মাসের আমদানির অর্থ পরিশোধ করাও সম্ভব নয়, বাংলাদেশের মজুত অর্থ দিয়ে পাঁচ মাসের আমদানি খরচ মেটানো সম্ভব। শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক ঋণ ও জিডিপির অনুপাত ৬১ শতাংশের সাথে তুলনায় বাংলাদেশের ঋণ মাত্র ১৬ শতাংশ। এই ঋণের বেশীরভাগ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকের মতো বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে স্বল্প সুদ আর সহজ শর্তে গৃহীত। শ্রীলঙ্কার রপ্তানি আয় যেখানে প্রায় স্থবির হয়ে গেছে সেখানে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৩ শতাংশ বেশি। প্রবাসীদের অর্থ প্রেরণ গত বছরের তুলনায় ১৬ শতাংশ কমে গেলেও গত মাস থেকে প্রেরিত রেমিট্যান্সে বাড়তি ট্রেন্ড পরিলক্ষিত হচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় বিদ্যুতের অভাবে যেখানে বাতি জ্বলে না সেখানে বাংলাদেশ অচিরেই উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নিয়ে অহংকার করবে। বাংলাদেশে সার্বিক কৃষি উৎপাদন সন্তোষজনক। পৃথিবীব্যাপী অধিকাংশ দেশের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মধ্যেও বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৪%।

বাংলাদেশের আর্থিক অবস্থা যত সবল হোক না কেন, সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বন অপরিহার্য। চলতি বছরে বাংলাদেশের আমদানি বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ; আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি শ্রীলঙ্কার মতো ব্যাপক। আমদানি ব্যয় ৫০ শতাংশ বাড়লেও দেশে পণ্য কিন্তু বেশী ঢুকছে না; বিশ্ব বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কারণেই আমাদের আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে। আমদানি হ্রাস করাও খুব সহজ নয়—জ্বালানি তেল, ভোজ্য তেল, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ শিল্পায়নের জন্য মেশিনপত্র আমদানি করতেই হবে। অন্যদিকে বিশ্ব বাজারে জিনিসপত্রের দাম কমার কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না, জ্বালানি তেল-গ্যাস-গম-সয়াবিন তেল উৎপাদনকারী দেশে যুদ্ধ, ইন্দোনেশিয়া পাম অয়েল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ থামছে না, এই যুদ্ধ সুইডেন, ফিনল্যাণ্ডের দিকে এগুচ্ছে। রাশিয়ার উপর আমেরিকা ও ইউরোপের অর্থনৈতিক অবরোধ যত শক্ত হবে সারা পৃথিবীতে পণ্যের দর বৃদ্ধি পেতে থাকবে। শ্রীলঙ্কার ঘটনা বাংলাদেশ সরকারকে সচেতন হতে সহায়তা করেছে। সরকার প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রণোদনার হার বৃদ্ধি করেছে, অপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি রোধ করতে এলসি মার্জিনে শর্তারোপ করেছে, ডলারের সাথে টাকার দর সমন্বয় করেছে, সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ প্রায় নিষিদ্ধ করেছে। তবে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ের ক্ষেত্রে আরও বেশী সতর্ক হতে হবে। রাজস্ব আদায়ে সরকারকে অধিকতর মনোযোগী হতে হবে, করের আওতার বাইরে থাকা লোকগুলোকে করের আওতায় আনা জরুরি। লাগামহীন ভর্তুকি দিয়ে পণ্যের দর কম রাখার জনপ্রিয় নীতির প্রয়োগে আরও বিচক্ষণ হতে হবে। অন্যদিকে তিয়াত্তর বছর বয়সী নতুন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে ঐকমত্যের প্রশাসনের নেতৃত্ব দিয়ে পঙ্গু অর্থনৈতিক সংকট থেকে শ্রীলঙ্কাকে রক্ষা করবে এই প্রত্যাশা আমাদের সকলের।